Questions in this chapter
কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের মুদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৈশ্বিক ঘটনা প্রবাহের কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে ব্যাংকটি তার সুদের হার ২ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। সুদের হার বৃদ্ধির পরও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ব্যাংকটি ঋণ সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছু খাত নির্দিষ্ট করে দেয়। এর ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা আসে।
ক. নোট ইস্যুকরণ কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রা বাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক খাণ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথমত কোন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করেছে? ব্যাখ্যা, করো।
ঘ. ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত সর্বশেষ পদক্ষেপটির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ব্যাংকিং সেবা ও সুবিধা প্রদান করছে। এ ধরনের সুবিধা পেয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ব্যাপক আকারে জনগণকে ঋণ দিতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় যেকোনো 'সময় অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক সুদের হার ৮ থেকে বাড়িয়ে ১০ করে। এরপরেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণপ্রদান অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম শ্রেণির শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয় শুরু করে।
ক. কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী?
খ. নিকাশ ঘর বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে গৃহীত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম পদক্ষেপটি কোন ধরনের পদক্ষেপ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রমটি মূল্যায়ন করো।
সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিলাসবহুল দ্রব্য ক্রয়ে অধিক পরিমাণে ঋণ দেওয়ায় বাজারে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক জমা সঞ্চিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তাতে ঋণ সরবরাহ পরিস্থিতি তেমন পরিবর্তন হয়নি। তাই ব্যাংকটি ঋণের বিপক্ষে জামানতের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এতে গ্রাহকদের মধ্যে ঋণ গ্রহণ প্রবণতা কমে যায়।
ক. -এর পূর্ণরূপ কী?
খ. নোট ইস্যুকরণ বলতে কী বোঝায়?
গ. কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির ঋণ নিয়ন্ত্রণের পরবর্তী পদ্ধতিটি বিশ্লেষণ করো।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক লক্ষ করছে যে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে প্রচুর অলস অর্থ পড়ে আছে। এ কারণে ব্যাংকগুলো প্রচুর ঋণ বিতরণ করতে পারছে। ঋণের পরিমাণ কাম্যস্তরে আনার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর বিধিবদ্ধ জমার পরিমাণ বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। কিন্তু এই ঘোষণার পরেও ঋণের পরিমাণ কাম্যস্তরে আসছে না। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিপুল পরিমাণ বন্ড ও সিকিউরিটিজ বাজারে বিক্রয় শুরু করে।
ক. বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম কী?
খ. "কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজারের অভিভাবক” ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে পরবর্তীতে ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন সংখ্যাত্মক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘোষণার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য সফল না হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে, যেখানে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনার নিষ্পত্তি হয়। সাম্প্রতিককালে দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে ব্যাংকটি সুদের হার ৫.৫ থেকে ৬ এ উন্নীত করে। তারপরেও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাংলাদেশ ব্যাংক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়।
ক. কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী?
খ. নিকাশঘর বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যে দুটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তাদের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সুসংহত করার লক্ষ্যে ব্যাংকটি সরকারের পক্ষে বাজারে মুদ্রা সরবরাহের মৌলিক দায়িত্ব পালন করে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের তালিকাভুক্ত 'ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে পড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়। এই সংকট নিরসনে ব্যাংকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিল বাট্টার হার কমিয়ে দেয়, যা তারল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতিকে গতিশীল করে।
ক. নৈতিক প্ররোচনা কী?
খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণ কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের পক্ষে কোন মৌলিক দায়িত্বটি পালন করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারল্য সংকট নিরসনের যে কৌশলটি গ্রহণ করেছে অর্থনীতিতে তার ইতিবাচক প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের অত্যধিক ঋণদান কার্যক্রমের কারণে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। এতে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এমতাবস্থায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক পূর্বের তুলনায় ২ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু কিছু কিছু ব্যাংক এ নির্দেশ অমান্য করায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের বিল বাট্টাকরণে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ নির্দেশ পালনে বাধ্য হয়। এতে বাজারে মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণের পরিমাণ কাম্যস্তরে ফিরে আসে।
ক. -এর পূর্ণরূপ লেখো।
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রাবাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত প্রথম পদক্ষেপটি ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে মূল্যস্তরের স্থিতিশীলতা আনয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত ব্যবস্থা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? মতামত দাও।
দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত মুনাফার আশায় বাজারে ঋণের প্রবাহ বাড়িয়েছে। এর ফলে দ্রব্যমূল্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে আগের তুলনায় বেশি পরিমাণে বিভিন্ন দলিলপত্র, বেসরকারি বন্ড ও সিকিউরিটিজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে বাজারে অতিরিক্ত ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক. খোলাবাজার নীতি কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের প্রকল্প সহায়ক ব্যাংক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে কতটুকু সফল হবে? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
সম্প্রতি দেশের অন্যতম ব্যাংকটি বেসরকারি খাতে ঋণের যোগান হ্রাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। ঋণের লাগাম টেনে ধরার জন্য ব্যাংকটি মুদ্রা বাজারে বন্ড, ঋণপত্র, ট্রেজারি বিল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার প্রত্যাশা করছে যে, এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি কমবে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
ক. ব্যাংক হার কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক জমার হার পরিবর্তন করে কেন?
গ. উদ্দীপকে ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন সংখ্যাত্মক পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থায় ঋণ নিয়ন্ত্রণ কতটুকু কার্যকর হবে? বিশ্লেষণ করো।
ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। দেশের অর্থবাজার স্থিতিশীল রাখা এবং দেশের উন্নয়নে সরকারকে সহযোগিতা করা এর মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে, ব্যাংক ব্যাংকের বিধি-বিধান মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ক. ব্যাংক হিসাব কী?
খ. খোলা বাজার নীতি বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি কীভাবে অন্যান্য ব্যাংকের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে? বিশ্লেষণ করো।
বর্তমানে দেশে মূলধনের সংকট থাকায় শিল্পায়ন প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার তার প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংককে বিষয়টি সমাধানে নির্দেশনা প্রদান করে। ব্যাংক দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানতের হারের পরিবর্তনের মাধ্যমেই উক্ত সংকট মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ক. ব্যাংক হার নীতি কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রা বাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. মূলধন সংকট মোকাবিলায় সরকার, কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত সংকট থেকে উত্তরণের জন্য ব্যাংকের ভূমিকা কতটুকু কার্যকরী হবে বলে তুমি মনে করো? মতামত দাও।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের অর্থবাজারের ঋণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এজন্য ব্যাংকটি আর্থিক বাজার থেকে আগের তুলনায় অধিক পরিমাণ বেসরকারি বন্ড, সিকিউরিটিজ এবং বিভিন্ন দলিলপত্র কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ঋণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক সফলতা আসে।
ক. খোলাবাজার নীতি কী?
খ. "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের ব্যাংক" ব্যাখ্যা করো।
গ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে কোন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে ঋণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আবাসন শিল্প খাতে বেশি পরিমাণ ঋণ দেওয়ার ফলে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক জমা সঞ্চিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তাতে ঋণ সরবরাহ পরিস্থিতি তেমন পরিবর্তন না হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি কিছু বেসরকারি বন্ড, শেয়ার, সিকিউরিটি বাজারে ছেড়েছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
ক. খোলাবাজার নীতি কী?
