Questions in this chapter
'R' এমন একটি ব্যাংক যার উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় । এই ব্যাংকটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। অপরপক্ষে, 'S' ব্যাংক যার মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা এবং জনগণের নিকট হতে আমানত সংগ্রহ, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সহায়তা প্রদান করা। তাছাড়া অনেক সময় 'S' ব্যাংক 'R' ব্যাংক হতে ঋণ সহায়তা নিয়ে থাকে ।
ক. তারল্য কী?
খ. ব্যাংককে নিরাপত্তার প্রতীক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে কার্যভিত্তিক 'S' ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে 'R' ব্যাংকটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে— এ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
পদ্মা লি, একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। যেটা দেশের মুরব্বি ব্যাংকের নিয়ম-নীতি মেনে কাজ পরিচালনা করে। আশা লি. আরও একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যেটা নিজের নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়। আবার, ‘B’ ব্যাংক একটি ব্যাংক যেটা সরকারের পক্ষে আর্থিক ও ব্যাংকিং কার্যাবলি সম্পাদন করে, মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করে এবং বিভিন্নভাবে অন্যান্য ব্যাংককে সহযোগিতা করে ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল কোন ব্যাংককে বলা হয় এবং কেন?
গ. উদ্দীপকে ‘B’ ব্যাংক কার্যাবলির ভিত্তিতে কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের কোন ব্যাংকটি ‘B’ ব্যাংকের সহযোগিতা পাবে এবং কেন? বিশ্লেষণ করো ।
বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ২০ হাজার কোটি টাকা অলস পড়ে আছে। তাই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ইচ্ছামত ঋণ প্রদান করতে সক্ষম। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে যে হারে ঋণ প্রদান করতো তার শতকরা ২% বৃদ্ধি করে। এতেও বাণিজ্যিক ব্যাংকে ঋণ সামর্থকে প্রভাবিত না করলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার কাছে রক্ষিত শেয়ার ও বন্ড, সরাসরি বাজারে বিক্রয় শুরু করে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ প্রদান ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণেকেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রাবাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো ।
গ.উদ্দীপকে উল্লিখিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথম পদক্ষেপে ব্যাংক হার পদ্ধতি গ্রহণ করেছিল । ব্যাখ্যা কর?
ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বিতীয় পদক্ষেপ সফল হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো ।
''রমনা' ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি দেশে নগদ অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় রমনা ব্যাংক তার নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকগুলোকে গাড়ি, ফ্রিজ, টিভি, আসবাবপত্র প্রভৃতি ক্রয়ের জন্য প্রদত্ত ঋণের কিস্তির সংখ্যা হ্রাস করার নির্দেশনা দেয়। এছাড়া উচ্চ সুদের হারে ট্রেজারি বিল, বন্ড, ঋণপত্র প্রভৃতি বিক্রয়ের ঘোষণা দেন।
ক. BEFTN-এর পূর্ণরূপ কী?
খ. খোলা বাজার নীতিটি ব্যাখ্যা করো ।
গ. ‘রমনা' ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. দ্রুততার সাথে অর্থের নগদ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্দীপকে বর্ণিত কোন কৌশলটি অধিকতর উপযোগী? বিশ্লেষণ করো ।
সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার সার্বভৌম বন্ড 'সুকুক' ইস্যু করেছে। সাম্প্রতিককালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং খাতের অতিরিক্ত অর্থ কমানোর উদ্দেশ্যে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ‘সককে' বিনিয়োগের নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর পরেও মুদ্রাস্ফীতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব না হওয়ায় কেন্দ্ৰীয় ব্যাংক আমানতী অর্থের জমার হার বৃদ্ধি করে ।
ক. ব্যাংক রেট কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক আন্তর্জাতিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ন্ত্রণ করে”— ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন ধরনের নীতি গ্রহণ করেছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত দ্বিতীয় পদক্ষেপটি কি দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে নগদ অর্থের লেনদেন বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের অর্থ বাজারে কলমানি রেট ৩.০০% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪.০০% হয়েছে । ফলে অর্থ বাজারে ব্যাংক সুদের হারও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভোগ্য পণ্যের . ঋণের হার ৬% থেকে হ্রাস করে ৫% করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কেন ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়?
গ. উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন পরিমাণগত পদ্ধতি গ্রহণ করেছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. তুমি কি মনে করো, উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত সিদ্ধান্তটি দেশের অর্থ বাজারে নগদ অর্থের যোগান বৃদ্ধিতে সহায়ক? মতামত দাও ।
X ব্যাংক দেশের নোট ও মুদ্রার প্রচলন করে এবং মুদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে x ব্যাংকটি অন্যান্য ব্যাংককে প্রদত্ত ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রাবাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত X ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে X ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থার যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো ।
বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ ঋণদান কার্যক্রম বৃদ্ধি করায় দেশের দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। ফলে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংককে মুদ্রাস্ফীতি রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেয়। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নগদ জমার হার ৪% থেকে ৬% এ উপনীত করে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান সামর্থ্য কমলেও তা আশানুরূপ না হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক পরবর্তীতে বাজারে কিছু বন্ড ও সিকিউরিটি বিক্রয় করে। এতে দেশের আর্থিক বাজার স্থিতিশীল হয় ।
ক.কলমানি রেট কী?
