Questions in this chapter
বাংলাদেশ বিগত তিন দশক পূর্ব থেকে চামড়া, ঔষধ, চা, পাট, হিমায়িত মাছ, ফুল, ফল ও তাজা সবজি রপ্তানি করছে।
বাংলাদেশের সরকার রপ্তানি পণ্যের তালিকায় আরো পণ্য যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
ক. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কাকে বলে?
খ. 'Tax Holiday' রপ্তানিমুখী শিল্প বিকাশে সহায়ক'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যের তালিকা তৈরি করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতিতে সরকারের আর কোন কোন উদ্যোগ তুমি সুপারিশ করবে? ব্যাখ্যা করো।
বর্তমানে বিশ্বের শ্রম বাজার, শ্রমিক সম্পর্ক ও শ্রম স্থানান্তর দ্রুত পরিবর্তনশীল। দেশে দেশে সম্পদের ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ, মানবাধিকার,
গণতন্ত্র, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, লিঙ্গ সম্পর্ক ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তনের ঢেউ।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী?
খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন সংঘটিত হয়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতি দ্বারা আন্তর্জাতিকীকরণের কোন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কীভাবে প্রভাবিত করে? বিশ্লেষণ করো।
বিশ্বায়ন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া, যা অধিক জনগণের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়াকে বোঝায়।
এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে ব্যবসায় সম্প্রসারণ ও বাজার গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।
তবে এর প্রভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কী?
খ. আমদানি বৃদ্ধি কীভাবে বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি সৃষ্টি করে?
গ. উদ্দীপকের আলোকে বিশ্বায়নের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বিশ্বায়নের ফলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর উৎপাদন খাত কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছে? ব্যাখ্যা করো।

ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার দুটি কারণ ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো। ঘ. উদ্দীপকে ২০১১-১২ অর্থবছরে রপ্তানি ও আমদানি বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে কি না তা বিশ্লেষণ করো।
মারুফ দীর্ঘদিন যাবৎ জাপানে অবস্থান করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি দেশে এসেছেন। গ্রামে এসে তিনি একটি বিষয় লক্ষ করলেন, গ্রামের অবস্থা আর পূর্বের মতো নেই। গ্রামে বিদ্যুৎ এসেছে, রঙিন টিভি ও ডিসলাইন এসেছে। মানুষ চায়ের দোকানে বসে চা পানের সাথে সাথে টিভির বিভিন্ন চ্যানেলের সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের আচার- অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ পাচ্ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশের বাইরে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন ও ছোটোখাটো ব্যবসা পরিচালনা করছে। এতে মারুফ আনন্দিত ও আশান্বিত।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কী? খ. কেন, অধিক রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপন করা প্রয়োজন? গ. “সাম্প্রতিক সময়ে সমাজের এই পরিবর্তনকে অর্থনীতির পরিভাষায় কী নামে চিহ্নিত করা যায়?” তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে এদেশের অর্থনীতিতে বিষয়টির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
রহিম সাহেব সুন্দরবন থেকে মধু সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। অন্যদিকে নিজাম সাহেব সিরামিক ফ্যাক্টরির মালিক। তিনি দেশীয় বাজারের পাশাপাশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পণ্য বিক্রয় করেন। নিজাম সাহেবের অর্জিত আয় দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম কীভাবে রপ্তাতি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে? গ. রহিম সাহেব ও নিজাম সাহেবের বাণিজ্যের ধরন চিহ্নিত করো এবং ব্যাখ্যা করো। ঘ. নিজাম সাহেবের বাণিজ্য দেশের সম্পদ ব্যবহার, উৎপাদন বাজার সম্প্রসারণ এবং মূলধনের গতিশীলতার ওপর কী প্রভাব ফেলে? বিশ্লেষণ করো।
বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্য দেশীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সাহায্য করে। তবে বেশিরভাগ ঋণ ও সাহায্যের সাথে কঠিন। শর্ত থাকে। দাতা দেশসমূহ বিভিন্ন অজুহাতে দেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপ করে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রচুর বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্য এসেছে যার বেশিরভাগই অপচয় ও দুর্নীতি হয়েছে। তাই আমাদের উচিত বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিত্যনতুন রপ্তানিমুখী দ্রব্যসমূহ উৎপাদন করা। ফলে এদেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাবে।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকের আলোকে বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্যের ক্ষতিকর দিক উল্লেখ করো। ঘ. আমাদের দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকসমূহ আলোচনা করো।
তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার এর বর্ষভিত্তিক রপ্তানি আয়ের লেখচিত্রঃ

ক. বৈদেশিক অনুদান কী? খ. কীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উদ্ভব ঘটে? গ. বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার শিল্পের বর্ষভিত্তিক রপ্তানি আয়ের তুলনামূলক আলোচনা করো। ঘ. উদ্দীপক অনুযায়ী রপ্তানি আয়ের এ ধারা যথেষ্ট গতিশীল বলে কি তুমি মনে করো? যদি না হয় তবে কীভাবে তা গতিশীল করা যায়?
