Questions in this chapter
জনাব তপন ৮০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে ৯৯ জন কর্মী নিয়ে সাভারে 'বেবি চয়েজ' নামে একটি বাচ্চাদের পোশাক তৈরির কারখানা স্থাপন করেন। শুরুতে ব্যবসায় ভালো না হলেও নতুন নতুন অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সফল হন। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তিনি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আরও ২৫ জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "কাম্য মাত্রায় উৎপাদন করা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক"- ব্যাখ্যা করো।
গ. জনাব তপনের প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. জনাব তপনের গৃহীত সিদ্ধান্তটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
জনাব পিটু চৌধুরীর সিমেন্ট কারখানায় বর্তমানে ২০০ জন শ্রমিক কর্মরত আছে। উক্ত প্রতিষ্ঠানে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ২০ কোটি টাকা। জনাব পিটু চৌধুরীর সাফল্য দেখে তার বন্ধু লিটন। তার বন্ধুসহ একই স্থানে, অন্য একটি সিমেন্ট কারখানা স্থাপন করেন। তাদের কারখানায় বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা। ৩৫০ জন শ্রমিক নিয়োগের মাধ্যমে লিটন সাহেবের ব্যবসায়টিও সফলতার সাথে এগিয়ে চলছে।
ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "কুটির শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক”- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে জনাব পিটু চৌধুরীর প্রতিষ্ঠানটি মাত্রা অনুযায়ী কোন ধরনের এন্টারপ্রাইজ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানদুটির মধ্যে জাতীয় অর্থনীতিতে কোনটির ভূমিকা বেশি? ধরন উল্লেখ করে মতামত দাও।
জনাব হাসান একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের মালিক।
প্রতিষ্ঠানটি মাসে সর্বাধিক ৫ হাজার একক উৎপাদন করতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৪ হাজার একক পর্যন্ত পণ্য উৎপাদন করে।। উৎপাদনের এ স্তরে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন হয়। বাজারে পণ্যের চাহিদা ব্যাপকহারে বেড়ে যাওয়ায় জনাব হাসান আরও ৭০০ একক পণ্য উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই বাড়তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় বাড়বে।
ক. অতিক্ষুদ্র শিল্প কী?
খ. ব্যবস্থাপকের বেতন কোন ধরনের ব্যয়? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি কোন উৎপাদন মাত্রা ব্যবহার করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. জনাব হাসানের' গৃহীত সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিরূপণ করো।
রাজশাহীর 'হাসনাত ট্রেডিং' মাস্ক উৎপাদন ও বাজারজাতকারী একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১৯-২০২০ সালে উক্ত প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ও ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য নিম্নরূপ-

ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "উৎপাদন মাত্রা বাড়লে মুনাফার পরিমাণ বাড়ে"- ব্যাখ্যা করো।
গ. 'হাসনাত ট্রেডিং'-এর কাম্য উৎপাদন মাত্রা কত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির ৪৫,০০০ একক মাস্ক উৎপাদনের সিদ্ধান্তটি কি যৌক্তিক? উৎপাদন মাত্রার ধরন উল্লেখ করে বিশ্লেষণ করো।
সাতক্ষীরার মি. আলম ১০ কোটি টাকা নিয়ে বাঁশ ও কাঠের শৌখিন পণ্যের ব্যবসায় শুরু করলেন যেখানে ৯০ জন শ্রমিক কর্মরত। ব্যবসায়ের সাফল্য দেখে জার্মান প্রবাসী বড় ভাই তার ব্যবসায়ে ৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন এবং আরও ৪০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে ব্যবসায়টি সম্প্রসারণ করেন। ফলে বার্ষিক ৯,০০০ পিস পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হন। গুণগতমানের কারণে দেশে-বিদেশে তার পণ্যের চাহিদা বাড়ে।
ক. কাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "উৎপাদন মাত্রা ব্যবসায় সম্প্রসারণে সহায়তা করে"- ব্যাখ্যা করো।
গ. উৎপাদন মাত্রার ভিত্তিতে মি. আলমের ব্যবসায়টি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মি. আলমের ব্যবসায় কাঠামো পরিবর্তনের ফলে যে ব্যবসায় পরিণত হবে, উৎপাদন মাত্রার ধরন অনুযায়ী আলোচনা করো।
