Questions in this chapter
জমির প্রান্তিক কৃষক। সনাতন চাষ পদ্ধতি, অদক্ষ পরিদর্শন ব্যবস্থা এবং ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে যে ফসল উৎপাদন হয় তার সাহায্যে জীবিকানির্বাহ কঠিন। ফলে কৃষিকাজের জন্য ফসলের বীজ, কীটনাশক ও সার ক্রয়ের জন্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু- বান্ধব ও বিভিন্ন এনজিও এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সুদে ঋণ নিতে হয়। যার ফলে তার আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয় না। ক. জীবননির্বাহী খামার কী? খ. কৃষক দরিদ্র তাই ফসল বিপণনের সমস্যাও বেশি — ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে জমিরের কৃষি খামারের বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি নির্ণয় করো। ঘ. জমিরের গৃহীত ঋণের উৎসগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
সুমন শিক্ষিত চাষি। পূর্বে তার জমি থেকে পর্যাপ্ত উৎপাদন হতো না। কিন্তু বর্তমানে সুমন ঐ জমিতে সারাবছরই বিভিন্ন শস্য ও সবজি উৎপাদন করেন। এছাড়া তিনি উন্নত যন্ত্রপাতি, বীজ এবং তথ্য প্রযুক্তির সমন্বয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাই আরও এক বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে ফসল, শস্য ও সবজি চাষের পরিধি বাড়াবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ক. কৃষি কী? খ. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি কৃষির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে'- ব্যাখ্যা করো। গ. সুমনের একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের শস্য চাষাবাদ কোন ধরনের উৎপাদন পদ্ধতি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শস্য বহুমুখীকরণের প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
সুজনের পিতা একজন প্রান্তিক কৃষক। সুজন এমএ পাস করে চাকরির পিছনে না ঘুরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে পেয়ারার চাষ করে। এজন্য সে এনজিও থেকে ঋণ নিল । কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নেয়ায় সুজনের পেয়ারার ফলনও খুব ভালো হলো। কিন্তু অধিক পরিবহন ব্যয়, বাজার তথ্যের অভাব, দালাল ফড়িয়া, সংরক্ষণের অভাব ইত্যাদি সমস্যার কারণে সে পেয়ারার ন্যায্যমূল্য পেলন না।
ক. কৃষিঋণ কী? খ. কৃষি কি জাতীয় উন্নয়নে সহায়ক? গ. উদ্দীপকের আলোকে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে কৃষকেরা কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে কৃষিপণ্য বিপণনের সমস্যা সমাধানে সরকারের কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার বলে তুমি মনে করো?
রাইয়ান মিয়া একজন সাধারণ কৃষক। সে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জানতে পারল যে, একই জমিতে ফসল উৎপাদন না করে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। বর্তমানে সে একই জমিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন শুরু করল।
ক. জৈব প্রযুক্তি কী? খ. কৃষিতে উন্নত বীজের ব্যবহার কর্মসংস্থানকে কীভাবে প্রভাবিত করে? গ. উদ্দীপকে ফসল উৎপাদনের কোন বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. কৃষির উন্নয়নে শস্য বহুমুখীকরণে কোন ধরনের প্রভাব রয়েছে বলে তোমার মনে হয়? মতামত দাও।
রনি মিয়া একজন দরিদ্র কৃষক। সে কৃষিকাজের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। সে ১ম বছর বেশি সুদে অল্প সময়ের মধ্যে গ্রাম্য মহাজনের নিকট থেকে ঋণ গ্রহণ করে। ২য় বছর অল্প সুদে কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে বেশি সময় লেগে যায় আইনি প্রক্রিয়ার কারণে। ক. কৃষি খামার কী? খ. বাংলাদেশের কৃষি কি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে রনি মিয়া বেশি সুদে যেখান থেকে ঋণ গ্রহণ করে তা ঋণদানের কোন ধরনের উৎস? উৎসগুলো চিহ্নিত করো । ঘ. উদ্দীপকে রনি মিয়ার ১ম বছর ও ২য় বছরের ঋণের মধ্যে কোন ঋণের উৎসটি তুলনামূলক সুবিধাজনক? তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
খুলনার মৎস্যজীবী নজরুল সাহেব দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য চাষ করেন। তিনি চিংড়ি মাছ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন? গ. 'নজরুল সাহেবের উৎপাদিত চিংড়ি মাছ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে'- ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চিংড়ি চাষ কী ভূমিকা রাখছে বলে তুমি মনে করো?
