Questions in this chapter
আলীপুর উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নটি আয়তনে অনেক বড়। বিশাল আয়তন ও জনসংখ্যার কারণে উন্নয়ন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সে কারণে ইউনিয়নটির এক বিশাল জনগোষ্ঠী পৃথক ইউনিয়ন গঠনের দাবি জানায়। কর্তৃপক্ষ এতে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন কারণে উক্ত ইউনিয়নটিকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ. অপারেশন সার্চলাইট বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত বিভক্তির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত বিভক্তিকরণের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করো।
অধ্যাপক জাহানারা হক শ্রেণিকক্ষে ভারতীয় উপমহাদেশের অগ্রগতির ইতিহাস আলোচনা করতে গিয়ে বলেন যে, ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন শাসকগণ বহু আইন প্রণয়ন করেন। কিন্তু এ আইনগুলো উপমহাদেশের জনগণকে পরিপূর্ণভাবে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। তা সত্ত্বেও এ আইনগুলোর মধ্যে সর্বশেষ আইনটি ছিলো ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিবিদ ও জনগণের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত।
ক. ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
খ. ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের অধ্যাপক জাহানারা হকের বর্ণিত আইনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
'ক' অঞ্চলটি দীর্ঘদিন বিদেশি শক্তি দ্বারা শাসিত হয়ে আসছে। এ অঞ্চলের প্রধান দুটি সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধভাবে বিদেশি শক্তিকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করে আসছিল। বিদেশি শক্তি এ ঐক্যবদ্ধ চেতনাকে নষ্ট করার জন্য 'ক' অঞ্চলটিকে ভৌগোলিকভাবে এমনভাবে ভাগ করে যাতে সম্প্রদায় দুটি পরস্পরের সাথে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের উদ্ভব ঘটে এবং এ দলটিই পরবর্তীতে একটি স্বাধীন ধর্মরাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা পালন করে।
ক. কোন বিদ্রোহ ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটায়?
খ. ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস অসাম্প্রদায়িক ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের 'ক' অঞ্চলের ভৌগোলিক বিভাজন তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনাকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের রাজনৈতিক দলের অনুরূপ পাঠ্যবইয়ের যে দলটি ভূমিকা পালন করেছিল তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
এ' রাষ্ট্রটি ২০১০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। উক্ত রাষ্ট্রে ২০১২ সালে কার্যকর হওয়া সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার প্রবর্তন করা হয় এবং কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়। তবে কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রবর্তন করা হয়নি। প্রদেশে স্বায়ত্তশাসন ছিল না কিন্তু দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রবর্তন করা হয় এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর হয়। প্রদেশের তালিকাভুক্ত বিষয়গুলোর ওপর কেন্দ্রের কোনো প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তবে প্রাদেশিক গভর্নর প্রদেশের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান ছিলেন। তিনি আইন প্রণয়ন কিংবা শাসন সংক্রান্ত কাজে হস্তক্ষেপ করতেন না।
ক. মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
খ. ১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের ফলাফল ভারতে হিন্দু- মুসলমান স্বতন্ত্র জাতিসত্তার প্রকাশ- ব্যাখ্যা করো।
গ. 'এ' রাষ্ট্রের ২০১২ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য কোন ভারত শাসন আইনকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উক্ত রাষ্ট্রের ২০১৫ সালের সংশোধিত সংবিধানের সাথে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের তুলনা করো।
বিশাল আয়তনের রূপনগর অঞ্চলটিতে ঔপনিবেশিক শাসনের জন্য অস্থিরতা বিদ্যমান। অঞ্চলটিতে প্রধানত দুটি সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন সম্মোহনী নেতা বিরোধী দলীয় সম্মেলনে রাজনৈতিক সমস্যা নিরসনের জন্য একটি প্রস্তাব পেশ করে। প্রস্তাবে সংখ্যালঘুরা যেসব স্থানে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেইসব অঞ্চল নিয়ে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। এ প্রস্তাবটি সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে এবং এক দশকের মধ্যেই রূপনগর ভেঙে কয়েকটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়
ক. মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কতজন ব্রিটিশ মন্ত্রী ভারত সফর করেন?
খ. ভাষা আন্দোলন হয়েছিল কেন?
