Questions in this chapter
মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গললাভের আশায় ঢাকা-পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত কর হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।
ক. আক্কাসের বাবার নাম কী?
খ. 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ""লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড উদ্দীপকের চিত্রিত খাদেমের কর্মকাণ্ডে সীমিত পরিসরে বিবৃত হয়েছে মন্তব্যটি বিচার করো।
ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে
বুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?
এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নাম
সবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘাম
ও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়
মহাজনরা হাসে।
ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগভাশে।
ক. খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
খ. 'শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।'- কার চোখ, কেন?
গ. উদ্দীপকের 'হাঁস' ও 'বাগডাশে'র সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের মিল দেখা যায় এবং কীভাবে তা সাদৃশ্যপূর্ণ?
ঘ. 'জমিদার, মুৎসুদ্দি শ্রেণির বিলোপ হলেও আধুনিক পির প্রথা সেই স্থান দখল করে নিয়েছে।'- বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে বিচার করো।
অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকা পয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।
ক. মাছ ধরার ডিঙ্গিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
খ. ঔপন্যাসিক মজিদের গ্রামে প্রবেশকে নাটকীয় বলেছেন কেন?
গ. উদ্দীপকের ইমাম সাহেবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের আদর্শগত পার্থক্য নির্ণয় করো।
ঘ. উদ্দীপকের মূলভাব 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতার মানসচিন্তাকে ধারণ করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো।
উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসডি পাশ করে। সন্তানকে দূরবর্তী গ্রামে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিক্সা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।
ক. মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
খ. 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?
গ. উদ্দীপকে 'মোড়লের অটোরিক্সা কিনে দেওয়ার পরামর্শ' এবং 'লালসালু' উপন্যাসের 'মজিদের মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব'-এর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ. "প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সমাজ বাস্তবতাই যেন 'লালসালু' উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকার সূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সি, দেখতে অতি নিরীহ গোছের- একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পির স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফতি শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সি স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।
ক. ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
খ, 'সে বলে পির সাহেব সূর্যকে ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।'- উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
গ. উদ্দীপকের সারার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ. "উদ্দীপকটিতে 'লালসালু' উপন্যাসের একটি খণ্ডাংশের ইঙ্গিত রয়েছে মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পির সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।......তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পির সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।
ক. 'লালসালু' প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
খ. 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়। সচ্ছলতার শিকড়গাড়া বৃক্ষ।'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের পির সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের' বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের প্রতি যে ইঙ্গিত প্রদান করে তা আলোচনা করো।
রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সহায়সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।
ক. ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে কীসের মতো?
খ. 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
ঘ. 'অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও রফিক মিয়া দৃঢ় হলেও দুজনের কৌশল ও পরিণতি ভিন্ন।' – মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেওয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।
ক. খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
খ. শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ. "লালসালু' উপন্যাসের রহিমা উদ্দীপকে উল্লিখিত মুসলিম নারী সমাজেরই প্রতিনিধিত্ব করে।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. 'পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা সর্বদাই অবহেলার পাত্র।'-উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
ইচ্ছা পূরণের জন্য মানুষ অনেক কিছুই করে। যেমনটি করেছিলেন সকিনা বেগম। বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে যখন কোনো সন্তানের মা হতে পারেননি, তখন একদিন স্বামীর কাছে তাঁর ইচ্ছার কথা বলেন- তিনি একটি সন্তান দত্তক নিতে চান। তাঁর স্বামী আফাজ আলী স্ত্রী হিসেবে তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করেন। সন্তান লাভের আশায় আফাজ আলী তাঁর স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হন এবং একটি অনাথ শিশুকে দত্তক নেন। এভাবে তিনি স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণ করে তাঁর মর্যাদা দান করেন।
ক. 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
খ. 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের সকিনা বেগমের ভাবনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার ভাবনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
ঘ. 'উদ্দীপকের আফাজ আলী যেভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন মজিদ সেভাবে পারেনি।'- উক্তিটি মল্যায়ন করো।
মোহনপুরে যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিলো, তখন গ্রামবাসী আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতোমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।
ক. 'ও যেন ঘোর পাপী। পাপের জ্বালায় এখন ছটফট করছে।' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
খ. 'তাগো কথা হুনলে পুরুষ মানুষ আর পুরুষ থাকে না, মেয়ে মানুষের অধম হয়।' কেন? বুঝিয়ে দাও।
গ. উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
ঘ. “মোহনপুর গ্রামের মানুষগুলো যেন 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বতনগর গ্রামের মানুষেরই প্রতিচ্ছবি।"— মন্তব্যটি যাচাই করো।
জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন-জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্নের কথা ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার । জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ-শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমনকি বন্ধ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতি বছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।
ক. মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
খ. “মনে হয় এটা খোদা তালার বিশেষ দেশ।”— কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের সঙ্গে "লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের 'কামেল পিরের মাজার' ও 'লালসালু' উপন্যাসের 'মোদাচ্ছের পিরের মাজার' এক এবং অভিন্ন।”— তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কী ১৩। বড়োই চঞ্চলা তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালান বাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, “আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে বলে। যতদিন না ফিরবে ততদিন বউয়ের খরচপত্র বাবাদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।” এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।
ক. 'কাঁদো নদী কাঁদো' কোন ধরনের গ্রন্থ?
