Questions in this chapter
সমগ্র বিশ্ব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। পৃথিবীর সকল দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শিল্পখাতসহ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী এবং সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের শিল্পখাত ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়নি। শুল্ককর রেয়াত, আমদানি নীতি উদারীকরণ, ভর্তুকি প্রদান, আয়কর সুবিধা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ, সহজ ঋণ সুবিধা ইত্যাদি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিধারা চলমান আছে।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কী? খ. সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের প্রভাব ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপসমূহ রপ্তানি বাণিজ্যের গতিধারা চলমান রাখার ক্ষেত্রে কীরূপ ভূমিকা পালন করে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উল্লিখিত পরিস্থিতিতে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? তোমার মতামত লেখো।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ফলে শ্রমবিভাগের উপযুক্ত ব্যবহার, মূলধনের সঠিক প্রয়োগ ও গুণগত উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং সমগ্র পৃথিবীর উৎপাদন ও ভোগ বৃদ্ধি পায়। এতে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে যেতে পারে। ফলাফলস্বরূপ ঘটে বিশ্বায়ন যার মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বব্যাপী নিবিড় সামাজিক সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা দূরত্ব হ্রাস পায়। বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, কানাডাসহ প্রায় '৩০টি দেশে সফটওয়্যার এবং আইটি সার্ভিস রপ্তানি করছে। নকিয়া, জাপান এয়ারলাইন্স, বিশ্বব্যাংক, এইচপি বাংলাদেশের তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। বাংলাদেশের জনগণের প্রযুক্তি দক্ষতা বাড়ছে।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কাকে বলে? খ. জনশক্তি রপ্তানি বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকের আলোকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
মি. আলম একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। তিনি দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে চাল সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করেন। ফলের মৌসুমে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের আম, লিচু ইত্যাদি সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে সরবরাহ করে থাকেন। অন্যদিকে, মি. চৌধুরী তৈরি পোশাক রপ্তানি করে সাফল্য লাভ করেছেন। তিনি সরকারের প্রদত্ত নগদ সহায়তা, আয়করের ওপর রেয়াত সুবিধা লাভ করেন। সরকার তাকে সিআইপি মর্যাদায় ভূষিত করে ।
ক. অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য কাকে বলে? খ. বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে মি. আলম এবং মি. চৌধুরীর বাণিজ্যের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ মূল্যায়ন করো।
মি. মতিন কুমিল্লা জেলার একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি। সে কাজের সন্ধানে মালয়েশিয়ায় যায়। একদিন সে একটি শপিং মলে প্রাণ আচার, বি.ডি চানাচুর ও RFL এর পণ্যসামগ্রী দেখে আনন্দ অনুভব করে, কিন্তু তা সামান্য মাত্র। শপিং মলের অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রী চীন, জাপান, আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের। দোকানদার মতিনকে বলেন যে, তোমার দেশের উৎপাদিত পণ্যের মান নিম্ন, পরিবহন সমস্যা, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য আমরা কম পণ্য আমদানি করি।
ক. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী? খ. বৈদেশিক সাহায্য দেশকে পরনির্ভরশীল করে তোলে'- ব্যাখ্যা করো। গ. শপিং মলে মতিনের দেশের পণ্য কম হওয়ার কারণ কী তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে মতিনের দেশের বেশি পণ্যসামগ্রী শপিং মলে দেখতে হলে কী করা প্রয়োজন?
