Questions in this chapter
২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে জামান ট্রেডার্সের নগদান বইয়ের ডেবিট উদ্বৃত্ত ১,২০,০০০ টাকা। কিন্তু উহা পাস বইয়ের উদ্বৃত্তের সাথে মিলে নাই। সমস্ত হিসাব যাচাই করে নিম্নের পার্থক্য পাওয়া গেল-
(১) ২৮,০০০ টাকার পাঁচটি চেক এবং ২২,০০০ টাকার একখানি প্রাপ্য বিল আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমা দেয়া হয় কিন্তু ব্যাংক কর্তৃক ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আদায় হয়নি।
(২) ১৮,০০০ টাকার একখানি প্রাপ্য বিল ব্যাংক থেকে বাট্টা করা হয় ১৬,৮০০ টাকায় কিন্তু নগদান বইতে উহা পূর্ণমূল্যে লিপিবদ্ধ করা হয়।
(৩) ব্যাংক কর্তৃক ১৫,০০০ টাকার প্রদেয় বিল পরিশোধিত হয়েছে কিন্তু নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয় নাই।
(৪) খরিদ্দার সরাসরি ২০,০০০ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়েছে যাহা নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয় নাই।
(৫) ১০,০০০ টাকার চেক আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমা দেয়া হয়েছিল কিন্তু নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয় নাই।
(৬) ৫০,০০০ টাকার তিনখানি চেক সরবরাহকারীদের নামে ইস্যু করা হয়েছিল যার মধ্যে ৪৫,০০০ টাকার দুইখানি চেক পরিশোধিত হয়েছে।
(৭) ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরিকৃত সুদ ১,৫০০ টাকা এবং ধার্যকৃত কমিশন ১,০০০ টাকা যা নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয় নাই।
ক. নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয়নি এরূপ লেনদেনের মোট টাকার পরিমাণ কত?
খ. উপরিউক্ত তথ্য হতে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. ৩, ৪, ৫ এবং ৭ নং দফার আমানতকারীর বইতে জাবেদা দাখিলা দাও।
জনাব রহমানের হিসাব বই হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ নেওয়া হয়েছে:
(১) নগদান বই অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৭০,০০০ টাকা।
(২) ৫,০০০ টাকার ইস্যুকৃত একটি চেক পরিশোধের জন্য এখনও ব্যাংকে উপস্থাপিত হয় নি।
(৩) ১০,০০০ টাকার একটি চেক আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ব্যাংক কর্তৃক এখনো আদায় হয় নি।
(৪) দেনাদার কর্তৃক সরাসরি ১৫,০০০ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয় নি।
(৫) ইস্যুকৃত চেক ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান ৩,০০০ টাকা।
(৬) ব্যাংক কর্তৃক লভ্যাংশ আদায় ২,০০০ টাকা যা নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয়নি।
(৭) ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত চার্জ ১০০ টাকা এবং ব্যাংক সুদ ২০০ টাকা নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয় নি।
ক. ব্যাংক বিবরণীতে লেখা হয় নি এরূপ লেনদেনের তালিকা তৈরি কর।
খ. উপরিক্ত তথ্যাবলি হতে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।
গ. ৪, ৫, ৬. এবং ৭ নং লেনদেনসমূহের জাবেদা দাখিলা দাও।
নিম্নের তথ্যাবলি ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে শাহরিয়ার ব্রাদার্সের হিসাব বই থেকে নেয়া হয়েছে-
(১) নগদান বই মোতাবেক ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ১.৩১,০০০ টাকা;
(২) চেক কাটা হয়েছে কিন্তু ভাঙ্গানো হয়নি ৭,০০০ টাকা।
(৩) ব্যাংক কর্তৃক প্রাপ্য হিসাবের নিকট হতে ৪,০০০ টাকা আদায় কিন্তু নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৪) চেক জমা দেয়া হয়েছে কিন্তু আদায় হয়নি ২৫,০০০ টাকা।