কারুকা ১০ লক্ষ টাকা ও ২০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে গঠিত একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান। প্রতিযোগিদের তুলনায় হস্তজাত পণ্যসামগ্রীর চাহিদা বাড়ায় কারুকা কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল শ্রমিক কর্মচারী ও যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে। এতে সর্বনিম্ন। ব্যয়ে সর্বোচ্চ উৎপাদন সম্ভব হয়। হস্তজাত পণ্যের বাজারে ব্যাপক। চাহিদা থাকলেও মূলধনের অপ্রতুলতা, প্রশিক্ষণের অভাব ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাবে ব্যবসায়টি কাম্যমাত্রা অর্জন করলেও ব্যবসায়ের। আকার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
ক. পরিবর্তনশীল ব্যয় কী?
খ. "উৎপাদনের মাত্রা বাড়লে মুনাফার পরিমাণ বাড়ে"- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদনের কোন মাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কারুকা হস্তশিল্প সম্প্রসারণের সমস্যার কারণ উদ্দীপকের আলোকে চিহ্নিত করো।
জনাব তামিম ২৫ কোটি ব্যয় করে একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তার কারখানায় ২০০ জনের বেশি শ্রমিক কাজ করে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় জনাব তামিম দক্ষতার পরিচয়। দেওয়ায় তার প্রতিষ্ঠানটির সুনাম সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার উৎপাদিত পণ্যের চাহিদাও বেড়ে যায়। বর্তমানে তিনি আরও ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ এবং ১৫০ জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ক. ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ কী?
খ. "কাম্য উৎপাদন মাত্রায় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জিত হয়"- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি কোন মাত্রার শিল্প প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. জনাব তামিমের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে প্রতিষ্ঠানটির মাত্রার কি কোনো পরিবর্তন আসবে? তোমার মতামত দাও।
বেশি পরিমাণে পণ্য উৎপাদন করলে একক প্রতি খরচ কমে যায়। এটি চির সত্য কথা। এ কথাকে বিশ্বাস করে বাজার চাহিদাকে গুরুত্ব না দিয়েই মি. অভি মাত্রাতিরিক্ত পণ্য উৎপাদন করেছেন। তিনি মনে করেছিলেন, পণ্যের উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হলে বাজারে ক্রেতার অভাব হবে না কিন্তু তিনি এখন হতাশ। কারণ তার উৎপাদিত পণ্য অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে।
ক. উৎপাদনের কাম্য মাত্রা কী?
খ. "অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রায় পণ্যের মূল্য বাড়ে"- ব্যাখ্যা করো।
গ. কোন বিষয়টিকে বিবেচনা না করায় মি. অভির পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে না? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণে উদ্দীপকের উল্লিখিত বিষয়টিই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়"- উদ্দীপকের আলোকে এ বক্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
মিসেস সেলিনা ১০ কোটি টাকা এবং ১১০ জন শ্রমিক নিয়ে হস্তশিল্পের ব্যবসায় শুরু করেন। তার উৎপাদিত হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের আকর্ষণীয় ডিজাইন ও মান উন্নত হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বর্তমানে তিনি তার উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেন। এ লক্ষ্যে তিনি ব্যাংক থেকে ৬ কোটি টাকা ঋণ নেন এবং আরও ১৫০ জন কর্মী নিয়োগ দেন।
ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "কাঁম্য উৎপাদন মাত্রায় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করা সম্ভব"- ব্যাখ্যা করো।
গ. উৎপাদন মাত্রার ধরন অনুযায়ী মিসেস সেলিনার প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উৎপাদন মাত্রার ধরন উল্লেখপূর্বক মিসেস সেলিনার বর্তমানে গৃহীত সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো।
জনাব আনোয়ার ৬০ কোটি টাকা এবং ৩৫০ জন শ্রমিক নিয়ে গাজীপুরে একটি সার কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত কারখানায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ পরিমাণ সার যাতে সর্বনিম্ন ব্যয়ে উৎপাদন করা যায় সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে ক্রেতারা সর্বনিম্ন মূল্যে উক্ত কারখানার সার পেয়ে থাকে। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি বাড়ে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়।
ক. স্থায়ী ব্যয় কী?