খ. কোন ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।
গ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে প্রথম ধাপে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. পরবর্তী ধাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি অবলম্বন করে তাতে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তুমি মনে করো কি? মতামত দাও।
সম্প্রতি তালিকাভুক্ত কয়েকটি ব্যাংক গ্রাহকদের অধিক ঋণ প্রদানের ফলে বাজারে মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণকারী ব্যাংক ও প্রয়োগের মাধ্যমে এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। এছাড়াও আন্তঃব্যাংকিং- এর ক্ষেত্রে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে প্রকট সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণকারী ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণ কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নিয়ন্ত্রণকারী ব্যাংকটি কার্যাবলির ভিত্তিতে কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে নিয়ন্ত্রণকারী ব্যাংকটি কি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে? মতামত দাও।
ব্যাংক লি. ও ব্যাংক ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। ব্যাংক লি.-কে তার আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যাংকে বাধ্যতামূলক জমা রাখতে হয়। ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন নিয়ম-কানুনের মধ্যে থেকে ব্যাংক লি.-কে তার দৈনন্দিন কার্য পরিচালনা করতে হয়। ব্যাংকের নির্দেশনার বাইরে ব্যাংক লি. কোনো কাজ করতে পারে না।
ক. ব্যাংক হার কী?
খ. "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের ব্যাংক" ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে ব্যাংক লি. ব্যাংকের নির্দেশনা মানতে বাধ্য তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে, যেখানে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনার নিষ্পত্তি হয়। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে ব্যাংকটি। সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়।
ক. বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণ হার কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন বিশেষ কক্ষের কথা। উল্লেখ রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যে দুটো পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তাদের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো?
ঢাকায় একটি ব্যাংক আছে যাকে সকল ব্যাংকের মুরুব্বি বলা হয়। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন শহরে এটির আঞ্চলিক কার্যালয় আছে যেগুলো এটির কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করে। সব আঞ্চলিক কার্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট কক্ষ থাকে যেখানে আন্তঃলেনদেন নিষ্পত্তি করা হয় । সব ব্যাংকের চেক ও ড্রাফটগুলো এখানে নিষ্পত্তির জন্য আনা হয় ।
ক. ব্যাংক হার কী?
খ. খোলাবাজার কার্যক্রম বলতে কী বোঝ ?
গ. উদ্দীপকের আলোকে এটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “অন্যান্য ব্যাংকগুলো এরূপ কাজ করতে পারে না” উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো ।
ঢাকার মতিঝিলে এমন একটি ব্যাংক আছে যাকে অন্যান্য ব্যাংকের অভিভাবক বলা হয়। ব্যাংকটি তার প্রধান কার্যালয় ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এর শাখা রয়েছে। প্রতিটি শাখায় একটি নির্দিষ্ট কক্ষ রয়েছে। আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য যেখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যাংকের চেক, ড্রাফট ইত্যাদি এসে জমা হয় ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. ঋণের বরাদ্দকরণ নীতি বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? আলোচনা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটির আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন নিষ্পত্তির বিষয়টি বিশ্লেষণ করো।
মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রা সংকোচন যেকোনো দেশের অর্থনীতির জন্য খারাপ সংকেত বহন করে। তাই সরকার মুদ্রাস্ফীতি কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করে। তাই ঋণ প্রবাহ কমানোর মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার ৪% থেকে বাড়িয়ে ৬% করে। এমতাবস্থায় ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত তারল্য থাকায় এতে তেমন কোনো কার্যক্রমের সুফল পরিলক্ষিত হয় নাই। পরবর্তীতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে জামানত সম্পদের বিপরীতে ঋণ মার্জিনের হার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেন ।
ক. নিকাশ ঘর কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো ।
গ. বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ঋণ নিয়ন্ত্রণে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণে দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অধিক কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম— এ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো ।
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহকে কৃষি এবং বিভিন্ন আত্মকর্মসংস্থানমূলক ক্ষেত্রে অধিক ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু কিছু সংখ্যক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশ অমান্য করে লাভজনক খাতে ঋণ দেওয়ার প্রবণতা বজায় রাখে। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অমান্যকারী ব্যাংকগুলোকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে আন্তঃব্যাংকিং লেনদেনের নিষ্পত্তির সুবিধা স্থগিত করে ।
ক. বিশেষায়িত ব্যাংক কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের কোন পদ্ধতি অনুসরণ করেছে? বর্ণনা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শেষ কার্যক্রমটি ব্যাংকিং লেনদেন প্রসারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে— এ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো ।