Questions in this chapter
প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম-উন্নয়নের দাবির প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার বৃহত্তম ‘ক’ প্রদেশটিকে বিভক্ত করলেও কতিপয় উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতার তীব্র বিরোধিতার কারণে পুনরায় তা একত্রীকরণ করা হয়। ফলে সম-উন্নয়নও ব্যাহত হয়।
ক. বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে ভারতের মুসলমানদের কে সংগঠিত করেছিলেন?
খ. ‘বারাসাত বিদ্রোহ’ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটি ব্রিটিশ ভারতের কোন ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটি ভারতবর্ষের রাজনীতিকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? বিশ্লেষণ করো।
১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ভারত মহাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। যে বিখ্যাত আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষের ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়, সেই আইনের নেপথ্যে ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল প্রদত্ত একটি পরিকল্পনা উল্লেখযোগ্য ভূমিকার দাবি রাখে।
ক. ফরায়েজি আন্দোলন কী?
খ. মুসলিম লীগ কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত কোন আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে? উক্ত আইনের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের সাথে গভর্নর জেনারেল প্রদত্ত পরিকল্পনাটির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
X প্রদেশের জনগণ স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্দে করছে। এ আন্দোলন দমনের জন্য X প্রদেশকে এমনভাবে ভাগ করার যাতে দুটি সম্প্রদায় পরস্পরের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে একটি সম্প্রদায় তাদের আন্দোলন সুসংগঠিত করার জন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে।
ক. সিপাহি বিদ্রোহ সংঘটিত হয় কত সালে?
খ. ‘ভাগ কর-শাসন কর’ নীতি বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ভারতের কোন ঐতিহাসিক ঘটনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের অনুরূপ একটি রাজনৈতিক দল ব্রিটিশ ভার মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় অনন্য ভূমিকা পালন করেছে বিশ্লেষণ করো।

ক. সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ. ‘দ্বি-জাতি তত্ত্ব’ বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে ‘খ’ সালে কোন ভারত শাসন আইনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘ক’ ও ‘খ’ সালের ভারত শাসন আইনের মধ্যে কোনটি অপেক্ষাকৃত ভালো? মূল্যায়ন করো।
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ একটি ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে ভারতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে 'ক' নামক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব একটি প্রস্তাব পেশ করেন ।
ক. পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?
খ. ‘দ্বৈত-শাসন’ বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রস্তাবটির বৈশিষ্ট্য লেখো।
ঘ. উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল বিশ্লেষণ করো।
প্রশাসনিক কার্যের সুবিধার্থে কর্তৃপক্ষ ‘ক’ নামক অঞ্চলটিকে পূর্ব ও পশ্চিম-এই দুই ভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এতে পূর্ব অঞ্চলবাসী আনন্দিত হয়। কারণ তাদের দীর্ঘদিনের বৈষম্যের অবসান ঘটবে। কিন্তু পশ্চিম অঞ্চলবাসী এই সিদ্ধান্তে হতাশ হয়। কারণ এতে তাদের প্রভাব ও গুরুত্ব কমে যাবে। তাই তারা এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন পড়ে তোলে। ফলে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তটি বাতিল করে।
ক. কোন কর্মসূচিকে বাঙালির ম্যাগনাকার্টা বলা হয় ?
খ. ফরায়েজি আন্দোলন বলতে কী বোঝায় ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ভারতের কোন ঐতিহাসিক ঘটনার মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিভক্তিকরণ পূর্ব অঞ্চলের জনজীবনে যে প্রভাব ফেলেছিল তা বিশ্লেষণ করো।

