Questions in this chapter
নিচের ছকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. অভিবাসন কী? খ. “জনসংখ্যা বৃদ্ধি খাদ্য সমস্যা সৃষ্টি করে”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের সাথে সংগতিপূর্ণ জনসংখ্যা তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি কতটুকু কার্যকর? মূলায়ন করো।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার বয়সভিত্তিক বণ্টন নিম্নরূপ:

ক. জনসংখ্যার ঘনত্ব বলতে কী বোঝ? খ. জনসংখ্যা ও উন্নয়নের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো। গ. ১৫-৫৯ বছরের জনসংখ্যার বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে? ব্যাখ্যা করো । ঘ. ১৫-৫৯ বছরের জনসংখ্যার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে আত্মকর্মসংস্থানের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ জনসংখ্যার এমন একটি তত্ত্বের আলোচনা করবো যে তত্ত্বে বলা হয়েছে জনসংখ্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে এবং খাদ্যোৎপাদন বাড়ে গাণিতিক হারে। ফলে খাদ্য ঘাটতিসহ নানা দুর্যোগ নেমে আসে এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই একসময় উভয়ের মধ্যে সমতা ফিরে আসে।
ক. জনসংখ্যার ঘনত্ব কী? খ. ‘আত্মকর্মসংস্থান দারিদ্র্যদূরীকরণে সহায়ক'— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে জনসংখ্যার কোন তত্ত্বকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের তত্ত্বটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু কার্যকর? বিশ্লেষণ করো।
চিত্রটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:

ক. অভিবাসন কী? খ. কীভাবে স্থূল জন্মহার পরিমাপ করবে? ব্যাখ্যা করো। গ. চিত্রে E ও G বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকের তত্ত্বের আলোকে বাংলাদেশের জনসংখ্যার অবস্থান বিশ্লেষণ করো।
অর্থনীতির ক্লাসে শিক্ষার্থীর একটি বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে শিক্ষক বললেন, বাংলাদেশের লোকসংখ্যা অধিক হলেও বেশির ভাগই নিরক্ষর, অশিক্ষিত ও কর্মক্ষেত্রে অদক্ষ, যা সমাজের জন্য বোঝাস্বরূপ। এ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও শিক্ষিত করে গড়ে তোলা ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারও বিষয়টির উন্নয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। যেমন— শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন, অপুষ্টি দূরীকরণ, নারী শিক্ষার প্রসার ইত্যাদি। ক. কাম্য জনসংখ্যা কী? খ. কর্মসংস্থানের ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার প্রভাব কেমন? গ. উদ্দীপকে যে সমস্যার কথা বলা হয়েছে তার কারণ ব্যাখ্যা করো। ঘ. বিষয়টির উন্নয়নে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহ মূল্যায়ন করো ।
'X' একটি জনবহুল দেশ। এই দেশের কাম্য জনসংখ্যা হলো ৬ 'কোটি কিন্তু বর্তমান জনসংখ্যা হলো ২৪ কোটি। যদি দেশটি কাম্য জনসংখ্যার দেশ হতো তাহলে মাথাপিছু উৎপাদন, অর্থনৈতিক কল্যাণ সর্বোচ্চ হতো এবং দেশটিতে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার সম্ভব হতো ।
ক. মৃত্যু হারের সূত্রটি লেখো। খ. জনসংখ্যা ও খাদ্য সমস্যা কীভাবে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যা সম্পর্কিত ধারণাটি চিত্রে উপস্থাপন করো। ঘ. উদ্দীপকে দেশটির প্রদত্ত জনসংখ্যা কি কাম্য জনসংখ্যা হতে পারে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
মি. সুমন একজন জনসংখ্যা গবেষক। দেশের জনাধিক্য সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অধিক জনসংখ্যা একটি দেশের খাদ্য ঘাটতিসহ নানাবিধ আর্থ-সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করে। কিন্তু নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত করা গেলে তা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে তরান্বিত করে। তার মতে, জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য শুধু অভিশাপই নয় বরং আশীর্বাদও বটে । প্রয়োজন শুধু জনসংখ্যার কার্যকর ব্যবস্থাপনা ।
ক. জনসংখ্যার ঘনত্ব কী? খ. 'জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশ দূষণ ঘটায়'— ব্যাখ্যা করো। গ. অধিক জনসংখ্যা কী কী আর্থ-সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে? তোমার দেশের প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করো। ঘ. “জনসংখ্যা শুধু অভিশাপ নয় বরং আশীর্বাদও বটে”- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
'X' একটি উন্নয়নশীল ছোট জনবহুল দেশ। এখানে জনসংখ্যা ১৬ কোটির ঊর্ধ্বে, জন্মহার ২৩.৯ ও মৃত্যুহার ১০.২। জন্মহার ও মৃত্যুহারের এ অসম ব্যবধান দেশটির উন্নয়নের পথে অন্যতম বাধা। দেশটির সরকার এ সমস্যা সমাধানে শিক্ষা বিস্তার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ক. জন্মহার কী? খ . “নারী উন্নয়নে শিক্ষার ভূমিকা অনস্বীকার্য”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের তথ্য অবলম্বনে জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকে জনসংখ্যার সমস্যা সমাধানে তুমি আর কী পদক্ষেপের সুপারিশ করো? বিশ্লেষণ করো।
গোলাপ ছোটবেলা থেকে ঢাকা শহরে বসবাস করে। এবার সে তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে বেড়াতে যায়। সে দেখে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ গরিব এবং কৃষক। কৃষকদের দরিদ্রতার কারণ খুঁজতে গিয়ে তিনি দেখলেন গ্রামে অনেক ছোট ছোট শিশু। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই মায়ের কোলে একজন শিশু। অনেকের একাধিক স্ত্রী পরিবারগুলোতে সবসময় ঝগড়া, কলহ লেগে আছে। তার মনটা খারাপ হয়ে যায়। সে ভাবে এই লোকগুলোকে বোঝানো গেলে এবং মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে হয়তো এত শিশু জন্মগ্রহণ করতো না এবং গ্রামের লোকের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হতো।
ক. স্থূল জন্মহার কী? খ. জনসংখ্যা বেশি হারে বৃদ্ধি উন্নয়নের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে'— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. “জনসংখ্যা বৃদ্ধির অধিক হার অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্তরায়”— উদ্দীপকে আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
মি. রুবেল বাংলাদেশ থেকে চীনে ডাক্তারি পড়তে যায়। সে দেখতে পায় চীনে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা হলেও কোনো অভাব নেই। কাজের জন্য মানুষের কোনো হাহাকার নেই। আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলেই কর্মে নিয়োজিত। নিজ উদ্যোগে সবাই বিভিন্ন জিনিস তৈরি করছে। তবে সবাই প্রশিক্ষিত এবং সবাই শিক্ষিত। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগের নেই কোনো ঘাটতি। সবাই কাজের উপযুক্ত মূল্যও পাচ্ছে। রুবেল চিন্তা করে তার দেশেও যদি শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো যেতো তাহলে জনসংখ্যা সমস্যা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতো। অবশ্য সরকার বর্তমানে অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ক. শূন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি কী? খ. "সুস্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ পরিপূরক”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে, মানবসম্পদ উন্নয়নের উপায়সমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. চীন এবং বাংলাদেশের মানবসম্পদের গুণগত মানে কোনো পার্থক্য আছে কি? উদ্দীপকের আলোকে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
রহিম SSC পাস করার পর পড়ালেখা করেনি। তার পারিবারিক অবস্থাও ভালো নয়। সে চিন্তা করে তার বাবাকে সাহায্য করা উচিত। তাদের নিজস্ব জমিজমাও নেই। রহিম পাশের গ্রামের । বন্ধুর বাড়ির পাশে একটি ফুলের নার্সারি দেখতে যায়। মালিকের সাথে আলাপ করে জানতে পারে, নার্সারিতে তার ভালো মুনাফা হয়। রহিম নার্সারি করতে উৎসাহিত হয়। কিন্তু তার কোনো মূলধন নেই। জমি' এবং 'প্রশিক্ষণও নেই। সে বিষয়টি নিয়ে তার গ্রামের স্কুলের । শিক্ষকের সাথে আলোচনা করে। শিক্ষক জানান যে, সরকার বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ঋণ দিচ্ছে। বিষয়টি শুনে রহিম আনন্দিত হয়।
ক. আত্মকর্মসংস্থান কী? খ. “প্রশিক্ষণ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে”- ব্যাখ্যা করো। গ. রহিমের আত্মকর্মসংস্থানের পথে বাধাসমূহ কী উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। কী? ঘ. রহিমের মতো বেকার জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল করতে কী কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।

ক. জনসংখ্যার ঘনত্ব কাকে বলে? খ. প্রশিক্ষণ কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে? গ. উদ্দীপক জনসংখ্যার কোন তত্ত্বকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে উক্ত জনসংখ্যা তত্ত্বটির যথার্থতা সম্পর্কে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
বাংলাদেশের জলবায়ু, খাদ্যাভ্যাস, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট ইত্যাদি অনেক কারণেই জনসংখ্যা সম্পদের তুলনায় বেশি।। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন সময়ে সরকার শিক্ষার প্রসার, নারী শিক্ষার প্রসার ও ক্ষমতায়ন, বাল্য ও বহুবিবাহ নিষিদ্ধকরণ, জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। তথাপি বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক দেশের তুলনায় বেশি। যেমন— ২০১২ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে স্থূল জন্মহার ছিল ২০.৫, মৃত্যুর হার ছিল ৬, বহিরাগমন হার ২ ও বহির্গমন হার ৪ ছিল ।
ক. অভিবাসন কী? খ. মানবসম্পদ উন্নয়ন কীভাবে আত্মকর্মী সৃষ্টিতে সহায়ক? গ. উদ্দীপকের আলোকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নির্ণয় করো । ঘ. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোধকল্পে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ যথেষ্ট কিনা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
ফাহিমের দেশে যুগোপযোগী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা · না থাকায় অধিকাংশ জনগণের গুণগতমান অত্যন্ত নিম্ন। বেশিরভাগ মানুষই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করে। এই কারণে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যহানি ঘটছে, অন্যদিকে তাদের নিম্ন মাথাপিছু আয় ও অশিক্ষা, জন্মহার বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে। বর্তমানে সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য সুবিধা বৃদ্ধি, নারী ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করায় অবস্থার কিছুটা উন্নতি হচ্ছে।
ক. মানবসম্পদ কী? খ. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে? গ. ফাহিমের দেশটিতে জনসংখ্যার যে বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে উদ্দীপকের আলোকে তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের মূল্যায়ন করো।
জনসংখ্যা সম্পর্কে অনেক তত্ত্ব প্রচলিত রয়েছে। তার মধ্যে একটি তত্ত্বে বলা হয়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় জ্যামিতিক হারে। অর্থাৎ ১, ২, ৪, ৮, ১৬ ও ৩২ এবং খাদ্যোৎপাদন বৃদ্ধি পায় গাণিতিক হারে। অর্থাৎ ১, ২, ৩, ৪, ৫; ৬ .........। অপর তত্ত্বে, একটি দেশের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় অর্জন ও সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় জনসংখ্যার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
ক. আত্মকর্মসংস্থান কী? খ. মানবসম্পদ উন্নয়নের ধারণাটি ব্যাখ্যা করো । গ. উদ্দীপকের আলোকে প্রথমে জনসংখ্যার যে তত্ত্বটি উল্লেখ করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যার তত্ত্ব দুটির মধ্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন তত্ত্বটিকে তুমি অধিকতর কার্যকর বলে মনে কর? বিশ্লেষণ করো।

ক. আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়? খ. ভূ-প্রকৃতি দ্বারা জনসংখ্যা বৃদ্ধি কীভাবে প্রভাবিত হয়? গ. উদ্দীপকে প্রদর্শিত জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হারের সম্পর্কটি জনসংখ্যা সম্পর্কিত কোন তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতটুকু প্রাসঙ্গিক? আলোচনা করো।

ক. স্থূল জন্মহার কী? খ. শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদের উন্নয়ন প্রভাবিত করে? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের চিত্রটি কোন তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উক্ত তত্ত্বটি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে কতটুকু কার্যকর? মূল্যায়ন করো।

ক. স্থূল জন্মহার কী? খ. কর্মসংস্থানের ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার প্রভাব কেমন? গ. উদ্দীপক থেকে নিম্ন জনসংখ্যা ও অতি জনসংখ্যা উল্লেখ করো। ঘ. প্রদত্ত উদ্দীপকে কাম্য জনসংখ্যা কত ও কেন? বিশ্লেষণ করো।

ক. স্থূল জন্মহার কী? খ. জনসংখ্যা বৃদ্ধি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর কীরূপ প্রভাব ফেলে? গ. B, C ও D বিন্দুতে অসামঞ্জস্যের পরিমাণ নির্ণয় করো। ঘ. বাংলাদেশের জনসংখ্যা কাম্য কি? উদ্দীপকের তত্ত্বের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
চিত্রটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও-

ক. জনসংখ্যার ঘনত্ব কী? খ. প্রশিক্ষণ কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়ন করে? গ. উদ্দীপকে প্রাকৃতিক নিরোধ ও জনাধিক্য বলতে কী বোঝায়? ঘ. খাদ্য ও জনসংখ্যার মধ্যে ভারসাম্যের জন্য প্রাকৃতিক নিরোধ অপেক্ষা প্রতিরোধ ব্যবস্থা অধিক কাম্য — উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।