‘A’ ও ‘B’ দুটি দেশ। ‘A’ দেশ দীর্ঘদিন ধরে ‘B’ দেশ থেকে সাহায্য গ্রহণ করে আসছে। এখন 'A' দেশের কর্তৃপক্ষ অনুধাবন করতে পারছে তারা দাতা দেশ ‘B' এর ওপর নির্ভরশীল। হওয়ার পাশাপাশি দর কষাকষির ক্ষমতা লোপ পাচ্ছে। প্রতীয়মান হচ্ছে আরও নানাবিধ সমস্যা। ক. বিশ্বায়ন কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে—ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. উপরিউক্ত সমস্যা ছাড়া আরও কী কী সমস্যা হতে পারে বলে তুমি মনে করো? বর্ণনা দাও।
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বাংলাদেশে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি আয় পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৩৩,৬৭৪.০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। কিন্তু জুলাই ২০-মে ২০২১ সময়ে রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫,১৮০.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এর মধ্যে কৃষিপণ্য রাসায়নিক দ্রব্য, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, নিটওয়্যার, তৈরি পোশাক প্রভৃতি রপ্তানি পণ্যেরে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কাকে বলে? খ. একেবারে বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছুটা বাণিজ্য হওয়াও ভালো-ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত দ্রব্যগুলোকে প্রচলিত ও অপ্রচলিত এ দু'ভাগে ভাগ করো। ঘ. বাংলাদেশের রপ্তানির গতিধারা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
মি. জামিল ও মি. সোহান দুই বন্ধু। তারা দুজনই দুটি তৈরি পোশাক কারখানার মালিক। মি. জামিল যে সমস্ত পোশাক প্রস্তুত করেন তিনি সেগুলো ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে বিক্রি করেন। এ ক্ষেত্রে মি. জামিল সরকার কর্তৃক নগদ সহায়তাসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা ভোগ করেন। অন্যদিকে মি. সোহান তার তৈরি পোশাকগুলো দেশের অভ্যন্তরে বিক্রি করেন। কিন্তু তিনি সরকার কর্তৃক তেমন কোনো সুবিধা পান না ।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন? গ. মি. সোহানের বাণিজ্য কোন ধরনের বাণিজ্যের অন্তর্গত? ব্যাখ্যা করো। ঘ. মি. জামিলকে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধির সরকারি পদক্ষেপের কর্যাকারিতা মূল্যায়ন করো।
বাংলাদেশ যেসব পণ্য সচরাচর বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে আসছে সেগুলো হলো কাঁচা পাট, চা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কাগজ ইত্যাদি। সাম্প্রতিককালে রপ্তানি বাণিজ্যের গতি প্রকৃতিতে বেশ পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্নমুখী চাহিদার প্রেক্ষিতে এসব পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ বৈচিত্র্য এনেছে। নতুন এসব দ্রব্য রপ্তানির মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, হোসিয়ারি দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য, শাক-সবজি, ফলমূল ইত্যাদি। বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে এসব পণ্যের অবদান ৮৫ ভাগেরও বেশি। ইদানীং সরকার রপ্তানি বাণিজ্য অধিক সম্প্রসারণের জন্য রপ্তানিকারকদের শুল্ক কর রেয়াত, আয়কর সুবিধাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কাকে বলে? খ. উদ্বৃত্ত পণ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভিত্তি—ব্যাখ্যা করো । গ. উদ্দীপকের আলোকে প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যের একটি তালিকা প্রস্তুত করো। ঘ. বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য, সরকার কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা কীরূপ ভূমিকা রাখছে উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তিনটি পণ্যের রপ্তানি আয়ের (মিলিয়ন মার্কিন ডলারে) গতি-প্রকৃতি নিচে দেওয়া হলো— ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৫,৮৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জার্মানিতে ৫,০৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়।

বর্তমান সরকার কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন— রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পুনর্গঠন ইত্যাদি। ক. বিশ্বায়ন কী? খ. “উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল লক্ষ্য”- বুঝিয়ে লেখো। গ. উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে কাঁচা পাট, পাটজাত দ্রব্য ও জুতার গতি-প্রকৃতি স্তম্ভ- লেখচিত্রের সাহায্যে দেখাও। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো ব্যতীত আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে?—তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রাথমিক ও শিল্পজাত পণ্যের আমদানি ও রপ্তানির তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

ক. প্রকল্প সাহায্য কী? খ. “বিশ্বায়ন প্রযুক্তির বিকাশ ঘটায়”-ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপক থেকে আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের তালিকা তৈরি করো। ঘ. উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ করো।
‘A’ দেশ তার সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা নিজ দেশের মধ্যে বিনিময় করে। 'B' দেশ তার উৎপাদিত পণ্য ও সেবা নিজ দেশ ও প্রতিবেশী দেশসমূহের মধ্যে বিনিময় করে থাকে। এতে ‘B’ দেশ তার সম্পদের উত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি করতে পারে এবং অনুৎপাদিত পণ্য আমদানি করতে পারে। ফলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়। ক. বিশ্বায়ন কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ফলে একচেটিয়া প্রভাব হ্রাস পায়- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে ‘A’ ও ‘B’ দেশে কোন ধরনের বাণিজ্য বিদ্যমান? ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ‘B’ দেশের বাণিজ্যের গুরুত্ব আলোচনা করো।