খ. "অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রায় পণ্যের মূল্য বাড়ে"- ব্যাখ্যা করো।
গ. জনাব আনোয়ার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সার কারখানাটি কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উৎপাদন মাত্রার ধরন উল্লেখপূর্বক জনাব আনোয়ারের প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের কারণ বিশ্লেষণ করো।
চট্টগ্রামে জনাব নাজিমের লবণ পরিশোধনের একটি কারখানা আছে। ২০২০ সালে তার কারখানায় ১০০ টন পরিশোধিত লবণ উৎপাদিত হয়। এতে প্রতি কেজি লবণ উৎপাদনের গড় ব্যয় সর্বনিম্ন হয়। উন্নতমানের লবণ প্রতিযোগিদের তুলনায় কম দামে বিক্রি করায় জনাব নাজিমের কারখানার লবণের, চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ে। সেজন্য তিনি ২০২১ সালে ১১০ টন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। কিন্তু এক্ষেত্রে একক' প্রতি উৎপাদন ব্যয় বাড়বে।
ক. স্থায়ী ব্যয় কী?
খ. শ্রমিকের বেতন কোন ধরনের ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব নাজিমের লবণ উৎপাদন কোন ধরনের উৎপাদন মাত্রার সাথে সম্পৃক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে জনাব নাজিমের গৃহীত সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো।
'মাহেরা সিরামিকস'-এর ২০১৮ সালে ভূমি ও কারখানা, দালান বাদে মোট স্থায়ী সম্পদের মূল্য ছিল ১৪ কোটি টাকা এবং শ্রমিক সংখ্যা ছিল ১১০ জন। অন্যদিকে, একই বছরে 'ম্মদ সিরামিকস'। এর ভূমি ও কারখানা দালান বাদে মোট স্থায়ী সম্পদের মূল্য ছিল ৩৫ কোটি টাকা এবং শ্রমিক সংখ্যা ছিল ২৩০ জন। উভয় প্রতিষ্ঠানই ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করে থাকে। সম্প্রতি ক্রেতাদের বাড়তি চাহিদা মেটাতে 'মাহেরা সিরামিকস' ঢাকা ব্যাংক লি. থেকে ৪০ কোটি টাকা ঋণ নেয় এবং আরও ১০০ জন নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেয়।
ক. কুটির শিল্প কী?
খ. উৎপাদন মাত্রা বৃদ্ধি পেলে মুনাফা বাড়ে কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের 'মাহেরা সিরামিকস' প্রথমদিকে উৎপাদন মাত্রা বিবেচনায় কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে জাতীয় অর্থনীতিতে কোনটি বেশি অবদান রাখছে? উৎপাদন মাত্রা বিবেচনায় তোমার মতামত দাও।
সূর্যমুখী এন্টারপ্রাইজ-এর উৎপাদন সম্পর্কে তথ্য নিম্নরূপ-

ক. পরিবর্তনশীল ব্যয় কী?