(৫) ব্যাংক সুদ ৩,০০০ টাকা এবং বিনিয়োগের সুদ ৫,০০০ টাকা ব্যাংক কর্তৃক আদায় হয়েছে যা নগদান বইতে লেখা হয়নি
(৬) ব্যাংক বিবরণী অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ১,২৫,০০০ টাকা।
ক. নগদান বইতে লেখা হয়নি এমন দফাগুলোর টাকার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. একক জের, পদ্ধতিতে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. উভয় জের সংশোধন পদ্ধতিতে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
মহুয়া এন্টারপ্রাইজের ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে ব্যাংকসংক্রান্ত তথ্যাবলি নিম্নরূপ:
(১) নগদান বই অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৩০,৮০০ টাকা।
(২) একজন পাওনাদারকে ১৫,০০০ টাকার চেক ইস্যু করা হলেও চেকখানা এখনও ব্যাংকে উপস্থাপিত হয় নি।
(৩) আদায়ের জন্য জমাকৃত চেক ১০,০০০ টাকা, যা এখনো আদায় হয় নি।
(৪) একজন খরিদ্দার সরাসরি ব্যাংকে ১২,০০০ টাকার চেক জমা দিলেও যা এখনো নগদান বইতে লেখা হয় নি।
(৫) দেনাদারের কাছ থেকে প্রাপ্ত চেক ব্যাংকে জমা হলেও পরবর্তীতে ৫,০০০ টাকার চেকখানা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল যা হিসাবভূক্ত হয় নি।
(৬) ব্যাংক থেকে একখানা ৪,০০০ টাকার প্রদেয় বিল পরিশোধ করা হলেও নগদান বইতে লেখা হয় নি।
(৭) ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত সুদ ৪০০ টাকা।
ক. আমানতকারীর নগদান বইতে লেখা হয়নি তার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. উপরের তথ্যাবলির আলোকে প্রচলিত পদ্ধতিতে একখানা ব্যাংক জমার সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।
গ. ৪.৫. ৬ এবং ৭নং দফাগুলো আমানতকারীর হিসাব বইতে জাবেদা দাখিলা দাও। (ব্যাখ্যার প্রয়োজন নাই)
নিম্নলিখিত তথ্যাবলি ৩১ মার্চ, ২০১৮ তারিখে জনাব জাহিনের হিসাব বই থেকে নেওয়া হয়েছে-
(১) ব্যাংক বিবরণী অনুযায়ী ব্যাংক জমাতিরিক্ত ৮,০০০ টাকা।
(২) জমাকৃত চেক যা ব্যাংক ক্রেডিট করেনি ১,৫০০ টাকা।
(৩) ইস্যুকৃত চেক যা ব্যাংকে উপস্থাপিত হয়নি ৩,৭৫০ টাকা।
(৪) ব্যাংক জমাতিরিক্তের সুদ যা নগদান বইতে লেখা হয়নি ১০০ টাকা।
(৫) ব্যাংক চার্জ ২৫ টাকা যা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৬) ব্যাংক কর্তৃক বিনিয়োগের সুদ আদায় যা নগদান বইতে লেখা হয়নি ৭৫০ টাকা।
(৭) ব্যাংক কর্তৃক জীবন বিমার প্রিমিয়াম প্রদান ৩০০ টাকা।
ক. ব্যাংক কর্তৃক ডেবিটকৃত টাকার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. ৩১ মার্চ তারিখে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. ৪ থেকে ৭ পর্যন্ত লেনদেনগুলোর জাবেদা দাখিলা দাও।
জনাব সাজিদ একজন ব্যবসায়ী। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে তার ব্যবসায়ের ব্যাংক হিসাব এবং নগদান বহি পর্যালোচনা করে নিম্নলিখিত তথ্যাবলি পাওয়া গেল:
(i) নগদান বই অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৩২.৫০০ টাকা কিন্তু ব্যাংক বিবরণী অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ২১,৫০০ টাকা।
(ii) পাওনাদার বরাবর ইস্যুকৃত মোট ৬০,০০০ টাকার তিনটি চেকের মধ্যে ৪৫,০০০ টাকার দুটি চেক ডিসেম্বর মাসে ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়েছে
(iii) দেনাদারের নিকট হতে প্রাপ্ত ৪৫,০০০ টাকার দুটি চেক এবং ২০,০০০ টাকার একটি প্রাপ্য বিল ব্যাংকে জমা দেওয়া হলেও এই হিসাব বছরে শুধু প্রাপ্য বিলের টাকা ব্যাংক কর্তৃক আদায় হয়েছে।