খ. জামিলা কে? সংক্ষেপে তার পরিচয় দাও।
গ. উদ্দীপকের সালেহার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ. “উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসেরই ক্ষুদ্র সংস্করণ।”— মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
সালমার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। লেখাপড়াও বেশিদূর করতে পারেনি। আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই মধ্যবয়সি একজন লোকের সাথে সালমার বিয়ে দেয় তার মা। স্বামীর বাড়ি গিয়ে সালমা দেখে যে, সেই সংসারে সতীন ও তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। সালমার ভাগ্য বড়োই খারাপ। বড়ো বউ তাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না। সারাদিন সালমাকে খাটায়, ঠিকমতো খেতে দেয় না, স্বামীর কানভারি করে সালমার বিরুদ্ধে। হঠাৎ সালমা একদিন বোঝতে পারে যে, তার স্বামী একজন চোরাকারবারি। সালমা এসব দেখে ভয় পায়। সে প্রতিবাদ করলে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। একদিন সালমা মেরাজের সমস্ত কুকীর্তির কথা পুলিশের কাছে ফাঁস করে দেয়। মেরাজের মুখোশ খুলে যায়।
ক. রহিমার পেটে কয়টি প্যাচ?
খ. ‘বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত মেরাজের বড়ো বউয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
ঘ. “উদ্দীপকে বর্ণিত সালমা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবন চিত্র যেন একই সুতোয় বাঁধা। ” – মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতুচক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন-ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধ শতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলে পাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনোদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা, অন্ধকার আত্মার দেবতা— ইহাদের পূজা কোনোদিন সাঙ্গ হয় না।
ক. “মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে”— উক্তিটি কার?
খ. “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি”— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ভৌগোলিক অঞ্চলের, কিরূপ সাদৃশ্য রয়েছে?
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘লালসালু' উপন্যাসের সূচনা অংশের খণ্ডিত রূপায়ণ মাত্র।”— মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
বাংলাদেশের টেকনাফ অঞ্চলের এক গ্রামের গরিব অসহায় পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। কারণ, ওই বাড়ির ছেলের বিয়েতে গ্রামের মাতব্বর পরিবারকে দাওয়াত করা হয়নি। এ কারণেই খেপে যায় মাতব্বর ও তার লোকজন। সভা করে একঘরে করে দেয় সেই গরিব পরিবারটিকে । পরিবারের লোকদের বাইরে যাওয়ার রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ।
ক. ‘লালসালু' উপন্যাসে সাত ছেলের বাপের নাম কী?
খ. মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
গ. উদ্দীপকের টেকনাফ অঞ্চলের ঘটনাটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? কেন?
ঘ. “উদ্দীপকের মাতব্বর ও তার লোকজন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ অভিন্ন চেতনার অনুসারী।”— মূল্যায়ন করো ।
সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই—সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতিন? স্নেহ-যত্নে সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।... সতিনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন কষাকষি নাই ।
ক. ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী ?
খ. “এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ”— উদ্ধৃতিটি ব্যাখ্যা করো ।
গ. “উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।”—বুঝিয়ে লেখো ।
ঘ. “উদ্দীপকের ‘মন্দার' ও 'সুপ্রভার' চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।”—বিশ্লেষণ করো।
এমবিবিএস পাশ করে রাগিব গ্রামে ফিরে আসে। সেখানে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেই গ্রাম্য কবিরাজ ফাহাদ ক্ষেপে ওঠে এবং ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। গ্রামের মাতবর নওয়াজকে অর্থ দিয়ে হাত করে নেয় সে। ফলে রাগিবের প্রথম প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায় কিন্তু থেমে যায়নি রাগিব। শহরে গিয়ে উপর মহলে তদবির করে সে সরকারি অনুমোদন ও অনুদান সংগ্রহ করে এবং গ্রামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়ে।
ক. হাসুনির মার কাছে তার বাবা কী খেতে চেয়েছিল?
খ. “ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?”— উক্তিটিতে বক্তার মনোভাব ব্যাখ্যা করো।
গ. 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস ও উদ্দীপকের রাগিবের মধ্যে বৈসাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের ফাহাদ নওয়াজ আর ‘লালসালু উপন্যাসের মজিদ-খালেক ব্যাপারী-এরা সব একই সুতায় বাঁধা।”— উক্তটি প্রমাণ করো ।
মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা শুরু করলে ব্যাবসা মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গপাঙ্গদের দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর উপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।
ক. “অমন কথা কইওনা বিটি, ঘরে বালা আইসে।”— উক্তিটি কার?
খ. 'সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।'—উক্তিটির প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরো।
গ. 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের আরব আলীর মিল রয়েছে?
ঘ. “প্রতিহিংসাপরায়ণতা মানব চরিত্রের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।"— উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাস ও উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়, পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।”
ক. 'লালসালু' উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
খ. “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।” - ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের দাহির ও পারুলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের পির সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত পির সাহেবের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী নয়।”—এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চঞ্চলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই
বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।
ক. খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
খ. “বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।”— এ উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো ।
গ. উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো ।
ঘ. টুনিও 'লালসালু' উপন্যাসের উল্লেখিত চরিত্র সামাজিক কুসংস্কারের শিকার।”— উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে এ উক্তিটির সত্যতা নিরূপণ করো।