একটি দেশ তার জরুরি প্রয়োজনে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে খাদ্য, ওষুধ, প্রকল্প, দান, অনুদান, ঋণ, আর্থিক ও কারিগরি যেকোনো ধরনের সাহায্য গ্রহণ করতে পারে। যাকে বৈদেশিক সাহায্য বলে। তবে এ ধরনের সাহায্য কঠিন শর্তযুক্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে সুদের হার উচ্চ হয়, যাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দাতার স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যবহার হয় এবং গ্রহীতা দেশকে পরনির্ভরশীল করে রাখে। অন্যদিকে বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদের কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, স্বাধীনভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায় এবং বৈদেশিক নির্ভরশীলতা হ্রাসের মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা যায় ।
ক. বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে ভোক্তারা কীভাবে উপকৃত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণের পূর্বে কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. “বৈদেশিক সাহায্য নয়; বৈদেশিক বাণিজ্যই একটি দেশকে আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করে।”—উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিধারা পরিবর্তনে নিম্নের দ্রব্য-সামগ্রীগুলো ভূমিকা রাখে— খাদ্যশস্য, তৈরি পোশাক, ভোজ্য তেল, কাঁচা পাট, তুলা, চা, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, মূলধনী দ্রব্য, জুতা, সিরামিক সামগ্রী, চামড়া, সার, ক্লিংকার, কাগজ, হিমায়িত দ্রব্য-সামগ্রী ইত্যাদি।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. পৃথক মুদ্রাব্যবস্থা কীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করে? গ. উদ্দীপকের তথ্য থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি ও আমদানি পণ্যসমূহের বিবরণ দাও । ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যগুলোকে চিহ্নিত করো এবং দেখাও যে, এগুলো দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সামিহা তার অর্থনীতি ক্লাস থেকে জানতে পারে যে, একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বৈদেশিক বাণিজ্য, নাকি বৈদেশিক সাহায্য বেশি ভূমিকা রাখে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ফলে একটি দেশের বিনিয়োগ কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। সে এ বিষয়ে স্যারের সাথে একমত হয় যে, বৈদেশিক সাহায্য দীর্ঘমেয়াদে পরনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করে কিন্তু বৈদেশিক বাণিজ্য এরূপ ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে না ।
ক. সংরক্ষণ বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার শর্তগুলো কী? গ. উদ্দীপকের আলোকে একটি দেশের অর্থনৈতিক বৈদেশিক বাণিজ্য কীভাবে ভূমিকা রাখে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে তুমি কি মনে করো অর্থনৈতিক উন্নয়নে বৈদেশিক সাহায্যের চেয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যই অধিক কার্যকর? ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশে জুতা, সিরামিক সামগ্রী, কাঁচা পাট, হিমায়িত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য, তৈরি পোশাক, সবজি, ফলমূল, কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ইত্যাদি রপ্তানি করে। সাম্প্রতিকালে বাংলাদেশের অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানি ক্রমশ বাড়ছে। সরকার রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য কর অবকাশ, বিশেষ সুবিধা, রপ্তানি ঋণ, ইপিজেড স্থাপন, বাণিজ্য মেলার আয়োজন ও অংশগ্রহণ ইত্যাদি বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কাকে বলে? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন হয়? গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যের পৃথক তালিকা প্রস্তুত করো । ঘ. রপ্তানি বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলো কতটুকু কার্যকর বলে তুমি মনে করো? মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
একসময় বাংলাদেশ শুধু কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চা, চামড়া, নিউজপ্রিন্ট কাগজ ইত্যাদি রপ্তানি করতো। বর্তমানকালে রপ্তানি বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতিতে পরিবর্তন সাধিত হওয়ায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, সিরামিক, শাক-সবজি, তাজা ফুল, হোসিয়ারি দ্রব্য, হস্তশিল্প ইত্যাদি নানবিধ দ্রব্য রপ্তানি করছে। ফলে দেশের অর্থনীতি ক্রমশ শক্তিশালী। হচ্ছে। তথাপি মেট্রোরেল প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট এবং দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করার জন্য বিভিন্ন রকম কঠিন শর্ত মেনে বাংলাদেশ সরকার বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করছে।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লিপ্ত দেশের উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় কেন? গ. উদ্দীপক হতে প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহের তালিকা তৈরি করো। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বৈদেশিক সাহায্য এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মধ্যে কোনটি অধিক প্রয়োজনীয়? বিশ্লেষণ করো।