জসিম ও আয়নাল দু'জনই কৃষক। তবে তাদের চাষাবাদের প্রকৃতি ও ফসলের ব্যবহারে ভিন্নতা আছে। জসিম জমি চাষ করে শুধু পারিবারিক চাহিদা পূরণ করতে পারে কিন্তু আয়নাল পারিবারিক চাহিদা পূরণের পরও উৎপাদিত ফসলের বেশির ভাগই বিক্রি করে দেয়। ফলে আয়নাল ধীরে ধীরে উন্নতি লাভ করতে পারে।
ক. কৃষি কী? খ. মৌমাছি পালন কৃষিকাজ কেন? গ. জসিম যে ধরনের চাষাবাদ করে তার বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখো। ঘ. আয়নালের চাষাবাদ পদ্ধতি জসিমের চেয়ে উন্নততর- বিশ্লেষণ করো।
জলিল মিয়া অক্লান্ত পরিশ্রম করে ফসল উৎপাদন করে। কিন্তু উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য সে পায় না। আর এজন্য মূলত মধ্যস্বত্বভোগী, পণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন ব্যবস্থা দায়ী। সম্প্রতি সে টেলিভিশনের মাধ্যমে জানতে পারে অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষিঋণ, উপকরণ ভর্তুকি ইত্যাদি সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সরকার কৃষকদের সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ক. কৃষিজোত কী? খ. সমবায় গঠন কীভাবে কৃষি উন্নয়নে সহায়তা করে? গ. জলিল মিয়া উৎপাদিত পণ্যের উপযুক্ত দাম পায় না কেন তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার সমাধান করার জন্য সরকারের পদক্ষেপের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
জনাব মালেক একজন কৃষি কর্মকর্তা। তিনি কৃষি উন্নয়ন সম্পর্কে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, কৃষক সহায়তা কর্মসূচি, কৃষি বিমার প্রচলন এবং কৃষিপণ্যের বিপণন ।
ক. যৌথ খামার কী? খ. মধ্যস্বত্বভোগীরা কৃষকের ফসলের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করে কেন? গ. জনাব মালেক সাহেবের পরামর্শে বাংলাদেশের কৃষি, কাঠামোর যে বিষয়গুলো ফুটে উঠেছে উদ্দীপকের আলোকে তার বর্ণনা দাও। ঘ. তার পরামর্শের বাইরেও কৃষি কাঠামোর কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত — তোমার মতামত দাও।

ক. শস্য বহুমুখীকরণ বলতে কী বোঝ? খ. কৃষি জাতীয় উন্নয়নে সহায়তা করে— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে একটি স্তম্ভচিত্র অঙ্কন করো। ঘ. কৃষির যে পরিবর্তনের ধারা উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অবদান মূল্যায়ন করো।
রমিজ মিয়া একজন সাধারণ অশিক্ষিত কৃষক। তিনি তার নিজের জমি সনাতন পদ্ধতিতে চাষ করেন। এতে বেশি ফসল পান না। টেলিভিশনে তিনি কৃষির ওপর একটি প্রতিবেদন দেখে জানতে পারেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বেড়েছে। এতে খাদ্য ঘাটতি সমস্যার সমাধান হয়েছে।
ক. কৃষিজোত কী? খ. বাংলাদেশের কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রযুক্তি চিহ্নিত করো এবং বাংলাদেশের কৃষিতে উৎপাদনের ওপর তার প্রভাব আলোচনা করো। ঘ. বাংলাদেশে উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পথে বাধাসমূহ বিশ্লেষণ করো।

ক. কৃষি খামার কী? খ. চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' দেশের কৃষকদের সমস্যা চিহ্নিত করে আলোচনা করো। ঘ. আরও কী কী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে 'A' দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে 'B' দেশের পর্যায়ে উন্নতি করা যায়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