খ.ঋণের সুদের হার জীবনযাত্রার মানের ওপর কী প্রভাব ফেলে? ব্যাখ্যা করো ।
গ.বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে প্রধমে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ.তুমি কি মনে করো বাংলাদেশ ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হয়েছে? যুক্তিসহ উত্তর দাও।
জনাব আমান ও জনাব মামুন এমবিএ পাস করে ব্যাংকের চাকরিতে যোগদান করেন। আমান যে ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেন, সেটি দেশের মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি, সম্পাদন করে। অপরদিকে, মামুন যে ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার পদে যোগদান করে সেটি আমানত সংগ্রহ, ঋণদান কার্যক্রম ও মুনাফা অর্জন করে। কার্যাবলি ভিন্ন হলেও মামুনের ব্যাংককে আমানের ব্যাংকের নিকট দায়বদ্ধ থাকতে হয় ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণ কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব আমানের ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে জনাব মামুনের ব্যাংকটি আমানের ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ থাকার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করো।
'X' ব্যাংক অর্থ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ নিয়ন্ত্রণ, কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ করার উদ্দেশ্যে ব্যাংকটি সিকিউরিটিজ, বেসরকারি বন্ড, বিল ইত্যাদি পূর্বের তুলনায় অধিক পরিমাণে ক্রয় করে। ফলে 'X' ব্যাংকটি ঋণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে পূর্বের তুলনায় অধিক
সফলতা অর্জন করে।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. EFT বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে 'X' ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে? আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের আলোকে ঋণ নিয়ন্ত্রণে 'X' ব্যাংকের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো ৷
পদ্মা ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংক ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। পদ্মা, ব্যাংককে তার আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ মেঘনা ব্যাংকে বাধ্যতামূলক জমা রাখতে হয়। মেঘনা ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন নিয়ম- কানুনের মধ্যে থেকে পদ্মা ব্যাংককে তার দৈনন্দিন কার্য পরিচালনা করতে হয়। মেঘনা ব্যাংকের নির্দেশনার বাইরে পদ্মা ব্যাংক কোনো কাজ করতে পারে না । ক. কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
গ.‘পদ্মা’ ব্যাংক তার আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ মেঘনা ব্যাংকে বাধ্যতামূলকভাবে জমা রাখার কারণ ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক দুটির বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো ।
মি. মজুমদার 'ক' ব্যাংকে নিয়মিত লেনদেন করেন। ব্যাংকটি বেশ কয়েক বছর যাবত চরম তারল্য সংকটে ভুগছে। ব্যাংকটি গ্রাহকদের ঠিকমত অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না। ঋণগ্রহীতারাও ঋণের আবেদন করে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে ব্যাংকের সুনাম দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। সর উৎস থেকে ঋণ সংগ্রহের চেষ্টা করেও ব্যাংকটি ব্যর্থ হয়েছে। এমন সময় 'ক' ব্যাংকটির সাহায্যে এগিয়ে আসে দেশের প্রধান ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। ফলে 'ক' ব্যাংকটি আবার নতুন উদ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ক. খোলাবাজার নীতি কী?
খ. “ব্যাংক ধার করা অর্থের ধারক” –ব্যাখ্যা করো ।
গ. ‘ক’ ব্যাংকের সুনাম দিন দিন হ্রাস পাওয়ার কারণ লেখো ।
ঘ. ‘ক’ ব্যাংকের সাহায্যে এগিয়ে আসে কোন ব্যাংক এবং কেন? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো ।
মি. রজত একটি ব্যাংকের উপ-পরিচালক। প্রত্যেকটি দেশেই এ ধরনের একটি ব্যাংক থাকে। এ ধরনের ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে না। মুনাফা অর্জনও এ ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য নয়। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এ ধরনের ব্যাংকের প্রধান কাজ ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. কোন ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় এবং কেন?
