Questions in this chapter
বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমস্যা দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে যেমন বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলছে তেমনি বিদেশি বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী ও সংস্থার কাছ থেকে সাহায্যও গ্রহণ করছে। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, স্বনির্ভরতা অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি প্রভৃতি উদ্দেশ্যে এসব সাহায্য গ্রহণ করা হচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশ অন্যের সাহায্যে ও নিজের চেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কাকে বলে? খ. বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক সাহায্যের মধ্যে কয়েকটি পার্থক্য লেখো। গ. বৈদেশিক বাণিজ্য, না বৈদেশিক সাহায্য কোনটিকে তুমি অধিক গুরুত্ব দেবে? উদ্দীপকের আলোকে তোমার মতামত ব্যাখ্যা করো। ঘ. বৈদেশিক সাহায্য সবসময় পরনির্ভরতা বাড়ায় না- মতামত দাও।
মি. ঈশান বাংলাদেশের একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসার প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল পরিভ্রমণ করেন এবং যে অঞ্চলে যেসব দ্রব্য বেশি উৎপাদিত হয় তা অন্য অঞ্চলে এনে বিক্রি করে বেশ। লাভবান হন। সম্প্রতি তিনি একই উদ্দেশ্য নিয়ে বিভিন্ন দেশ পরিভ্রমণ করেন। যেসব দ্রব্যের তার নিজ দেশে চাহিদা রয়েছে অথচ দেশে কম উৎপাদিত হয় তা তিনি দেশে আনার উদ্যোগ নেন। এক্ষেত্রে পণ্যগুলোকে তিনি প্রধানত কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেন। যেমন- খাদ্যদ্রব্য, শিল্পজাত দ্রব্য, জ্বালানি, মূলধনী দ্রব্যসহ অন্যান্য বিলাসজাত ও আরামদায়ক দ্রব্যাদি। এমনিভাবে কৃষি ও শিল্পজাত, রাসায়নিক দ্রব্যসহ কিছু পণ্য বিদেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করেন।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কীভাবে সংঘটিত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আমদানি দ্রব্যগুলোর ব্যাখ্যা দাও। ঘ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রধানতম রপ্তানি পণ্যগুলোর বিবরণ দাও।
আশফাক সাহেবের নাতি ঈশান তার দাদার কাছে জানতে চাইল, 'বাংলাদেশ বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করে কেন?' আশফাক সাহেব উত্তর দিলেন যে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূলধনের অভাব অত্যন্ত প্রকট। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের ভিত্তিও ততটা শক্তিশালী নয়। রপ্তানি বাজারের সংকীর্ণতা, রপ্তানি পণ্যের স্বল্পতা, ভোগ্যপণ্য ও মূলধনী দ্রব্য আমদানি, আমদানিনির্ভর রপ্তানি দ্রব্য প্রভৃতি কারণে আমদানি ব্যয়ের তুলনায় রপ্তানি আয় কম। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রভৃতি কারণেও বাংলাদেশকে বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করতে হয় । তথাপি বৈদেশিক সাহায্য হ্রাস করে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে পারলে তা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গলজনক হতো।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন? গ. বাংলাদেশ কেন বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করে? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. 'বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক সাহায্যের তুলনায় রপ্তানি বাণিজ্যের সম্প্রসারণ মঙ্গলজনক' – উক্তিটি কি যথার্থ? তোমার উত্তরের - সপক্ষে যুক্তি দাও।
বাংলাদেশ প্রধানত কৃষিনির্ভর, দরিদ্র ও জনবহুল দেশ। সার্কভুক্ত দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশ প্রধানত কৃষিজাত দ্রব্য, শিল্পের কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, পান-সুপারিসহ কিছু প্রচলিত ও অপ্রচলিত পণ্যসামগ্রী রপ্তানি করে। তবে প্রচলিত পণ্যের চেয়ে অপ্রচলিত পণ্যসামগ্রীর রপ্তানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য কর অবকাশ, বিশেষ সুবিধা, রপ্তানি ঋণ, ইপিজেড স্থাপন, বাণিজ্য মেলার আয়োজন ও অংশগ্রহণ এবং বিশ্ববাজার সার্ভে করাচ্ছেন।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. 'বৈদেশিক সাহায্য পরনির্ভরশীলতা বাড়ায়।'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে প্রচলিত ও অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যের একটি তালিকা প্রস্তুত করো। ঘ. একটি দেশের রপ্তানি সম্প্রসারণের উপায়গুলো বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য সম্পাদন করে।

ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কাকে বলে? খ. উদ্বৃত্ত পণ্য 'আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভিত্তি— ব্যাখ্যা করো । গ. সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের রপ্তানি আয়ের স্তম্ভচিত্র অঙ্কন করো । ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতিধারা বিশ্লেষণ করো।
'ক' দেশ ‘খ’ দেশকে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য দুইশত কোটি ডলার বৈদেশিক সাহায্য প্রদান করে। চুক্তির শর্তানুযায়ী ক দেশ সেই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য যন্ত্রপাতি, প্রকৌশলী ও শ্রমিক পাঠায়। শর্ত থাকায় 'খ' দেশ দক্ষ জনবল থাকা সত্ত্বেও এক্ষেত্রে নিজেদের শ্রমশক্তি ব্যবহার করতে পারেনি। সম্প্রতি 'খ' দেশের সরকার এ ধরনের দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিসমূহ সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটি নিজস্ব শ্রম উৎপাদনের বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে। দেশটি আর বৈদেশিক ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে রপ্তানির উদ্দেশ্যে তৈরি পোশাক, পাটপণ্য ও মাছ সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে চায় না।
ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী? খ. বিশ্বায়নের ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পায় কিনা? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. বৈদেশিক সাহায্যের চেয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য লাভজনক কিনা? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। প্রতিবছর দেশটি বিপুল পরিমাণ দ্রব্য আমদানি ও রপ্তানি করে থাকে। তৈলবীজ, সুতা, জুতা, স্টেপল ফাইবার, শাকসবজি, দিয়াশলাই, ফার্নেস অয়েল, হিমায়িত খাদ্য, ভোজ্য তেল ইত্যাদি এ দেশের অন্যতম আমদানি-রপ্তানি দ্রব্য। তবে আমদানির চেয়ে রপ্তানির পরিমাণ অনেক কম। তাই রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পুনর্গঠন, শুল্ক রেয়াত, ট্যাক্স হলিডে, আয়কর রেয়াত সুবিধা ও রপ্তানি ঋণ প্রদানসহ নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. বিশ্বায়নের একটি ইতিবাচক ও একটি নেতিবাচক প্রভাব লেখ। গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের পৃথক তালিকা প্রস্তুত করো। ঘ. রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
মৎস্যজীবী কায়েস। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তিনি মৎস্য চাষ করেন। বিল ইজারা নেন। এ ছাড়াও বর্ষা মৌসুমে নদীতে ও হাওরে প্রচুর মাছ শিকার করেন। সব মাছ বাজারজাত করা সম্ভব হয় না। ফলে অবিক্রীত প্রচুর মাছ শুঁটকি করে রাখেন। কারণ তিনি জানেন বিদেশে শুঁটকি মাছের প্রচুর চাহিদা এবং দামও ভালো। তাই কায়েস মজুদকৃত শুঁটকি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন।
ক. বৈদেশিক সাহায্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। গ. জনাব কায়েসের উৎপাদিত শুঁটকি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাহায্য করে- ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশ থেকে এরূপ আর কী ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যায়? আলোচনা করো।
অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী?
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?
প্রচলিত রপ্তানি পণ্য কী?
বিশ্বায়ন কী?
বৈদেশিক সাহায্য কাকে বলে?
আমদানি কী?
বৈদেশিক সাহায্য কী?
বৈদেশিক অনুদান কী?
বাণিজ্য কী?
সংরক্ষিত বাণিজ্য কী?
প্রকল্প সাহায্য কী?
অপ্রচলিত পণ্য কাকে বলে?