(iv) ৩,০০০ টাকার একখানা প্রাপ্য বিল ২,৫০০ টাকায় বাট্টা করা হলেও নগদান বইতে পূর্ণ মূল্যে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
(v) বিনিয়োগের সুদ ১৫,৫০০ টাকা ব্যাংক কর্তৃক সরাসরি আদায় হয়েছে কিন্তু নগদানভুক্ত হয় নি।
(vi) আদায়ের জন্য ৫.৫০০ টাকার চেক ব্যাংকে জমা দিলেও তা নগদানভুক্ত হয়নি।
(vii) ব্যাংক জমার সুদ ১,০০০ টাকা এবং ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত চার্জ ২,৫০০ টাকা নগদানভুক্ত হয়নি।
ক. ব্যাংক কর্তৃক অপরিশোধিত চেক এবং অনাদায়ি চেকের পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. প্রচলিত পদ্ধতি অবলম্বন করে একখানা ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।
গ. উপরের তথ্য হতে আমানতকারীর বইতে iii, iv. v ও vi নং দফাগুলোর জাবেদা দাখিলা দাও।
২০১৭ সালের ৩১ মার্চ তারিখে সমিহ রহমানের তথ্যাবলি পড় এবং নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:
(১) পাস বই অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৪৪,৪০০ টাকা।
(২) ৩,০০০ টাকার ১টি প্রাপ্যবিল ২,৪০০ টাকায় ব্যাংকে বাট্টা করা হয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিলটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, যার জন্য নগদান বইতে কোনো দাখিলা দেওয়া হয়নি।
(৩) সমিহ রহমান ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যাংক হতে ৩,০০০ টাকা উত্তোলন করেছেন কিন্তু তা নগদানভুক্ত হয়নি।
(৪) চেক কাটা হয়েছে, কিন্তু ভাঙানো হয়নি ১১,৪০০ টাকা।
(৫) ব্যাংক কর্তৃক ৬,৬০০ টাকার একখানা বিলের বিপরীত ৬,০০০ টাকা আদায় করেছে। কিন্তু উক্ত বিলের সম্পূর্ণ মূল্য দ্বারা নগদানভুক্ত হয়েছে।
(৬) ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত সুদ ১,০০০ টাকা এবং ব্যাংক কর্তৃক কর্তনকৃত ব্যাংক চার্জ ১,০০০ টাকা। (৭) ব্যাংক একজন পাওনাদারকে ৬,০০০ টাকা পরিশোধ করেছে, যা নগদানভুক্ত হয়নি।
(৮) ব্যাংক লভ্যাংশ আদায় করেছে ৬,৬০০ টাকা, যা নগদানভুক্ত হয়নি।
ক. বিল আদায় এবং বাট্টাকরণ বাবদ মোট কত টাকা ব্যয় হয়েছে?
খ. ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. নগদান বই অনুসারে ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৩৫,০০০ টাকা ধরে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
জনাব তাসনিমের হিসাব বই হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ নেওয়া হয়েছে:
১. নগদান বই অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৫০,০০০ টাকা।
২. ১৫,০০০ টাকার ইস্যুকৃত একটি চেক পরিশোধের জন্য এখনও ব্যাংকে উপস্থাপিত হয়নি।
৩. ২০,০০০ টাকার একটি চেক আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে কিন্তু ব্যাংক কর্তৃক এখনও আদায় হয়নি।
৪. ব্যাংক কর্তৃক লভ্যাংশ আদায় ৫,০০০ টাকা যা নগদান বইতে লেখা হয় নি।
৫. ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় হিসাবের ১০,০০০ টাকা পরিশোধ যা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
৬. ব্যাংক কর্তৃক প্রাপ্য হিসাবের ২,৫০০ টাকা সরাসরি আদায় যা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
৭. ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত চার্জ ৫০০ টাকা যা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
ক. ব্যাংক বিবরণীতে লেখা হয়নি এরূপ লেনদেনের মোট টাকার পরিমাণ কত?