করিম মিয়া তিস্তা নদীর চরে বসবাস করেন। তিনি তার জমিতে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষাবাদ করেন। জমির উর্বরতার কারণে প্রচুর শাকসবজি উৎপন্ন হয়। কিন্তু দারিদ্র্য, সংরক্ষণের সমস্যা এবং শহরে যাওয়ার রাস্তা ভালো না থাকায় তিনি তার সবজি কম দামে দালালদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হন।
ক. কৃষির উপখাতগুলো কী কী? খ. চিংড়িকে সাদা সোনা বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে করিম মিয়ার সবজি কম দামে বিক্রি করার কারণগুলো ব্যাখ্যা করো। ঘ. করিম মিয়ার এসব সমস্যা সমাধানের উপায় বিশ্লেষণ করো।
রহিম মিয়া চরাঞ্চলের একজন কৃষক। পূর্বে তার জমি থেকে প্রাপ্ত ফসল নিজের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করতে পারত। কিন্তু বর্তমানে অপরিকল্পিত শিল্প কারখানা স্থাপন ও অন্যান্য কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইড, সি.এফ.সি ও মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, খরা, জলোচ্ছ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে রহিম মিয়ার ফসলের উৎপাদন পূর্বের তুলনায় অনেক কম হচ্ছে।
ক. কৃষি ঋণ কী? খ. কৃষকেরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কম পায় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণগুলো ব্যাখ্যা করো। ঘ. রহিম মিয়ার সমস্যা সমাধানে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে তুমি মনে করো?
সিরাজ মিয়া একজন দরিদ্র কৃষক। অভাবের সংসারে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সামান্য জমি ছাড়া আর কোনো সম্পদ তার নেই। তাই কৃষিকাজ করার সময় তাকে ধানের বীজ, কীটনাশক ও সার ক্রয়ের জন্য স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে উচ্চ হারে সুদে টাকা ধার নিতে হয়।
ক. কৃষি খামার কী? খ.মাশরুম কি ঔষধি সবজি? ব্যাখ্যা করো? গ. উদ্দীপকে সিরাজ মিয়া কৃষিকাজের জন্য কোন ধরনের উৎস থেকে পাণ গ্রহণ করে তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. তুমি কি মনে করো উদ্দীপকে উল্লিখিত উৎস কৃষি ঋণের জন্য পর্যাপ্ত? বিশ্লেষণ করো।
'B' একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের প্রায় ৭৫% জনসাধারণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষি ব্যবস্থা এখনও উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল নয়। এর অন্যতম কারণ হলো এখানকার কৃষি পরিবেশ দূষণের শিকার। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ুর পরিবর্তন, কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার কৃষি পরিবেশকে দূষিত করছে। ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় দেশটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন নীতি, চুক্তি ও প্রটোকলে স্বাক্ষর করাসহ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিতে পরিবেশ দূষণের সাথে অভিযোজনের জন্য। উল্লিখিত পদক্ষেপের সাথে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষি পরিবেশকে সংরক্ষণ করতে হবে, তবেই সফলতা আসবে।
ক. পরিবেশ দূষণ কী? খ. কৃষকরা ঋণ গ্রহণ করে কেন? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপক অবলম্বনে কৃষিতে, পরিবেশ দূষণের প্রভাব ব্যাখ্যা করো। ঘ. 'জনগণের সচেতনতা কৃষি পরিবেশকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে তুমি কি একমত? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
কালামের দেশের কৃষি চারটি উপখাতের সমন্বয়ে গঠিত উপাখাতে যথাক্রমে-- শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ বনজসম্পদ। সাম্প্রতিক সময়ে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান নিম্নরূপ:

উল্লিখিত তথ্যে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ক্রমান্বয়ে কমছে। দেশে দ্রুত শিল্প খাতের বিকাশ ও কৃষির প্রকৃতি নির্ভরতাকে জিডিপিতে কৃষি পাতের অবদান কমে যাওয়ার কারণ বলে অনেকের ধারণা। কিন্তু দেশের GDP তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ত্বরান্বিত করতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি জরুরি। আবার শিল্প খাতের দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাঁচামালের যোগানদাতা হিসেবে কৃষি খাতের উন্নয়ন অপরিহার্য।
ক. মিশ্র খামার কী? খ. সনাতনি কৃষি কাঠামো বলতে কী বোঝা? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কালামের দেশের জিডিপিতে কৃষি উপখাতের অবদান লেখচিত্রে প্রকাশ করো। ঘ. বাংলাদেশের GDP এর প্রবৃদ্ধির জন্য কৃষি খাতের কোন উপখাতের গুরুত্ব বেশি উদ্দীপকের আলোকে তোমার মতামত দাও।
জামাল একজন সবজি চাষি। এ বছর দেশে আলুর সংকট থাকায় সে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, গ্রামীণ ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকের নিকট থেকে ঋণ গ্রহণ করে নিজস্ব জমিসহ চুক্তিতে জমি নিয়ে আলু চাষ করে। আলু চাষে সে ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কৃষি তথ্য সেবা কেন্দ্রের সহায়তা নিয়ে উৎপাদনে যেমন সফলতা পায়, তেমনি উৎপাদিত ফসলের বাজার সম্পর্কেও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে লাভবান হয়।
ক. কৃষিজোত কী? খ. উচ্চ ফলনশীল বীজ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কৃষি ঋণের উৎসসমূহ ব্যাখ্যা করো ঘ. কৃষিতে ICT ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ বর্তমানে মধ্যম আয়ের দেশ। বিভিন্ন খাতের মতো কৃষির অবদান যথেষ্ট। আগে অধিকাংশ জমি ছিল এক ফসলি। এখন কোনো জমি পতিত নেই। প্রতিটি জমিতে বছরে তিন/চার ফসলও উৎপন্ন হয়। আলুর সাথে মিষ্টিকুমড়া ও ভুট্টা হয়। ফলে কৃষকের আয় বাড়ছে, নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়ছে, কৃষকের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। সরকার ও কৃষকের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বীজ, কীটনাশক সরবরাহ করে কৃষকদের সহায়তা করছে।
ক. কৃষি প্রযুক্তি কী? খ. বাণিজ্যিক ও জীবননির্বাহী খামারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পার্থক্য লেখো । গ. উদ্দীপকের আলোকে শস্য বহুমুখীকরণের সুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. শস্য বহুমুখীকরণে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কি যথেষ্ট? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
মি. 'X' কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলো। বেশ কয়েক বছর পর সে দেশে ফিরে আসে। সে দেখে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময়মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। সেচ ছাড়া কোনো ফসল হয় না। সময়ে, অসময়ে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হয়। সে মনে করে কৃষক সচেতন হলে, জৈব সার ব্যবহার করলে ও রাসায়নিক সার কম ব্যবহার করলে হয়তো এসব সমস্যা হ্রাস পেতে পারে।
ক. কৃষি খামার কী? খ. বাংলাদেশের কৃষি মৌসুমি বায়ুর ওপর নির্ভরশীল'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে কৃষিতে পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব আলোচনা করো। ঘ. পরিবেশ দূষণের সাথে অভিযোজনের জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।