ক. পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
খ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ কী?
গ. উদ্দীপকে যে আইনের উল্লেখ রয়েছে তার তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উক্ত আইনে গৃহীত দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণসমূহ বিশ্লেষণ করো।
‘ক’ নামক রাষ্ট্রটি বিদেশি শাসকগোষ্ঠী দ্বারা প্রায় দুইশত বছর শাসিত হয়েছে। প্রথম থেকে বিদেশি শাসকগোষ্ঠী ‘ক’ রাষ্ট্রে টিকে থাকার জন্য নানা কূটকৌশল অবলম্বন করে। জনগণকে খুশি করার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আইন তৈরি করে। কিন্তু কোনো আইনই জনগণকে খুশি করতে পারেনি। অবশেষে বিদেশি শাসকগোষ্ঠী একটি আইন তৈরি করে ‘ক’ রাষ্ট্রটিকে দুটি পৃথক রাষ্ট্রে বিভক্ত করে স্বাধীনতা দিয়ে নিজ দেশে চলে যায়।
ক. কত সালে বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়?
খ. ‘৩ জুন পরিকল্পনা’ বলতে কী বোঝায় ?
গ. উদ্দীপকের ঘটনার সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের যে ঘটনা বা আইনের মিল রয়েছে তার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. তোমার পাঠ্যপুস্তকের ঐ আইন 'ক' রাষ্ট্রের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কতটুকু সফল হয়েছিল? মূল্যায়ন করো।
মি. বাটলার বিশাল আয়তনের অঞ্চলের প্রশাসক ছিলেন। তার একার পক্ষে এই বিশাল অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা কঠিন ছিল। ফলে মি. বাটলারের কর্তৃপক্ষ এ বিশাল আয়তনের "অঞ্চলটিকে ‘X’ ও ‘Y’ নামক অঞ্চলে বিভক্ত করে। এ বিভক্তির ফলে ‘X’ অঞ্চলের জনগণ খুশি হলেও ‘Y’ অঞ্চলের জনগণ এ বিভক্তির তীব্র বিরোধিতা করে। ফলে ‘Y’ অঞ্চলের জনগণের প্রচণ্ড বিক্ষোভ, অসন্তোষ ও চাপের মুখে কর্তৃপক্ষ দুই অঞ্চলকে পুনরায় একত্রীকরণ করতে বাধ্য হয়। এ সিদ্ধান্তের কারণে ‘X’ অঞ্চলের জনগণ কর্তৃপক্ষের ওপর অসন্তুষ্ট হয়।
ক. ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
খ. দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিভক্তির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিভক্তির ফলে ‘X’ অঞ্চলের জনগণের জনজীবনে কী ধরনের প্রভাব পড়েছিল? বিশ্লেষণ করো।
‘ক’ মহাদেশের একটি বৃহৎ অঞ্চলে পাশাপাশি দুটি প্রধান সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। এখানে দীর্ঘদিন যাৎ বিদেশি। ঔপনিবেশিক শাসন বিদ্যমান থাকায় দুই সম্প্রদায়ের জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই থাকে। সম্প্রদায় দুটির জনগণের মধ্যে শান্তিপূর্ণ। সমাধানের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ বারবার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তা সমাধান হয়নি। পরিশেষে কর্তৃপক্ষ দুটি সম্প্রদায়কে আলাদা করার চিন্তা করে পার্লামেন্টে আইন পাস করে। এই আইন অনুযায়ী, দুই সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ফলে দীর্ঘদিন পর সম্প্রদায় দুটির জনগণের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
খ. বারাসাত বিদ্রোহ কী?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনের সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

ক. কত সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে?
খ. ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ কী?
গ. উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে কোন ভারত শাসন আইনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উক্ত ভারত শাসন আইন অনুসারে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করো।