খ. ব্যাংক বিবরণীতে লিপিবদ্ধ হয়েছে এরূপ লেনদেনসমূহের জাবেদা দাখিলা দাও।
গ. উপরিউক্ত তথ্যাবলি হতে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।
নিম্নলিখিত তথ্যাদি মি. রাজিবের হিসাব বই থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে নেওয়া হয়েছে:
(১) ব্যাংক বিবরণী অনুযায়ী জমাতিরিক্ত উত্তোলন ১২,০০০ টাকা।
(২) ২,৫০০ টাকার একটি চেক জমা দেওয়া হয়েছে কিন্তু ব্যাংক বিবরণীতে ক্রেডিট করা হয়নি।
(৩) চেক ইস্যু করা হয়েছে কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ এর পরে ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়েছে ২,৫০০ টাকা।
(৪) ব্যাংক জমাতিরিক্তের সুদ ২০০ টাকা ব্যাংক বিবরণীতে ডেবিট করা হয়েছে কিন্তু নগদান বইয়ে লেখা হয়নি।
(৫) আদায়ের জন্য ৫,০০০ টাকার একখানা বিল ব্যাংকে প্রেরণ করা হয়েছে যা পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যান হয়। (৬) ব্যাংক ২০০ টাকা সুদসহ ৪,০০০ টাকার একটি প্রদেয় বিল পরিশোধ করেছে কিন্তু নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৭) ব্যাংক কর্তৃক প্রাপ্য বিলে অর্থ আদায় ৭,০০০ টাকা।
ক. ব্যাংক কর্তৃক ডেবিটকৃত টাকার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. ৪, ৫, ৬ এবং ৭নং লেনদেনগুলোর জন্য মি. রাজিবের বইতে জাবেদা দাখিলা দাও।
২০১৬ সালের ৩০ জুন তারিখে নাজমুল ব্রাদার্সের নগদান বই মোতাবেক ব্যাংক জমার পরিমাণ ৩০.০০০ টাকা এবং ব্যাংক বিবরণী মোতাবেক ব্যাংক জমার পরিমাণ ২৬,৫০০ টাকার অনুসন্ধান করে গরমিলের নিম্নলিখিত কারণসমূহ খুঁজে পাওয়া যায়:
(i) জুন মাসে ব্যাংক ৩০০ টাকা সার্ভিস চার্জ কর্তন করেছে।
(ii) পাওনাদারের বরাবর ইস্যুকৃত ২,৫০০ টাকার একটি চেক ভুলে ব্যাংক ৫,২০০ টাকার ডেবিট করেছে।
(iii) ব্যাংক সুদ মঞ্জুর করেছে ৫০০ টাকা।
(iv) ব্যাংকে জমাকৃত চেক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে ৭,০০০ টাকা।
(v) ৪,০০০ টাকার একটি প্রাপ্যনোট ব্যাংক কর্তৃক আদায় হয়েছে।
(vi) ইস্যুকৃত চেক ব্যাংকে উপস্থাপিত হয়নি ২,০০০ টাকা।
ক. উপর্যুক্ত তথ্যাবলির আলোকে ডেবিট মেমোরেন্ডামের পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. (i), (iii), (iv) ও (v) নং দফার জন্য প্রয়োজনীয় জাবেদা দাখিলা দেখাও।
গ. উপরের তথ্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।
আলম ব্রাদার্স-এর ব্যাংকসংক্রান্ত তথ্যাবলি নিম্নরূপ:
(১) নগদান বই মোতাবেক ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত (৩১-১২-১৫) ২০,০০০ টাকা।
