Questions in this chapter
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য জৈব-রাসায়নিক পদার্থসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হলো শর্করা, প্রোটিন এবং এনজাইম। রাসায়নিকভাবে সকল এনজাইম প্রোটিন দ্বারা তৈরি হলেও সকল প্রোটিন এনজাইম নয়।
ক. হাইড্রোলেজ কী?
খ. বিজারক শর্করা বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় জৈব রাসায়নিক পদার্থটি বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
এক প্রকার জৈব রাসায়নিক যৌগ আছে যা জীবদেহের অন্যতম গাঠনিক উপাদান হিসাবে কাজ করে। এই যৌগের কিছু যৌগ জৈব অনুঘটক হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ক. মেটালোপ্রোটিন কী?
খ. গ্লাইকোসাইডিক বন্ধনী বলতে কী বুঝ?
গ. দ্রবণীয়তার ভিত্তিতে উপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক যৌগের শ্রেণিবিন্যাস করো।
ঘ. আমাদের দৈনন্দিন জীবনে উপরের জৈব অনুঘটকের ব্যবহারসমূহ উল্লেখ করো।
জীবদেহে বৃহৎ পলিপেপটাইড যৌগ ‘F’ এর বিশেষ ধরণ ‘G’ বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
ক. কো-ফ্যাক্টর কী?
খ. কোলেস্টেরল বলতে কী বোঝ?
গ. ‘F’ যৌগ তৈরির প্রক্রিয়া গাঠনিক সংকেতসহ দেখাও।
ঘ. উদ্দীপকের যৌগ ‘F’ এবং ‘G’ গঠনগতভাবে অভিন্ন হলেও কার্যগতভাবে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।
রহিমের সকালের নাস্তা আলু ভাজি ও রুটি খেয়ে টিস্যু পেপার দিয়ে হাত মুছে কলেজে এলো।
ক. কোন লিপিড রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
খ. দুটি কো-এনজাইমের পূর্ণ নাম লেখো।
গ. রহিমের নাস্তায় কী ধরনের জৈব বস্তু আছে তার নাম ও গাঠনিক সংকেত লেখো।
ঘ. যে জৈব বস্তু দ্বারা টিস্যু পেপার তৈরি তার সাথে রহিমের নাস্তার কী সম্পর্ক আছে যুক্তি দ্বারা বোঝাও।
জীববিজ্ঞান শিক্ষক ক্লাসে একদিন দুটি পলিস্যাকারাইড (পলি অণু) সম্পর্কে ধারণা দিলেন যার একটি উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে অন্যটি উচ্চ শ্রেণির প্রাণিদেহে সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে থাকে।
ক. লিপিড কী?
খ. Peptide Bond বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম পলি অণুটির গঠন বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকে আলোচিত খাদ্য দুটির মধ্যে তুলনা করো এবং মন্তব্য করো- কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
একটি বৃহদাকার জৈব অণু, যা নির্দিষ্ট pH দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, কোলয়েডধর্মী এবং উচ্চ আণবিক ওজন বিশিষ্ট। এটা সকল ক্ষেত্রে নিজে অপরিবর্তিত থাকে এবং অপরের পরিবর্তন সাধন করে।
ক. ক্যারোটিনয়েড কী?
খ. যৌগিক লিপিড বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের রাসায়নিক পদার্থের ক্রিয়া কৌশল ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত পদার্থটির ব্যবহারিক জীবনে গুরুত্ব আলোচনা করো।
মূলত জৈব পদার্থটি গ্লিসারল ও ফ্যাটি এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। এছাড়াও ফসফরাস ও নাইট্রোজেন বেস থাকে। উক্ত রাসায়নিক পদার্থ পানিতে অদ্রবণীয় এবং পানিতে ভাসে।
ক. প্রোটিন কী?
খ. সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের রাসায়নিক পদার্থটির শ্রেণিবিভাগ দেখাও।
ঘ. “আলোচিত পদার্থটি জীবদেহ গঠনের জন্য প্রয়োজন”- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
A ও B দুইটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ। A এর আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে অ্যামিনো এসিড পাওয়া যায় এবং B কে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন যথাক্রমে ১ : ২ : ১ অনুপাতে পাওয়া যায়।
ক. গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন কী?
খ. কোলেস্টেরল বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের A জৈব রাসায়নিক পদার্থের বৈশিষ্ট্য লিখ।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত A ও B জৈব পদার্থ দুটির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।
আমরা যে চিনি খাই তা ভেঙ্গে শরীরে শক্তি উৎপন্ন হয়।
ক. নিষ্ক্রিয় পরিশোষণ কী?
খ. উদ্ভুত প্রোটিন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের উপাদানটির গাঠনিক সংকেত লেখো।
ঘ. উদ্দীপকের যৌগটির গাঠনিক এককগুলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।

ক. টারপিন কী?
খ. সেলুলোজের ব্যবহার লেখো।
গ. উদ্দীপকের পদার্থটির মানবদেহের স্বাস্থ্যগত প্রোফাইল তৈরি করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানের জৈবিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

