Questions in this chapter
এশিয়া মহাদেশের একটি অঞ্চলে ঔপনিবেশিক সরকার প্রায় দুইশত বছর শাসন ও শোষণের পর উক্ত অঞ্চলের জনগণের দাবি ও আন্দোলনের ফলে বাধ্য হয়ে একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ঐ অঞ্চলটিকে দুইটি রাষ্ট্রে বিভক্ত করে স্বাধীনতা দেয়।
ক. লাহোর প্রস্তাব উপস্থাপন করেন কে?
খ. ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা। করো।
গ. উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উল্লিখিত আইনটি ত্রুটিমুক্ত ছিল না' তুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
‘ক’ রাষ্ট্রের জনগণ পরাধীন ছিল। শাসকগোষ্ঠী প্রায় ২০০ বছর রাষ্ট্রটিকে শাসন করতে যেয়ে সময়ে সময়ে শাসনতান্ত্রিক আইন প্রণয়ন করত। এই রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন দ্বারা ঐ রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান এবং কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তিত হয়। সর্বশেষ আইনটির মাধ্যমে রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা অর্জন করে।
ক. ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের কয়টি প্রদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
খ. লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আইনটির সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত সর্বশেষ আইনটির সাথে মিল রয়েছে তোমার পঠিত বইয়ের এমন আইনটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
‘B’ অঞ্চলটি এক সময় স্বাধীন ছিল। অঞ্চলটিতে দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। একটা সময় অঞ্চলটিতে বিদেশি শক্তি উপনিবেশ স্থাপন করে। ফলে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়। এ সকল সংকট সমাধানে ঔপনিবেশিক সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এক সময় একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলের নেতা জনাব ‘R’ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সমস্যা নিরসনের জন্য। একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিধান রেখে একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
ক. ‘তমদ্দুন মজলিস’ কত সালে গঠিত হয়?
খ. গণপরিষদ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে জনাব ‘R’ কর্তৃক পেশকৃত প্রস্তাবটি তোমার পঠিত কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে জনাব ‘R’ কর্তৃক পেশকৃত কর্মসূচির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচির তাৎপর্য উপমহাদেশের রাজনীতির প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ করো।

ক. দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
খ. দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে যে আইনের কথা বলা হয়েছে তার দুটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উক্ত আইনে প্রবর্তিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করো।

ক. মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার নেতৃত্ব দেন কে?
খ. ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের ফলাফল ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের চিত্র প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে উক্ত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
‘ক’ ঔপনিবেশিক দেশের একটি রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয় নেতা। তিনি তাঁর দলের সম্মেলনে নিজস্ব জনগণের জন্য ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁর প্রস্তাবের মধ্যে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ইঙ্গিত ছিল।
ক. অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
খ. ‘দ্বি-জাতি’ তত্ত্ব বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে যে প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে তার মূল বক্তব্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে ‘স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল’— বিশ্লেষণ করো।
জনাব হক সাহেব ছিলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম রাজনীতিবিদ। দরিদ্র সর্বশ্রেণির মানুষের মুক্তির জন্য তিনি রাজনীতি করতেন। তিনি তাঁর ধর্মের অনুসারীদের জন্য পৃথক আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁর দলের বার্ষিক সম্মেলনে এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব পেশ করেন। উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে একাধিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও ইঙ্গিত ছিল ।
ক. ‘ছয় দফা’ কে পেশ করেন?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?
গ. জনাব হক সাহেবের প্রস্তাবের সাথে পঠিত কোন প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে? উক্ত প্রস্তাবের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।
ঘ. “উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল”— তুমি কি একমত? বিশ্লেষণ করো।
‘ক’ রাষ্ট্রের জনগণ দীর্ঘদিন যাবত স্বাধীনতার জন্য ঔপনিবেশিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছিল। অবশেষে তাদের গণ-আন্দোলনের চাপে বাধ্য হয়ে শাসকগোষ্ঠী ১৯০ বছর পর দেশটিকে দুভাগে বিভক্ত করে, পৃথক দুটি রাষ্ট্রের জন্ম দিয়ে দেশ ত্যাগ করে ।
ক. ৩রা জুন পরিকল্পনা কত সালে সংঘটিত হয়?
খ. মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সাদৃশ্য রয়েছে? উক্ত আইনের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
ব্রিটিশ ভারতের একজন বরেণ্য রাজনীতিবিদ একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাবলির মাধ্যমে দু'টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
ক. ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল কত সালে?
খ. মৌলিক অধিকার কেন প্রয়োজন?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রস্তাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তোমার পঠিত বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. তোমার পঠিত উক্ত প্রস্তাবে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল— উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন প্রণয়ন করে। এই আইনের মাধ্যমে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে ও দু'টি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।
ক. গণতন্ত্রের মানসপুত্র কাকে বলা হয়?
খ. যুক্তফ্রন্ট বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত আইনের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন আইনের সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