(২) জমাকৃত চেক কিন্তু ব্যাংক বিবরণীতে ক্রেডিট করা হয়নি ৩,০০০ টাকা।
(৩) ইস্যুকৃত চেক যা ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়নি ২,০০০ টাকা।
(৪) ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরকৃত সুদ ৫০ টাকা।
(৫) ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত চার্জ ৪০ টাকা।
(৬) ব্যাংকে জমাকৃত চেক অমর্যাদাকৃত হয়ে ফেরত এসেছে ২,০০০ টাকা।
(৭) দেনাদার কর্তৃক সরাসরি ব্যাংকে জমা ৫,০০০ টাকা, যা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৮) আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমাকৃত চেক যা আদায় হয়নি ৩,০০০ টাকা।
(৯) ব্যাংক প্রদেয় বিলের অর্থ পরিশোধ করেছে, যা নগদান বইতে লেখা হয়নি ৫০০ টাকা।
ক. ব্যাংক যত টাকার ডেবিট মেমোরেন্ডাম ইস্যু করেছে তার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. ১, ২, ৩, ৪ ও ৫নং লেনদেন দ্বারা একটি ব্যাংক জমার সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. ৪, ৫, ৬ ও ৭নং লেনদেন দ্বারা জাবেদা প্রস্তুত কর। (ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই)
মি. সুজন চৌধুরী একজন ব্যবসায়ী। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে তার ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে নিম্নলিখিত তথ্যাবলি পাওয়া গেল: নগদান বই অনুযায়ী ব্যাংক জমাতিরিক্ত ২৮,৫০০ টাকা এবং ব্যাংক বিবরণী অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৪,৫০০ টাকা।
(১) পাওনাদার বরাবর ইস্যুকৃত মোট ৭০,০০০ টাকার তিনটি চেকের মধ্যে ৫০,০০০ টাকার চেক দুটি উক্ত মাসে ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়নি।
(২) ২,৪০০ টাকার একখানা প্রাপ্য বিল ২,০০০ টাকায় বাট্টা করা হলেও নগদান বইতে পূর্ণ মূল্যে লিপিবদ্ধ হয়েছে।
(৩) দেনাদারের নিকট হতে প্রাপ্ত ১৬,৫০০ টাকার দুটি চেক এবং ১৫,৫০০ টাকার একটি প্রাপ্য বিল ব্যাংকে জমা দেওয়া হলেও এই অর্থবছরে আদায় হয়নি।
(৪) বিনিয়োগের সুদ ১২,৫০০ টাকা ব্যাংক কর্তৃক সরাসরি আদায় হয়েছে কিন্তু নগদানভুক্ত হয়নি।
(৫) আদায়ের জন্য ৫,০০০ টাকার চেক ব্যাংকে জমা দিলেও নগদানভুক্ত হয়নি।
(৬) ব্যাংক জমাতিরিক্তের সুদ ৬০০ টাকা এবং ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত চার্জ ১,৫০০ টাকা নগদানভুক্ত হয়নি।
ক. ব্যাংক কর্তৃক অপরিশোধিত চেক এবং অনাদায়ি চেকের পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. প্রচলিত পদ্ধতি অবলম্বন করে একখানা ব্যাংক জমার সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।.