গ. কার্যাবলির ভিত্তিতে উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. রজতের ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে মি. রজতের ব্যাংকটির ভূমিকা বিশ্লেষণ করো ।
ঈদে ব্যাংকের গ্রাহকদের নতুন নোটের প্রতি আগ্রহের কথা বিবেচনা করে 'A' ব্যাংক ১০০, ৫০ ও ১০ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ে। বিভিন্ন ব্যাংক নতুন নোট সংগ্রহ করে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করে, এর মধ্যে 'B' নামীয় একটি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ মানাসহ আমানত গ্রহণ, ঋণ প্রদান ও বিভিন্ন সুবিধা গ্রাহকদেরকে প্রদান করে আসছে। গ্রাহকদের ঋণের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকটি তারল্য সংকটে পড়ে যায় । এ সংকট নিরসনে 'B' ব্যাংকটি 'A' ব্যাংকের দারস্থ হয় ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. ঋণের বরাদ্দকরণ নীতি বলতে কী বোঝায় ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. 'B' ব্যাংকের তারল্য সংকট নিরসনে 'A' ব্যাংকের করণীয় সম্পর্কে তোমার মতামত প্রদান করো ।
২০ সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ঋণ ব্যাংক বাজারে বিভিন্ন ধরনের সরকারি বন্ড আকর্ষণীয় শর্তে বিক্রয় করে । তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় তালিকাভুক্ত ব্যাংকের CRR-এর পরিমাণ ৫.৫% থেকে বাড়িয়ে ৬.৫% করায় তা নিয়ন্ত্রণে আসে ।
ক. বিহিত মুদ্রা কী?
খ. তালিকাভুক্ত ব্যাংক কাকে বলে?
গ. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম কোন নীতি গ্রহণ
করে? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত নীতি গ্রহণের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করো ।
COVID-19 এর কারণে দেশের ব্যবসায় বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দেওয়ায় এখাতে বিনিয়োগ কমে যায়। বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোতে অলস অর্থের পরিমাণ বাড়তে থাকে। বর্তমানে লকডাউনের সময় বিভিন্ন পেশার মানুষ কৃষকদের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য চাষে মনোনিবেশ করছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে স্বল্প সুদে কৃষি ও মৎস্য খাতে ৫০% ঋণ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা জারি করে।
ক. ব্যাংক ব্যবস্থায় তারল্য কী?
খ. আধুনিক ব্যাংক ব্যবস্থার পূর্বসূরি কারা?
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপটি ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন পদ্ধতির সাথে সম্পৃক্ত –ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও মৎস্য খাতে ঋণ প্রদানের নির্দেশনাটির যৌক্তিকতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো ।
'আশার আলো' ব্যাংকটি বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক। ব্যাংকটি দেশের অন্যান্য ব্যাংককে সহযোগিতার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে থাকে। সরকারের বিভিন্ন হিসাব পরিচালনা ও আর্থিক লেনদেনে সহায়তা প্রদান করে ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. “কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রা বাজারের অভিভাবক” —ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোচিত 'আশার আলো' ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক তা ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের ব্যাংকটির সাথে দেশের অন্যান্য ব্যাংকের তুলনামূলক পার্থক্য নির্ণয় করো
তোহা ব্যাংক লি. তার কার্যক্রম সুনামের সহিত পরিচালনা করে আসছিল। “কোভিড-১৯”-এর কারণে ব্যাংকটি অর্থ সংকটে পড়েছে। উক্ত ব্যাংকটি ঋণ প্রদানকারী একটি বৃহৎ ব্যাংকের কাছে ঋণের আবেদন করে। ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ব্যাংকের আর্থিক সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে ।
প্রথমত: ব্যাংকের সুদ হ্রাস করে। এমনকি উক্ত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ব্যাংকের জমার হারও কমিয়ে দেয় ।
দ্বিতীয়ত: উক্ত প্রতিষ্ঠানটি দেশের সব অংশের মধ্যে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে ।
ক. নোট ইস্যুকরণ কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রা বাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ব্যাংকের আর্থিক সমস্যা দূরীকরণের জন্য প্রথমে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. তুমি কি মনে করো ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় পদক্ষেপের ফলে বিভিন্ন ব্যাংকের আর্থিক সমস্যা দূর হবে? মতামত দাও ।
‘আত্রাই ব্যাংক' দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে তাদের বিশেষ মুহূর্তে ঋণদান করে থাকে। ব্যাংকটির নির্দেশনা মোতাবেক দেশের সব ব্যাংক পরিচালিত হয়। মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ তথা দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের হ্রাস-বৃদ্ধি 'আত্রাই ব্যাংক'টির আদেশ-নির্দেশ
মোতাবেক পরিচালিত হয় ।
ক. একক ব্যাংক কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করো।
গ. উদ্দীপকের ব্যাংকের কয়েকটি কার্যাবলি উল্লেখ করো ।
ঘ. উদ্দীপকের ব্যাংকটি কি দেশের মুদ্রাস্ফীতি ও ঋণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাখে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
দেশের মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন কারণে দেশের মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে ব্যাংকটি তার সুদের হার ১% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ব্যাংকটি ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কতগুলো
খাত সুনির্দিষ্ট করে দেওয়ায় ঋণ সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসে ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. “ কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের ব্যাংক” —ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথমে কোন ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সর্বশেষ ঋণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম কতটুকু যৌক্তিক বলে তুমি মনে করো? বিশ্লেষণ করো ।