গ. উদ্দীপকে পেশকৃত প্রস্তাবটি তোমার পঠিত কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রস্তাবটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি উপমহাদেশের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে- বিশ্লেষণ করো
বক্তঙ্গভঙ্গ রদ এবং নেহেরু রিপোর্ট প্রকাশিত হলে মুসলমান নেতৃবৃন্দ হতাশ হয়ে পড়েন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচন এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্ব ঘোষণা হলে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা শুরু হয়। ফলে মুসলমান নেতৃবৃন্দ মনে করেন তাদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র প্রয়োজন। মুসলমান নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে একজন মহান নেতা এ লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল।
ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ. 'লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বি-জাতি তত্ত্ব'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে যে ঐতিহাসিক প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে তার মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।
ঘ. তুমি কি মনে কর, উক্ত প্রস্তাবের মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
বিদেশি শাসনাধীন কোনো একটি রাষ্ট্রে দু'টি প্রধান সম্প্রদায় বাস করে। প্রায়ই তাদের মধ্যে বিরোধ লেগে থাকে। শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েও সরকার ব্যর্থ হয়। দেশটি বিভক্ত করাই সমাধান ভেবে সরকার পার্লামেন্টে একটি আইন পাশ করে। আইনটিতে দু'টি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়।
ক. পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের গভর্নর কে ছিলেন?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন আইনের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো
বিশাল আয়তনে গঠিত অঞ্চলের প্রশাসক ছিলেন মি. ডেভিট। তাঁর একার পক্ষে বিশাল আয়তন বিশিষ্ট অঞ্চলের উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করা সম্ভব ছিল না। ফলে কর্তৃপক্ষ উক্ত অঞ্চলকে 'ক' ও 'খ' দু'টি অঞ্চলে বিভক্ত করে প্রশাসক নিয়োগ করেন। এতে 'ক' অঞ্চলের জনগণ খুশি হলেও 'খ' অঞ্চলের জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
ক. লাহোর প্রস্তাবের উপস্থাপক কে ছিলেন?
খ. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত ঘটনার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার মিল রয়েছে? কারণসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত 'খ' অঞ্চলের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণসহ এর ফলাফল মূল্যায়ন করো।
'ক' নামক বৃহৎ রাষ্ট্রের ঔপনিবেশিক শাসনাধীন 'খ' একটি অঞ্চল। দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক শাসনে থাকার ফলে অঞ্চলটির জনগণ অত্যাচার-নিপীড়নে পিষ্ঠ হতে থাকে। নিজেদের দাবি-দাওয়া আদায় ও মুক্তির লক্ষ্যে ঐ অঞ্চলের জনগণ একটি সর্বজনীন রাজনৈতিক দল 'গ' গঠন করে। কিন্তু দলটি গঠন করার পর সকল জাতির স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষণে ব্যর্থ হয় এবং ক্ষেত্র বিশেষে একপেশে নীতি গ্রহণ করে। ফলে রাষ্ট্রের সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘ' নামে আরেকটি রাজনৈতিক দল গঠন করে।
ক. রাজনৈতিক দল কী?
খ. ঔপনিবেশিক শাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের 'গ' নামের রাজনৈতিক দলের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের যে রাজনৈতিক দল গঠনের সাদৃশ্য রয়েছে তার পটভূমি আলোচনা করো।
ঘ. পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টিতে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'ঘ' রাজনৈতিক দলটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

ক. ৩ জুন পরিকল্পনা কী?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে '?' চিহ্নটি তোমার পাঠ্যপুস্তকের যে আইনকে নির্দেশ করে তার কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত আইনটি ব্রিটিশ ভারতে গণতন্ত্র বিকাশে সহায়ক ছিল? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।
X' রাষ্ট্রে একটি নতুন আইনের মাধ্যমে প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো- সংরক্ষিত বিষয় ও হস্তান্তরিত বিষয়। সংরক্ষিত বিষয়গুলো গভর্নরের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ক. মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন কী?
খ. দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করো।
ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে 'X' রাষ্ট্রের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে। ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে শাসকগোষ্ঠী একটি নতুন আইন করে রাষ্ট্রকে দু'ভাগে ভাগ করে। ফলশ্রুতিতে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
ক. ১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন কী?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো আইনের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
ব্রিটিশ সরকার ভারতীয় উপমহাদেশ শাসনকালে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর একটি শাসনতান্ত্রিক উদ্যোগ নেয়া হয়। ফলে এদেশে দ্বৈতশাসন ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৫ সালে আরেকটি শাসনতান্ত্রিক উদ্যোগ নেয়া হয়। এতে বলা হয় প্রদেশগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত। এছাড়া এখানে সর্বভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠিত হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত থাকবে। প্রকৃতপক্ষে এই ব্যবস্থায় গভর্নর জেনারেল ও প্রাদেশিক গভর্নরের ব্যাপক ক্ষমতা ছিল।
ক. ফরায়েজি আন্দোলন কী?