গ. উপরের তথ্য হতে আমানতকারীর হিসাব বইতে ২. ৪. ৫ এবং ৬ নং দফাগুলোর জাবেদা প্রস্তুত কর।
জনাব সুমামা আতিফ এর ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে ব্যাংক বিবরণীতে ব্যাংক জমা ২৫,৮০০ টাকা। নগদান পর্যালোচনায় নিম্নোক্ত বিষয়গুলো দেখা যায়:
(১) চেক জমা কিন্তু আদায় হয়নি ৫,৬০০ টাকা।
(২) ইস্যুকৃত চেক উপস্থাপন করা হয়নি ৮,০০০ টাকা।
(৩) পাওনাদারকে ইস্যুকৃত ২৪২৪ টাকার চেক নগদান বইতে ২৪৪২ টাকায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
(৪) অমর্যাদাকৃত চেক ২,৪০০ টাকা।
(৫) ২০১৬ সালের ব্যাংক সার্ভিস চার্জ ১,০০০ টাকা এবং তার ওপর ১৫% ভ্যাট।
(৬) ব্যাংক উদ্বৃত্ত ২০০ টাকা কম লিখা হয়েছে।
(৭) প্রাপ্য নোট ৫,০০০ টাকা ও সুদ ২০০ টাকা ব্যাংক কর্তৃক আদায় এবং ব্যাংক এই বাবত ১৫০-টাকা আদায়, খরচ ধার্য করে।
ক. ব্যাংক কর্তৃক ডেবিটকৃত অর্থের পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. একক জের পদ্ধতিতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. জনাব সুমামা আতিফের বইতে প্রয়োজনীয় জাবেদা দাও।
২০১৫ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখে জনাব রাজুর হিসাব বই হতে নিম্নোক্ত তথ্যাবলি নেওয়া হয়েছে কাল
(১) ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে নগদান বই মোতাবেক ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ৬০,০০০ টাকা।
(২) ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত এবং ধার্যকৃত চার্জ যথাক্রমে ৫০০ ও ১,৫০০ টাকা ২০১৫ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত নগদানভুক্ত হয়নি।
(৩) ব্যাংক সরাসরি দেনাদারের নিকট হতে ১,৫০০ টাকা আদায় করেছে কিন্তু নগদান বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।
(৪) গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল বাবদ ব্যাংক সরাসরি ১,২০০ টাকা পরিশোধ করেছে কিন্তু নগদান বইতে হিসাবভুক্ত করা হয়নি।
(৫) আদায়ের জন্য জমাকৃত ১৫,০০০ টাকার চেকের মধ্যে ব্যাংক ৫,০০০ টাকার চেক আদায় করেছে।
ক. উপরের (৩) নং ও (৪) নং লেনদেনের ফলে ব্যাংক পাস বহির উদ্বৃত্ত নিট কত বৃদ্ধি বা হ্রাস পাবে তা নির্ণয় কর।
খ. যেসব লেনদেন নগদান বইতে লেখা হয়নি তার জাবেদা দাখিলা দাও।
গ. ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখের ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে যমুনা ট্রেডার্সের নগদান বইতে ২৬,৫০০ টাকা উদ্বৃত্ত দেখা গেল; কিন্তু ঐ একই তারিখে পাস বইয়ের উদ্বৃত্ত নগদান বইয়ের উক্ত উদ্বৃত্তের সমপরিমাণ হলো না। এ সম্পর্কে যথারীতি নিরীক্ষা করার পর নিম্নলিখিত গরমিলগুলো বের হয়:
(i) পরিশোধের জন্য ইস্যুকৃত মোট ১০,০০০ টাকার চেকের মধ্যে ৬,৫০০ টাকার চেক ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়েছে।
(ii) আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমাকৃত চেক ৩,০০০ টাকা কিন্তু ভুলে নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(iii) ২,৫০০ টাকার একখানা প্রদেয় বিল ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়েছে কিন্তু নগদান বইতে লেখা
হয়নি। (iv) ৫,০০০ টাকার প্রাপ্য বিল ৪,৮০০ টাকায় বাট্টা করা হয়েছে কিন্তু নগদান বইতে প্রাপ্য বিলের সম্পূর্ণ মূল্য লেখা হয়েছে।
