Questions in this chapter
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ফলে—
কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
বিশ্বায়ন বলতে কী বোঝায়?
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বৃহৎ বাজার কোনটি?
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান ক্রেতা কোন দেশ?
বিশ্বায়নের সুবিধা কী?
বিশ্বায়নের যুগে নতুন অর্থনীতি বিকাশে কার ভূমিকা মুখ্য?
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পায়?
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পন্ন হওয়ার জন্য আবশ্যক হলো—
i. দুটি দেশ ও একটি পণ্য
ii. দুটি দেশ ও দুটি পণ্য
iii. দুটি দেশ ও একই মুদ্রাব্যবস্থা
নিচের কোনটি সঠিক?
জনাব জামিল মধুপুরের আনারস দেশের বিভিন্ন শহরে নিয়ে বিক্রয় করেন। তার ভাই রাজিব যে শিল্প কারখানায় চাকরি করেন সেখানকার উৎপাদিত পণ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে দেশের সর্বাধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, দেশীয় শ্রমের ব্যবহার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ক. FDI-এর পূর্ণরূপ লেখো।
খ. "তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন ও প্রসার বিশ্বায়নে সহায়ক" -ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক অনুযায়ী রাজিবের বাণিজ্যের তিনটি সুবিধা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত জামিল ও রাজিবের বাণিজ্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকলে তা বিশ্লেষণ করো।
জনাব সাজু একজন খুচরা বিক্রেতা। তিনি পাবনা থেকে লুঙ্গি ক্রয় করেন এবং তা ঢাকার বাজারে বিক্রয় করেন।
অন্যদিকে তার ভাই জনাব রাজু সৌদি আরব থেকে খেজুর কিনে তা ঢাকার বাজারে বিক্রয় করেন।
ক. আমদানি কী?
খ. কাঁচাপাটকে কেন বাংলাদেশের প্রচলিত রপ্তানি পণ্য বলা হয়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব রাজুর ব্যবসাকে কোন ধরনের বাণিজ্য বলা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের আলোকে সাজু ও রাজুর বাণিজ্যের চারটি পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
জাহিদ তার শ্রেণি শিক্ষকের নিকট শুনেছে যে, কোনো দেশের উদ্বৃত্ত দ্রব্য রপ্তানি ও ঘাটতি দ্রব্য আমদানির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হয়।
অবশ্য এই বাণিজ্য চুক্তির ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশ বা জোটের মধ্যে হয়ে থাকে। এতে অবশ্য লেনদেন জনিত সমস্যা, মুদ্রা ও ব্যাংক ব্যবস্থারও ভিন্নতার মত জটিলতাও থাকে।
তবে এতে বিভিন্ন দেশের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, বাজার সম্প্রসারণ, ভোক্তার স্বার্থরক্ষা হয়ে থাকে। বিষয়টি জাহিদকে অনুপ্রাণিত করে।
ক. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?
খ. 'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশের কল্যাণ কীভাবে বৃদ্ধি পায়? সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
'A''ও 'B' দুটি দেশ। 'A' দেশ তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে দ্রব্য উৎপাদন করে এবং দেশের মধ্যেই ক্রয়-বিক্রয় করে।
'B' দেশ তার উৎপাদিত দ্রব্য নিজ দেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাজারে বিক্রয় করে এবং অন্য দেশের পণ্য নিজ দেশের জন্য ক্রয় করে।
এতে 'B' দেশের পণ্যের মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয়।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী?
খ. দুটি দেশের মধ্যে কেন বাণিজ্য সংঘটিত হয়?
গ. 'A' ও 'B' দেশের বাণিজ্যের পার্থক্য উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. অর্থনৈতিক উন্নয়নে 'B' দেশের বাণিজ্যের গুরুত্ব উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাঁচাপাট, চা, চামড়া, তৈরি পোশাক, শাক- সবজি ও হিমায়িত খাদ্যসহ বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী রপ্তানি করে।
আরার দৈশের অভ্যন্তরীণ চাহিদাপূরণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে খাদ্যশস্য, তৈলবীজ, ভোজ্যতেল ও সারসহ বিভিন্ন মূলধনী দ্রব্য আমদানি করে।
এভাবে আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে দেশটি যেমন অনুৎপাদিত দ্রব্য ভোগ করতে পারে, ঠিক তেমনি উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি করতে পারে।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী?
খ. "তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন বিশ্বায়নকে বেগবান করে" - ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক হতে প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যের একটি তালিকা প্রস্তুত করো।
ঘ. উদ্দীপকে সংঘটিত বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ? তোমার মতামত দাও।
সম্পদের উত্তম ব্যবহার, নতুন বাজার অন্বেষণ, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, রপ্তানি ঋণ বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে 'A' দেশে শিল্পজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
পণ্য উৎপাদনে 'A' দেশের প্রবৃদ্ধির ধারা নিচে প্রদর্শিত হলো:

ক. বৈদেশিক বাণিজ্য কাকে বলে?
খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য একচেটিয়া প্রভাব হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সরকার গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে প্রদত্ত সূচিতে উল্লিখিত প্রবৃদ্ধির ধারা অর্থনৈতিক উন্নয়নে কী প্রভাব ফেলবে? বিশ্লেষণ করো।
বহুকাল থেকেই বাংলাদেশ একটি আমদানি নির্ভর দেশ। প্রতি বছর দেশটির আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের থেকে বেশি হয়ে থাকে।
সম্প্রতি দেশটি প্রচলিত পণ্যের পাশাপাশি বেশ কিছু অপ্রচলিত পণ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছে।
তাছাড়া রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য বর্তমান সরকার উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি শুল্ক হ্রাস, পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন,
জ্বালানির মূল্যহ্রাস, বিভিন্ন দেশে বাণিজ্য প্রতিনিধি প্রেরণ ও বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন ইত্যাদি কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
ক. প্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য কাকে বলে?
খ. বাংলাদেশ সরকার বিলাস দ্রব্য আমদানিকে নিরুৎসাহিত করে মূলধনী দ্রব্য আমদানিতে অগ্রাধিকার প্রদান করছে কেন?
গ. উদ্দীপকে লেনদেন ভারসাম্যের ঘাটতি দূরীকরণে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সরকার গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কি পর্যাপ্ত? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য, ফলমূল ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য অন্য দেশ থেকে কিনে আনতে হয়।
অতীতে দেশটি চা, চামড়ার মতো গুটিকয়েক কৃষিপণ্য বিদেশে বিক্রি করলেও বর্তমানে তৈরি পোশাকের ন্যায় শিল্পপণ্যসহ বিচিত্র রকমের কৃষিপণ্য বিদেশে বিক্রয় করছে।
আবার শিল্পায়নের প্রয়োজনে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, লোহা, ইস্পাত ইত্যাদি বিদেশ থেকে কিনে নিয়ে আসে। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের অনেক লোক কাজ করছে যাদের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে।
ক. বিশ্বায়ন কী?
খ. আবগারি শুল্ক রপ্তানিকে কীভাবে প্রভাবিত করে?
গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের তালিকা তৈরি করো।
ঘ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিবর্তনের ধারা আলোচনাপূর্বক অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব আলোচনা করো।
জহির সাহেব অনেক দিন ধরে বাংলাদেশে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত।
তিনি লক্ষ করেন বাংলাদেশ থেকে আগে কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চামড়াজাত দ্রব্য রপ্তানি হলেও বর্তমানে তৈরি পোশাক নিটওয়্যার,
হিমায়িত খাদ্য ইত্যাদি অধিক রপ্তানি করা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে পণ্যের মান, সঠিক সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিয়েছে।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কী?
খ. দেশীয় শিল্পের উপর বিশ্বায়নের প্রভাব ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তনের ধারা লক্ষ করা যায় তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের আলোকে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে উদ্ভূত সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করো।
সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতিতে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। অতীতে আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যে শুধু পাট, চা, চামড়া প্রভৃতি কতিপয় কৃষিপণ্য নিয়ে গঠিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে রপ্তানি বাণিজ্যে এসব দ্রব্যের পাশাপাশি মাছ, তৈরি পোশাক, ফল, ফুল ও হস্তাশিল্পজাত দ্রব্যসহ আরও অনেক পণ্য সংযোজিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার রপ্তানি আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল গঠন, বিদেশে বাণিজ্য অফিস খোলা, রপ্তানি শুল্ক হ্রাসকরণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কী?
খ. কীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে সম্প্রসারণ করে?
গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের শ্রেণিবিভাগ করো।
ঘ. তুমি কি মনে করো, রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোই যথেষ্ট? মূল্যায়ন করো।
ফয়সাল সাহেব একজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী। তিনি দ্রব্যসামগ্রী দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করেন।
তিনি ব্যবসা প্রসারের জন্য সরকারের কাছে শুল্ক রেয়াত, কাঁচামাল আমদানি নীতি উদারীকরণ, আয়কর সুবিধাসহ বিদ্যুতের দাম হ্রাসের ব্যবস্থা জানান।
ক. বিশ্বায়ন কাকে বলে?
খ. 'প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ উন্নয়নের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ'- ব্যাখ্যা করো।
গ. ফয়সাল' সাহেবের বাণিজ্য কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উদ্দীপকে গৃহীত পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষণ করো।