খ. নবাব আবদুল লতিফকে 'বাংলার সৈয়দ আহমদ' বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের প্রথমাংশে কোন আইনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের শেষাংশে উল্লেখিত ব্যবস্থাটি বাস্তবে কতটুকু কার্যকর হয়েছিল? মতামত দাও।
উপনিবেশিক একটি রাষ্ট্রে দুটো সম্প্রদায় বাস করতো। তাদের মধ্যে সবসময় দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো। একটি সম্প্রদায়ের নেতা ছিলেন জনাব N। তিনি তার সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষায় একটি সুপারিশমালা পেশ করেন। এ সুপারিশমালায় একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। যা অন্য সম্প্রদায় মনে প্রাণে মেনে নিতে পারেনি। এর ফলে বিভিন্ন জায়গায় দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু হয়। শাসকগোষ্ঠী এই দুই সম্প্রদায়ের সাথে শান্তিপূর্ণ আলোচনা করে ব্যর্থ হন। অবশেষে শাসকগোষ্ঠী এমন একটি আইন প্রণয়ন করেন যার মাধ্যমে দুটো পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
ক. মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
খ. মুসলিম লীগ কেন গঠিত হয়েছিল?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত সুপারিশমালার সাথে তোমার পঠিত কোন বিষয়ের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
ভারতীয়দের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য ১৮৮৫ সালে সর্বপ্রথম এ উপমহাদেশে একটি রাজনৈতিক দলের উদ্ভব ঘটে। এ দলটি একটি সম্প্রদায়ের দাবি-দাওয়া আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা রাখলেও অন্য একটি সম্প্রদায়ের লোকজন বঞ্চিত হতে থাকে। পরবর্তীতে বঞ্চিত সম্প্রদায় তাদের স্বার্থ এবং দাবি-দাওয়া পূরণের উদ্দেশ্যে আরো একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। পরবর্তীতে দল দু'টির নেতৃত্বে ভারত বিভক্ত হয়ে দু'টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
ক. যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষিমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ. বারাসাত বিদ্রোহ বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে কোন কোন রাজনৈতিক দলের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ভারত বিভক্তিতে উক্ত দল দু'টির ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
বিদেশি শাসনাধীন কোনো একটি রাষ্ট্রে দু'টি প্রধান সম্প্রদায় বাস করে। প্রায়ই তাদের মধ্যে বিরোধ লেগে থাকে। শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েও সরকার ব্যর্থ হয়। দেশটি বিভক্ত করাই সমাধান ভেবে সরকার পার্লামেন্টে একটি আইন পাশ করে। আইনটিতে দু'টি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়।
ক. পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের গভর্নর কে ছিলেন?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন আইনের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
বক্তঙ্গভঙ্গ রদ এবং নেহেরু রিপোর্ট প্রকাশিত হলে মুসলমান নেতৃবৃন্দ হতাশ হয়ে পড়েন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচন এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্ব ঘোষণা হলে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা শুরু হয়। ফলে মুসলমান নেতৃবৃন্দ মনে করেন তাদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র প্রয়োজন। মুসলমান নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে একজন মহান নেতা এ লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল।
ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ. 'লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বি-জাতি তত্ত্ব'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে যে ঐতিহাসিক প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে তার মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।
ঘ. তুমি কি মনে কর, উক্ত প্রস্তাবের মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
'ক' নামক রাষ্ট্রটি দীর্ঘদিন বিদেশি শাসকগোষ্ঠী দ্বারা শাসিত হয়েছে। দেশটিতে দুটি বৃহৎ ধর্মীয় সম্প্রদায় বাস করে। বিদেশি শাসকগোষ্ঠী দেশটির জনগণকে খুশি করার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের আইন প্রণয়ন করেন। কিন্তু কোন আইনই ধর্মীয় সম্প্রদায় দুটিকে পুরোপুরি খুশি করতে পারেনি। দেশটির দুটি সম্প্রদায়ই স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে। এমতাবস্থায় শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রটির স্বাধীনতা প্রদানের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করেন। এ আইনের ফলে শাসকগোষ্ঠী 'ক' রাষ্ট্রটিকে দুটি স্বাধীন ভাগে ভাগ করে
ক. মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য সংখ্যা ছিল কত জন?
খ. দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনের সাথে তোমার পঠিত যে আইনের সাদৃশ্য রয়েছে তার বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখো।
ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তোমার পাঠ্যবইয়ের আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
আব্বাস দৈনিক সমকালে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ পড়ে ভারতবর্ষের প্রথম রাজনৈতিক দল সম্পর্কে জানতে পারে। ঐ দল প্রতিষ্ঠার পটভূমিও সে জানতে পারে। সে আরো জানতে পারে প্রতিষ্ঠালগ্নে দলটির উদ্যোক্তাগণ ঘোষণা করেন যে, ইংরেজ শাসনের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখাই হবে দলটির মূল ভিত্তি।
ক. বাংলার প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
খ. দ্বি-জাতি তত্ত্ব কী? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আব্বাস যে দলের কথা জানতে পেরেছে, সেটি প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করো ।
ঘ. “ইংরেজ শাসনের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখাই হবে দলটির মূলভিত্তি”— দলটির এ ঘোষণা কীভাবে বাস্তবরূপ লাভ করেছিল। তা বর্ণনা করো ।
নাগরিকের অধিকতর সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে দু’ভাগে ভাগ করে। ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন’ ও ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন’ নামে পৃথক দুটি সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত করে।
ক. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয় কখন?
খ. দ্বৈত-শাসন বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন ঐতিহাসিক ঘটনার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনার মূলে ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে নস্যাৎ করা—বিশ্লেষণ করো ।