(v) ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত সুদ ২৫০ টাকা ৩১ ডিসেম্বর তারিখের মধ্যে নগদান বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।
ক. (iv) নং মোতাবেক নগদান বইতে কত টাকা বেশি দেখানো হয়েছে তার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. নগদান বইতে হিসাবভুক্ত করা হয়নি এরূপ টাকার পরিমাণ নির্ণয় কর।
গ. উপরের তথ্যাবলি হতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
জনাব উমামা আতিকের ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখের ব্যাংকসংক্রান্ত লেনদেনগুলো নিম্নরূপ:
(i) ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে নগদান বই মোতাবেক ব্যাংক জমাতিরিক্ত ৩০,০০০ টাকা।
(ii) পাওনাদার বরাবর ১০,০০০ টাকা, ১৫,০০০ টাকা এবং ৫,০০০ টাকার তিনখানি চেক ইস্যু করা হয় কিন্তু ৫,০০০ টাকার চেকখানি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখের মধ্যে ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়।
(iii) আদায়ের জন্য ১৫,০০০ টাকার চেক এবং ১৪,০০০ টাকার প্রাপ্য বিল ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। চেকখানি ০৩ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে আদায় হলেও প্রাপ্য বিলখানি এখনও আদায় হয়নি।
(iv) দেনাদার থেকে প্রাপ্ত ৩০,০০০ টাকার চেক আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমা দেওয়া হয় কিন্তু নগদান বইতে লিপিবদ্ধকরণ বাদ পড়েছে।
(v) ৪,০০০ টাকার একখানি প্রাপ্য বিল ৩,৮০০ টাকায় বাট্টা করা হয় কিন্তু নগদান বইতে সম্পূর্ণ মূল্যে লিপিবদ্ধ করা হয়।
(vi) ব্যাংক কর্তৃক দেনাদার হতে সরাসরি আদায় ২৪,০০০ টাকা নগদান বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়নি।
(vii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমাকৃত চেক ৩,০০০ টাকা ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে প্রত্যাখ্যাত হয় কিন্তু নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয়নি।
(viii) ব্যাংক জমাতিরিক্তের সুদ ৫০০ টাকা এবং ব্যাংক চার্জ ২০০ টাকা নগদান বইতে লিপিবদ্ধ হয়নি।
ক. উপরের (vi) ও (vii) নং লেনদেনগুলোর জাবেদা দাখিলা দেখাও।
খ. একক জের পদ্ধতিতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. উভয় জের সংশোধন পদ্ধতিতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
জনাব তাহসানের নগদান বই ২৩,৫০০ টাকা ব্যাংক জমাতিরিক্ত প্রদর্শন করলেও ব্যাংক বিবরণীর সাথে উহা মিল ছিল না। ব্যাংক বিবরণী পর্যালোচনা করে নিম্নলিখিত উপায়গুলো পাওয়া যায়:
(১) ৪৭,৬০০ টাকার একটি চেক আদায়ের জন্য ব্যাংকে জমা দিলেও তাহা এখনো আদায় হয় নাই।
(২) ব্যাংক ৫,২০০ টাকা চার্জ ধার্য করলেও নগদান বইয়ে লেখা হয় নাই।
(৩) ব্যাংক কর্তৃক জমাতিরিক্তের ওপর ৪৫০ টাকা সুদ ধার্য করা হলেও তাহা নগদান বইয়ে লেখা হয় 'নাই।
(৪) ২৭,৫০০ টাকার একটি চেক ইস্যু করা হলেও তাহা ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয় নাই।
(৫) ব্যাংক কর্তৃক ১,৮৫০ টাকা সুদ আদায় হলেও তাহা নগদান বইয়ে লেখা হয় নাই।
ক. ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত সুদের পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. প্রচলিত পদ্ধতিতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. ১নং থেকে ৪নং পর্যন্ত লেনদেনগুলোর জাবেদা দাখিলা দাও।
২
8
8
▶
শাহিন ট্রেডার্সের হিসাব বই থেকে ২০১৪ সালের ৩০ জুন তারিখে নিম্নোক্ত লেনদেনসমূহ নেয়া হয়েছে:
(১) নগদান বই অনুযায়ী ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত ১০,৫০০ টাকা।
(২) ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত ৩.১৫০ টাকার প্রদেয় নোট নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৩) ব্যাংকে জমাকৃত-২,০৫০ টাকার একটি চেক এখনও ব্যাংক কর্তৃক আদায় হয়নি।
(৪) একজন দেনাদার কর্তৃক সরাসরি ব্যাংকে জমাদান ২.৬২০ টাকা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৫) ব্যাংক সুদ ৫০ টাকা এবং ব্যাংক চার্জ ৪০ টাকা নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৬) পাওনাদার বরাবরে ইস্যুকৃত ৫,০০০ টাকার মোট ২টি চেক ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে ৮৫০ টাকার চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপিত হয়েছে।
ক. ৫নং দফার জন্য আমানতকারীর বইতে জাবেদা দাও।
খ. কেবলমাত্র ব্যাংকে লিপিবদ্ধ হয়েছে এমন টাকার মোট পরিমাণ নির্ণয় কর।
গ. একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী প্রস্তুত কর।
নিম্নের তথ্যাবলি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর বই হতে নেওয়া হয়েছে:
(১) ৩১-১২-১৪ তারিখে নগদান বই মোতাবেক ব্যাংক জমা ১৮,০০০ টাকা।
(২) পরিশোধের জন্য ইস্যুকৃত চেক মোট ৯,০০০ টাকা কিন্তু ৪,০০০ টাকার চেক ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়েছে।
(৩) আদায়ের জন্য ৫,০০০ টাকার একখানি চেক ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে কিন্তু ব্যাংক কর্তৃক আদায় হয়েছে ০৩-০১-২০১৫ তারিখে।
(৪) ২,৭০০ টাকার একটি নোট ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়েছে কিন্তু নগদান বইতে লেখা হয়নি।
(৫) ব্যাংক লভ্যাংশ আদায় করেছে কিন্তু নগদান বইতে লেখা হয়নি ৫,০০০ টাকা।
ক. ব্যাংক কর্তৃক আদায়কৃত টাকার পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. ব্যাংক বিবরণীতে লিপিবদ্ধ হয়েছে এরূপ লেনদেনের টাকার পরিমাণ নির্ণয় কর।
গ. প্রদত্ত তথ্যাবলি হতে একটি ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি।
জনাব সাদমান নুহিন এর ৩০ জুন, ২০১৪ তারিখে ব্যাংক বিবরণীতে ব্যাংক জমা ১৯,৯০০ টাকা কিন্তু হিসাব বইতে ব্যাংক জমা ২৩,১৯৯ টাকা দেখা যায়। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়:
(১) ৩০ জুন তারিখে ব্যাংকে জমাকৃত চেক ৪,৪০০ টাকা কিন্তু যা ব্যাংক কর্তৃক ১ জুলাই তারিখে আদায় হয়।
(২) ২৮ জুন তারিখে ৪,০০০ টাকা, ১,৪০০ টাকা এবং ২.৫০০ টাকার ইস্যুকৃত তিনটি চেক এখনও ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হয়নি।
(৩) সাদমান নুহিন কর্তৃক ইস্যুকৃত ১,২২৬ টাকার ৪০২নং চেকটি নগদান বইতে ১.২৬২ টাকা লেখা হয়েছে।
(৪) রায়হান থেকে প্রাপ্ত ২,৮২০ টাকার একটি চেক প্রত্যাখ্যান হয়ে ফেরত এসেছে।
(৫) ব্যাংক চার্জ ৫০ টাকা।
(৬) প্রাপ্য-নোট ১,০০০ টাকা ও সুদ ৫০ টাকা ব্যাংক কর্তৃক আদায় হয় এবং ব্যাংক আদায় খরচ বাবদ ১৫ টাকা কর্তন করে।
(৭) আদনান নুহিন কর্তৃক ইস্যুকৃত ৫,০০০ টাকার চেক ব্যাংক ভুলে সাদমান নুহিনের হিসাবে লিপিবদ্ধ করেছে।
ক. ব্যাংক কর্তৃক ডেবিটকৃত অর্থের পরিমাণ নির্ণয় কর।
খ. উভয় জের সংশোধন পদ্ধতিতে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী তৈরি কর।
গ. জনাব সাদমান নুহিনের হিসাব বইতে প্রয়োজনীয় জাবেদা দেখাও।