ক. ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে হন?
খ. লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য কী ছিল?
গ. উদ্দীপকে ‘খ’ নং আইনের সাথে তোমার পঠিত বইয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে ‘ক’ নং আইনে প্রবর্তিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করো।
বিদেশ শাসনাধীন একটি রাষ্ট্রে প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পর দু'টি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক তিক্ততা বৃদ্ধি পায়। এরূপ অবস্থায় একজন রাজনৈতিক নেতা বিদেশি শাসকগোষ্ঠী নিকট একটি প্রস্তাব পেশ করেন। প্রস্তাবে তার নিজ সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক রাষ্ট্রসমূহের দাবি জানানো হয় ।
ক. পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান কত সালে প্রণীত হয়?
খ. ছয় দফাকে কেন বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রস্তাবের সাথে তোমার পঠিত কোন প্রস্তাবের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল— বিশ্লেষণ করো।
পৌরনীতির শিক্ষক ক্লাসে বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে ব্রিটিশরা। ভারতীয় উপমহাদেশে দুটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের চিন্তাভাবনা করতে থাকেন। এমতাবস্থায় ঐতিহাসিক নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনে জনাব ‘ক’ মুসলমানদের অধিকার সম্বলিত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের ফলে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়।
ক. যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক কী ছিল?
খ. দ্বৈত শাসন কী? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতদানকারী প্রস্তাবটির বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা করো।
ঘ. উক্ত প্রস্তাবটির মধ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
হারুন স্যার ‘ক’ রাষ্ট্রের শোষণের ইতিহাসের আলোচনামা বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে এক যুগান্তকারী আইনের মাধ্যমে দু'টি ডোমিনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। ডোমিনিয়ন দু'টিতে একজন করে গভ জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়, ভারত সচিব পদের অবসান হয়, ভারতে সম্রাট পদবি বিলুপ্ত হয়।
ক. দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কী? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ব্রিটিশ ভারতের কোন আইনের চিত্র প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন রাজনীতিতে উদ্দীপকের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আইনের তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

ক. পাকিস্তানে প্রথম সংবিধান রচিত হয় কত সালে?
খ. দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে ‘?’ চিহ্ন ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তার কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে সাদৃশ্যপূর্ণ আইন প্রবর্তনের ফলে ব্রিটিশ ভারতের শাসন ব্যবস্থায় কী প্রভাব পড়েছিল বলে তুমি মনে করো?
একটি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র ‘ক’ এর দুটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল ‘প’ ও ‘ম’ স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছে। ‘ম’ দল এক সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সম্প্রদায় অধ্যুষিত সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলসমূহ নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ গঠনের প্রস্তাব করে।
ক. ক্রীপস মিশনের সদস্য সংখ্যা কত?
খ. দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ‘ম’ দলের প্রস্তাব তোমার পাঠ্যবইয়ের যে প্রস্তাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার বৈশিষ্ট্যগুলো লেখো।
ঘ. উক্ত প্রস্তাবের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল— তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

ক. ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
খ. দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায় ?
গ. উদ্দীপকে প্রশ্নচিহ্নিত (?) স্থান তোমার পঠিত কোন আইনকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে প্রশ্নচিহ্নিত (?) আইনে কেন্দ্রের প্রধান শাসকের ভূমিকা মূল্যায়ন করো ।

ক. পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করেন কে?
খ. যুক্তফ্রন্ট বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের ছকটি তোমার পঠিত ব্রিটিশ-ভারতের কোন সাংবিধানিক ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের ছকে নির্দেশিত সাংবিধানিক ঘটনাটির কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করো।
ভারতীয়দের স্বায়ত্তশাসনের দাবির মুখে এবং পর্যায়ক্রমে অধিকতর দায়িত্বশীল সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন পাস করা হয় ।
ক. কোন আইনের মাধ্যমে ভারতে কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে?
খ. স্বদেশি আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে কোন আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? এর প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
ঘ. উক্ত আইনের মাধ্যমে দায়িত্বশীল সরকার কতটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছিল? আলোচনা করো।
ভারতবর্ষের শাসনতান্ত্রিক জটিলতার নিরসনকল্পে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে। ১৯১৯ সালে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়কে দু’ভাগে বিভক্ত করে পরিচালনা করে। এখানে প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ছিল মূলত গভর্নরের হাতে। ১৯৩৫ সালে আবার তা বাতিল করে প্রদেশের নিজস্ব শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। হয় । এ আইনে প্রাদেশিক আইনসভার সর্বময় কর্তৃত্বের কথা বলা হলেও বাস্তবে গভর্নর জেনারেল, ভারত সচিব এবং প্রাদেশিক গভর্নরের প্রাধান্য বিদ্যমান ছিল।
ক. কত সালের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়?
খ. খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের প্রথমাংশে ইঙ্গিতকৃত ব্যবস্থাটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. তত্ত্বগতভাবে উদ্দীপকের শেষাংশে উল্লেখিত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও বাস্তবে তা কতটুকু কার্যকরী ছিল বলে তুমি মনে কর? যুক্তিসহ লেখো।