ক. দ্বিজাতি তত্ত্বের ধারণাটি উত্থাপন করেন কে?
ঘ. খিলাফত আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?
গ. চিত্রে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের ধারা প্রকাশ পেয়েছে তার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
ঘ. চিত্রে প্রকাশিত আইনের ধারাটির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করো।
শ্যামনগর একটি বৃহৎ উপজেলা। এটি উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত অধিকাংশ উত্তরে অবস্থিত। ফলে দক্ষিণের জনপদ বৈষম্যের শিকার। দক্ষিণের একজন শিক্ষিত সচেতন ব্যক্তি বিষয়টি উপলব্ধি করে বৈষম্য থেকে মুক্তি লাভের লক্ষ্যে দক্ষিণে একটি আলাদা উপজেলা করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান। কর্তৃপক্ষ দাবির যৌক্তিকতা, প্রশাসনিক এবং কৌশলগত কারণে বৃহৎ উপজেলাটিকে ভাগ করে দক্ষিণে একটি আলাদা উপজেলা ঘোষণা করে এবং প্রশাসক নিয়োগ করে। কিন্তু উত্তরের সুবিধাভোগী সচেতন মহল এর বিরোধিতা করে এবং কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্দোলন অব্যাহত রাখে। কর্তৃপক্ষ একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্তটি বাতিল করে।
ক. মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
খ. স্বদেশি আন্দোলন কী? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ভারতের কোন ঐতিহাসিক ঘটনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে ঘটনাটির প্রতিক্রিয়া কি যথার্থ ছিল? তোমার মতামত দাও ।

ক. মুসলিম লীগ কত সালে গঠিত হয়?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়।
গ. উদ্দীপকে [?] চিহ্নিত স্থানে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উক্ত আইন ভারতবাসীরা কেন প্রত্যাখ্যান করেছিল? বিশ্লেষণ করো।
ব্রিটিশ ভারতের ‘X’ প্রদেশের আয়তন ও জনসংখ্যা বিশাল । একজন প্রশাসকের একার পক্ষে সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করা ছিল অসম্ভব। ফলে কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে উক্ত প্রদেশটিকে দুটি আলাদা প্রদেশে বিভক্ত করে দুজন প্রশাসক নিয়োগ করেন ।
ক. সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ. ‘স্বদেশি আন্দোলন’ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার সাথে তোমার পঠিত পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণ ছাড়া আর কী কী কারণ আছে বলে তুমি মনে কর? বিশ্লেষণ করো।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের জনসংখ্যা ও পরিধি বৃদ্ধির কারণে সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উক্ত এলাকাকে ‘উত্তর’ ও ‘দক্ষিণ’ নামে দু’ভাগে ভাগ করে। সুশীল সমাজের কিছু অংশ সরকারকে সাধুবাদ জানালেও আবার অনেকে তার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
খ. দ্বিজাতি তত্ত্ব কী?
গ. উদ্দীপকে বিবৃত ঘটনার সাথে ব্রিটিশ ভারতের কোন ঘটনার মিল পাওয়া যায়? তার কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার ফলাফল বিশ্লেষণ করো।
১৯৪৬ সালে ভারতবর্ষে ভয়াবহ দাঙ্গা দেখা দেয়। লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন। তিনি হিন্দু, মুসলিম ও শিখ নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে বুঝতে সক্ষম হন যে, ভারতবর্ষে আর ব্রিটিশ শাসন সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটি আইন পাস করা হয়।
ক. ‘ভাগ কর, শাসন কর’ নীতি কী?
খ. মওলানা ভাসানীকে মজলুম জননেতা বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে যে আইনের কথা বলা হয়েছে, তার তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী একটি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী এশিয়া মহাদেশের একটি অঞ্চলের জনগণের দাবি পূরণের লক্ষ্যে ক্যাবিনেটের তিন সদস্যকে দায়িত্ব দিলেন। ক্যাবিনেট সদস্যগণ উক্ত অঞ্চলের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ-আলোচনায় ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পেরে নিজস্ব বিবেচনায় একটি পরিকল্পনা পেশ করলেন। পরিকল্পনায় জনগণের দাবি পূরণে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তাব ঘোষণা করলেন।
ক. ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক কী ছিল?
খ. ৩ জুন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন পরিকল্পনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের সাথে সামাস্যপূর্ণ পরিকল্পনাটির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও ।
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের এক অধিবেশনে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরের দিন ভারতের জাতীয় দৈনিকগুলোতে সেটিকে ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
ক. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কী?
খ. দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রস্তাবের বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ. পাকিস্তান সৃষ্টিতে বর্ণিত প্রস্তাবটির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

ক. ‘প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন’ কী?
খ. স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলতে কী বোঝায় ?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনটির অন্য দুইটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বর্ণিত আইনটির প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করো ।