ক. কাইরাল কেন্দ্র কী?
খ. গ্লুকোজের ব্যবহার লেখো।
গ. উদ্দীপকের চিত্রে উল্লিখিত রাসায়নিক বস্তু দুটির মধ্যে পার্থক্য করো।
ঘ. উদ্দীপকের উল্লিখিত পদার্থগুলো যে ধরনের তাদের জৈবনিক কাজ বিশ্লেষণ করো।
শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হয় সুষম খাবারের। ছয় মাসের অধিক বয়সের শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি অতিরিক্ত খাদ্য হিসেবে মাছ, মাংস, ডাল, ডিম ইত্যাদি খাওয়াতে হয়। তা না হলে শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে না।
ক. পেপটাইড বন্ধন কী?
খ. মনোস্যাকারাইডের বৈশিষ্ট্য লেখো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত অতিরিক্ত খাবারের দ্রবণীয়তার উপর নির্ভর করে শ্রেণিবিন্যাস করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানের জৈবিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
C এমন একটি জৈবসত্তা, যার গঠনে কোন কোষ নেই। কিন্তু প্রোটিন এবং A ও B থাকে। A তে থাইমিন থাকলেও B তে নেই।
ক. সায়ানোফায কাকে বলে?
খ. পোষকের ক্ষতি না করে ফায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে- বুঝিয়ে বল।
গ. A ও B অণুতে বিদ্যমান কার্বোহাইডেটের গাঠনিক সংকেত লেখ।
ঘ. C এর ক্ষেত্রে A ও B বাহী দুটি ভিন্ন সত্তার ক্ষেত্রে তুলনামূলক আলোচনা কর।
এক প্রকার জৈব রাসায়নিক যৌগ আছে যা জীবদেহের অন্যতম গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। এই যৌগের কিছু যৌগ জৈব অনুঘটক হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ক. রিডিউসিং স্যুগার কী?
খ. গ্লাইকোসাইডিক বন্ধনী বলতে কী বুঝ?
গ. দ্রবণীয়তার ভিত্তিতে উপরের উদ্দীপকে উল্লেখিত জৈবরাসায়নিক যৌগের শ্রেণিবিন্যাস কর।
ঘ. আমাদের দৈনন্দিন জীবনে উপরের জৈব অনুঘটকের ব্যবহারসমূহ উল্লেখ কর।
X একটি শর্করা যা জীবদেহের শক্তির উৎস। Y একটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা জারণ-বিজারণ পানির অণুর সংযোজন, আইসোমেরিক পরিবর্তন এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড অণুযুক্ত বা বিযুক্ত করতে সহায়তা করে।
ক. অলিগোস্যাকারাইড কী?
খ. জীবকোষে ক্যাটালেজ ও জাইমেজ এনজাইমের কার্যকারিতা লেখ।
গ. X এর শ্রেণিবিন্যাস কর।
ঘ. উদ্দীপকের Y এর বিক্রিয়াসমূহ বিশ্লেষণ কর।
ভাত এবং মাছে ভিন্ন রকমের দুইটি খাদ্য উপাদান রয়েছে।
ক. খাদ্যশৃঙ্খল কী?
খ. হাইব্রিডাইজেশন বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় খাদ্য উপাদানটির প্রয়োজনীয়তা লেখ।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম খাদ্য উপাদানটির শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা কর।

ক. কো এনজাইম কী?
খ. সুক্রোজকে অবিজারক শর্করা বলা হয় কেন?
গ. উদ্ভিদদেহে চিত্র 'X' এর পলিমারের সঞ্চিত উপাদানের গাঠনিক সংকেতসহ গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘Y’ উপাদানের পলিমার জীবদেহে গঠনকারী প্রধান উপাদান- বিশ্লেষণ কর।
উদ্ভিদ কোষের কোষপ্রাচীর এবং কোষঝিল্লি উভয়ই বিভিন্ন প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। তবে কোষঝিল্লির একটি রাসায়নিক উপাদান এক প্রকার এসিড দিয়ে তৈরি।
ক. সেন্ট্রোস্ফিয়ার কী?
খ. অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলোর নাম লিখ।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কোষ প্রাচীরের প্রধান রাসায়নিক উপাদানের গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. জীবদেহে উদ্দীপকের শেষোক্ত উপাদানের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

ক. পেপটাইড বন্ধন কী?
খ. সুক্রোজকে কেন অবিজারক শর্করা বলা হয়?
গ. উদ্দীপকের 'C' যৌগটির বৈশিষ্ট্য উল্লেখপূর্বক গঠনভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস দেখাও
ঘ. উদ্দীপকের E যৌগটির বৈশিষ্ট্য ক্রিয়াকৌশলের একটি মতবাদ দাও। উল্লেখ করে উল্লেখ এর ক্রিয়া কৌশলের একটি মতামত দাও।
"Y" একটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা ১ অণু পাইরানোজ ও ১ অণু ফিউরানোজ রিং দ্বারা গঠিত।
ক. নিউক্লিওসাইড কী?
খ. কোষের Suicidal bag কোন অঙ্গাণুকে বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ. 'Y' এর গঠন আঁক ও বর্ণনা কর।
ঘ. 'Z' চিহ্নিত করে মানবজীবনে এর উপকারিতা ও অপকারিতা আলোচনা কর।