Questions in this chapter
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় 'X' নামক একটি ব্যাংক আছে যাকে ব্যাংকের মুরব্বী বলা হয়। ব্যাংকটি তার প্রধান কার্যালয়, ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রতিটি কার্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট কক্ষ থাকে যেখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যাংকের চেক, ব্যাংক ড্রাফট ইত্যাদি এসে জমা হয় আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক তা আলোচনা, করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকের যে কার্যাবলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা কি অন্যান্য ব্যাংক পালন করতে পারে? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
যমুনা লি. একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যেটা দেশের মুরব্বি ব্যাংকের নিয়ম-নীতি মেনে কার্য পরিচালনা করে। মধুমতি লি. আরও একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যেটা নিজের নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয় ।
আবার 'B' 'ব্যাংক একটি ব্যাংক যেটা সরকারের পক্ষে আর্থিক ও ব্যাংকিং কার্যাবলি সম্পাদন করে, মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করে এবং বিভিন্নভাবে অন্যান্য ব্যাংককে সহযোগিতা করে।
ক. ব্যাংক হার কী?
খ. জমার হার পরিবর্তন নীতিটি ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকের 'B' ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের কোন ব্যাংকটি 'B' ব্যাংকের সহযোগিতা পাবে এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।
তালিকাভুক্ত কিছু ব্যাংক সম্প্রতি জনগণকে অধিক ঋণ দেওয়ার ফলে দেশে মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের একমাত্র ব্যাংকটি CRR ও SLR এর মাধ্যমে মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে কঠিন সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলার জন্য তারা এ ব্যাংকটির দ্বারস্থ হয়েছে।
ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণের গুণগত পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকটি মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য কী পদ্ধতি গ্রহণ করেছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. “তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক লেনদেন নিষ্পত্তিতে একমাত্র ব্যাংকটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।” —তুমি কি একমত? ব্যাখ্যা করো।
x ব্যাংকটি দেশের প্রধান ব্যাংক ও ব্যাংকিং সমাজের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। ব্যাংকটি দেশে মুদ্রা প্রচলনের সাথে সাথে মুদ্রার মান সংরক্ষণ করে। উক্ত ব্যাংকটি মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রা সংকোচন কাম্যস্তরে রাখার মাধ্যমে দেশের জনগণের কল্যাণ সাধন করে থাকে। সম্প্রতি দেশের অন্যান্য সদস্য ব্যাংকগুলো অতিমাত্রায় ঋণ প্রদান করায় মুদ্রাবাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দেশের প্রধান ব্যাংকটি সদস্য ব্যাংকগুলোর ঋণদান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে স্টক, শেয়ার, ঋণপত্র ইত্যাদি বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ।
ক. ব্যাংক হার কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রাবাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রধান ব্যাংকটির সাথে বাংলাদেশের কোন ব্যাংকের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রধান ব্যাংকটির ঋণ নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিটি কি যৌক্তিক? মতামত দাও ।
মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রা সংকোচন উভয়ই দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতি করে। মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রা সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য R ব্যাংক . প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়, যার অংশ হিসেবে R ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে। S ব্যাংককে তার সংগৃহীত আমানতের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বাধ্যতামূলকভাবে R ব্যাংকের নিকট জমা রাখতে হয়। R ব্যাংক জমার পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. খোলাবাজার নীতি বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত R ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. R ব্যাংকটির পক্ষে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কি সম্ভব? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো ।
বাংলাদেশে অধিকাংশ ব্যাংকই তালিকাভুক্ত । উক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক লক্ষ্য করছে যে, তালিকাভুক্ত न ব্যাংকগুলো অনুৎপাদনশীল খাতে প্রচুর পরিমাণে ঋণ দেওয়ার কারণে দেশে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যাংকগুলোর আমানতের যে অংশ বাধ্যতামূলকভাবে জমা রাখতে হয়, সেটির হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয় ।
ক. কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী?
খ. ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের ব্যাংক' – ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন বিশেষ কক্ষের উল্লেখ রয়েছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যে পদ্ধতিটি গ্রহণ করেছে, সেটির যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো ।
আলিফ ব্যাংক লি. বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে তাদের সঞ্চিত অর্থ সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে ঐ সংগৃহীত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ হিসেবে প্রদান করে । অন্যদিকে, সম্প্রতি দেশে কিছু ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তাদের সংগৃহীত ব্যাংক ঋণ যথাসময়ে পরিশোধ না করায় ব্যাংকগুলোর ঋণদান ক্ষমতা কমে যায়। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকগুলোর তারল্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে জমার হার ৬% থেকে কমিয়ে ৫% করে ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কেন সরকারের ব্যাংক বলা হয়?
গ. উদ্দীপকে আলিফ ব্যাংক লি. কার্যাবলির ভিত্তিতে কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ঋণ নিয়ন্ত্রণ কৌশলের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো ।
দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা করা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাই প্রতি অর্থবছরের শুরুতেই এ ব্যাংক দেশের সব ব্যাংক-কে কৃষি, শিল্প, ব্যবসায়, পরিবহন ইত্যাদি বিভিন্ন বিভাগে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়। দেশের শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক স্থবিরতা দূর করার জন্য ব্যাংকটি বর্তমানে খোলা বাজার কার্যক্রম চালু করেছে ।
ক.কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী ?
খ. ব্যাংক হার নীতি বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন কাজের চিত্র ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত ব্যবস্থার ইতিবাচক দিক বিশ্লেষণ করো ।
ব্যাংক হার কী?
নিকাশ ঘর কী?
খোলাবাজার নীতি কী?
নোট ইস্যুকরণ কী?
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী?
ব্যাংক হার নীতি কী?
-এর পূর্ণরূপ কী?
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম কী?
নৈতিক প্ররোচনা কী?
-এর পূর্ণরূপ লেখো।
ব্যাংক হিসাব কী?
মুদ্রাস্ফীতি কী?