দেশের শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার EPZ গঠন, শিল্প ঋণ প্রদান, বিদ্যুৎ সরবরাহ, কারিগরি জ্ঞান প্রসারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ফলে তৈরি পোশাক, ওষুধ, প্লাস্টিক সামগ্রীসহ বহুপণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। ক. বৈদেশিক সাহায্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কর্মসূচি রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে কীরূপ ভূমিকা পালন করছে? ঘ. দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? বিশ্লেষণ করো।
লিটন যশোর থেকে শাক-সবজি ক্রয় করে ঢাকার স্থানীয় জোরে বিক্রয় করে এবং ঢাকা থেকে কাপড় কিনে যশোরে বিক্রি করে। অপরদিকে, লিটনের বন্ধু মিলন শাক-সবজি ও হিমায়িত মাছ সৌদি আরবে বিক্রি করে এবং ভারত থেকে পেঁয়াজ-রসুন আমদানি করে।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. বৈদেশিক সাহায্য বাংলাদেশের জন্য আবশ্যক'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে লিটনের বাণিজ্যকে কোন ধরনের বাণিজ্য বলা হয় ? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে লিটনের ব্যবসায়ের সাথে মিলনের ব্যবসায়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
জাহিদ সাহেব অনেক দিন হলো বাংলাদেশে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি লক্ষ করেন বাংলাদেশ থেকে আগে কাঁচা পাট, পাটজাত দ্রব্য, চামড়াজাত দ্রব্য রপ্তানি হলেও বর্তমানে তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, হিমায়িত খাদ্য ইত্যাদি অধিক রপ্তানি করা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে পণ্যের মান, সঠিক সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিয়েছে।
ক. অপ্রচলিত পণ্য কী? খ. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মধ্যে প্রধান দুইটি পার্থক্য উল্লেখ করো । গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তনের ধারা লক্ষ করা যায় তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে উদ্ভূত সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করো।
'A' ও 'B' দুটি দেশ। 'A' দেশ তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে দ্রব্য উৎপাদন করে এবং দেশের মধ্যেই ক্রয়-বিক্রয় করে। 'B' দেশ তার উৎপাদিত দ্রব্য নিজ দেশে ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাজারে বিক্রয় করে এবং অন্য দেশের পণ্য নিজ দেশের জন্য ক্রয় করে। এতে 'B' দেশের পণ্যের মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয় ।
ক. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী? খ. দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন? গ. 'A' ও 'B' দেশের বাণিজ্যের মধ্যে যে ধরনের পার্থক্য আছে উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. অর্থনৈতিক উন্নয়নে 'B' দেশের বাণিজ্যের গুরুত্ব কতটুকু? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
নিচের টেবিলটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

উৎস: বৈদেশিক বিনিময় হার বিভাগ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কাকে বলে? খ. “বাণিজ্য সকলকে আরও লাভবান করে তুলে" - ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রপ্তানি আয়ের আলোকে বাংলাদেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যের তালিকা প্রস্তুত করো। ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত বাণিজ্য ঘাটতি কমাবার উপায় হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপায়সমূহ কী হতে পারে? আলোচনা করো।
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক বৈদেশিক সাহায্য বিষয় পড়ানোর সময় নিম্নোক্ত টেবিল দেখান:

তিনি বলেন বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে উন্নয়নের অর্থসংস্থান। এবং আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণে বৈদেশিক সাহায্য প্রয়োজন। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তিনি বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণের পক্ষপাতী নয়। তিনি আরও বলেন বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণের মাধ্যমে অধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে উন্নয়নে অর্থসংস্থান ও দেশের স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব।
ক. আমদানি বিকল্প শিল্প কী? খ. বাংলাদেশ কোন ধরনের মূলধনী দ্রব্য আমদানি করে? গ. বৈদেশিক সাহায্যের নেতিবাচক প্রভাব উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বিষয়ে তোমার মতামত দাও।
মি. আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সাথে জড়িত। বিগত কয়েক বছর ধরে তিনি বাংলাদেশের আমদানি এবং রপ্তানি বাণিজ্যে পরিবর্তনের ধারা লক্ষ করছেন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত দ্রব্যের পাশাপাশি অপ্রচলিত দ্রব্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও লক্ষ করলেন যে, বিশ্বায়নের ফলে বাংলাদেশের উৎপাদিত দ্রব্যের প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. “বিশ্বায়ন ও তথ্য প্রযুক্তির মধ্যে সম্পর্ক সমমুখী”- ব্যাখ্যা করো। ২ গ. উদ্দীপকে মি. আহমেদ বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিবর্তনের যে ধারা লক্ষ করেছেন তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের নেতিবাচক প্রভাব আছে কি? আলোচনা করো।
মাসুম সাহেব খুলনা থেকে তৈরি পোশাক ক্রয় করে বরিশালের স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। অন্যদিকে, রিপন সাহেব চীন থেকে পেঁয়াজ, রসুন ক্রয় করে বাংলাদেশে বিক্রয় করেন। আর বাংলাদেশ থেকে শাক-সবজি ও চিংড়ি মাছ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বিক্রয় করেন।
ক. অপ্রচলিত পণ্য কী? খ. কেন অধিক রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপন করা প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে মাসুম সাহেবের কাজকে কোন ধরনের বাণিজ্য বলা যায়? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে মাসুম সাহেব ও রিপন সাহেবের ব্যবসায়ের 'ধরন উল্লেখপূর্বক এদের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ও আমদানি পরিস্থিতি নিম্নরূপ:

ক. Foreign Aid কী? খ. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? গ. উল্লিখিত তথ্যের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে কীরূপ ভারসাম্য বিরাজ করছে? কেন? ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবধান কমানোর জন্য তুমি কোন ধরনের নীতিকে সমর্থন করবে? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য পরিস্থিতি নিম্নরূপ:

ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. বৈদেশিক বাণিজ্য দেশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক'— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি হ্রাস প্রয়োজন'— তুমি কি একমত? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
'X' একটি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে দেশটি তার অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুতকরণ, লেনদেনের প্রতিকূলতা মোকাবেলা, দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করে। কিন্তু বৈদেশিক সাহায্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্তযুক্ত ঋণ, উচ্চ সুদের হার, সাহায্য প্রাপ্তির অনিশ্চয়তা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ইত্যাদি কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়। তাই দেশটির উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রাখতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধির জন্য বৈদেশিক বাণিজ্য প্রসারে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়। যেমন- দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি ইত্যাদি। বর্তমানে দেশটি স্ব- অর্থায়নে উন্নয়নের বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।
ক. প্রচলিত রপ্তানি পণ্য কী? খ. দেশীয় শিল্পের ওপর বিশ্বায়নের প্রভাব ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপক অনুযায়ী, বৈদেশিক সাহায্যের প্রতিকূল দিকসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. কীভাবে বৈদেশিক বাণিজ্য দেশের বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করছে? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ। এদেশের জনগণ দেশের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। এদেশের প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে জনগণ ক্রমান্বয়ে বেশি হারে উৎপাদন করছে। অনেকক্ষেত্রেই প্রয়োজনের বেশি উৎপাদন হচ্ছে। এই উদ্বৃত্ত উৎপাদন রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। সে আয়ের সাহায্যে উৎপাদনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি করা হচ্ছে। এভাবে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সাথে সাথে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অধিকতর সম্প্রসারণ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। অবশ্য সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন- EPZ স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগকারীদের সহায়তা প্রদান ইত্যাদি।
ক. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী? খ. “উদ্বৃত্ত দ্রব্য রপ্তানি, ঘাটতি দ্রব্য আমদানি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লক্ষ্য” – ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
স্বাধীনতার পর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়, প্রাকৃতিক সম্পদের উত্তোলন ও ব্যবহার, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তখনকার প্রেক্ষাপটে তা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ ছাড়াই পদ্মা সেতুর মতো একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কারণ বৈদেশিক সাহায্যে অনেক অসম্মানজনক শর্ত থাকে, ঋণের সুদের হার বেশি হয়, মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়, পরমুখাপ্রেক্ষিতা বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় তা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
ক. ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কী? খ. "আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যতীত উন্নয়ন সম্ভব নয়”- ব্যাখ্যা করো। গ. স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. বৈদেশিক সাহায্য কি দেশের স্থিতিশীল উন্নয়নের অন্তরায়? উদ্দীপকের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করো।
মি. 'X' ও মি. 'Y' দুই ভাই। মি. 'X' দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করেন। কিন্তু মি. 'Y' ইউরোপের দেশগুলোর সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন। ব্যবসা করতে গিয়ে মি. Y বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হলেও মি. 'X' তেমন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন না।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. ট্যাক্স হলিডে সুবিধা কোন ধরনের শিল্পকে দেয়া হয় এবং কেন? গ. উদ্দীপকে মি, 'X' যে ধরনের ব্যবসার সাথে জড়িত তা উল্লেখপূর্বক-এর সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করো। ঘ. মি. 'X' ও মি. 'Y'-এর বাণিজ্যের পার্থক্য উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
জাহিদ তার শ্রেণি শিক্ষকের নিকট শুনেছে যে, কোনো দেশের উদ্বৃত্ত দ্রব্য রপ্তানি ও ঘাটতি দ্রব্য আমদানির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হয়।
অবশ্য এই বাণিজ্য চুক্তির ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশ বা জোটের মধ্যে হয়ে থাকে। এতে অবশ্য লেনদেন জনিত সমস্যা, মুদ্রা ও ব্যাংক ব্যবস্থারও ভিন্নতার মত জটিলতাও থাকে।
তবে এতে বিভিন্ন দেশের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, বাজার সম্প্রসারণ, ভোক্তার স্বার্থরক্ষা হয়ে থাকে। বিষয়টি জাহিদকে অনুপ্রাণিত করে।
ক. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?
খ. 'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো'- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশের কল্যাণ কীভাবে বৃদ্ধি পায়? সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
মি. আলতাফ একজন ইংল্যান্ড প্রবাসী বাঙালি। তিনি দীর্ঘদিন। যাবৎ লন্ডনে বসবাস করছেন। নিজের দেশ সম্বন্ধে সবসময় খোঁজখবর নেন। একদিন তিনি পত্রিকায় দেখলেন বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি করছে। তার রপ্তানির পরিমাণ এবং আমদানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য হচ্ছে। সরকার ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দিচ্ছে। মি. আলতাফ খুব খুশি হন।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার ২টি কারণ লেখো। গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাণিজ্য ঘাটতি দূরীকরণে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। বলে তুমি মনে কর? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।