খ. "অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা কোম্পানির জন্য ক্ষতিকর"-ব্যাখ্যা করো।
গ. সূর্যমুখী এন্টারপ্রাইজ এর কাম্য উৎপাদন মাত্রা কত? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "মাত্রাজনিত ব্যয় সংকোচ স্তর অতিক্রম করে উৎপাদন বাড়লে গড় ব্যয় বাড়ে"- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
নিচে দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করা হলো-

প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের উৎপাদিত পণ্য দেশের এবং বিদেশের বাজারে বিক্রি করে।
ক. মোট দেশজ উৎপাদন কী?
খ. "অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রায় পণ্যের মূল্য বেড়ে যায়"- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত আলফা প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন মাত্রা অনুযায়ী কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে কোনটি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বেশি ভূমিকা রাখছে? যুক্তিসহ মতামত দাও।
মিসেস নাঈমা সিরাজগঞ্জের শ্যামনগরে ৯০ লক্ষ টাকা ও ৬০ জন শ্রমিক নিয়ে হস্তশিল্প সামগ্রী উৎপাদন শুরু করেন। উক্ত জনবল ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ একক হস্তশিল্প পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এতে গড় উৎপাদন ব্যয় কমে যায়। সম্প্রতি ভোক্তার চাহিদার বিষয়টি বিবেচনা করে তিনি উৎপাদনের পরিমাণ দৈনিক ২৫০ এককে উন্নীত করেন। কিন্তু এতে তার গড় উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়।
ক. বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ কী?
খ. "ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।"- ব্যাখ্যা করো।
গ. উৎপাদন মাত্রার ধরন অনুযায়ী মিসেস নাঈমার প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের শিল্পের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বর্ধিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত উৎপাদনের সিদ্ধান্ত কি যৌক্তিক? উদ্দীপকের আলোকে উৎপাদন মাত্রার ধরন বিবেচনায় তোমার মতামত দাও।
'উনিশ বিশ' নামক একটি প্রতিষ্ঠান ২০১২ সালে ২০ কোটি টাকা এবং ২০০ জন শ্রমিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্য ব্যাপক হারে চাহিদা সৃষ্টি করায় ২০১৭ সালে আরও ১৫ কোটি টাকা এবং ১০০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে ব্যবসায় সম্প্রসারণ করে। বর্তমানে সংগঠনটি জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ। অবদান রাখছে।
ক. মিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়"- ব্যাখ্যা করো।
গ. ২০১২ সালে 'উনিশ-বিশ' যে ধরনের এন্টারপ্রাইজ ছিল তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির ২০১৭ সালের কাঠামোগত ধরন উল্লেখপূর্বক জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান মূল্যায়ন করো।
জনাব এনামুল ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে 'সান্ত্বনা ডায়াগনস্টিক' নামে ৫ তলাবিশিষ্ট একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার তৈরি করেন। তিনি তার সেন্টারে ১ কোটি টাকার রোগ নির্ণয় যন্ত্রপাতি কেনেন। কর্মকর্তা, নার্স এবং টেকনিশিয়ান হিসেবে ২৫ জন ব্যক্তি নিয়োগ দেন। রোগীর চাহিদা বাড়ায় তিনি প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেন। জনাব এনামুলের ধারণা রোগী বাড়লে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ফিস কমাতে পারবেন।
ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "কাম্য উৎপাদন মাত্রায় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জিত হয়" -ব্যাখ্যা করো।
গ. জনাব এনামুলের ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি কোন মাত্রার প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে জনাব এনামুলের রোগী বাড়লে নিরীক্ষা ফিস কমানোর চিন্তা-ভাবনা কি যুক্তিসঙ্গত? বিশ্লেষণ করো।
ঢাকার মিসেস রোকেয়া ৯০ লক্ষ টাকা এবং ৫০ জন মহিলা নিয়ে একটি হস্তশিল্পের ব্যবসায় শুরু করেন। তার উৎপাদিত হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের ডিজাইন ও মান উন্নত হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ফলে তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত দ্রব্যের চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যায়। এ বর্ধিত চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে বর্তমানে তিনি সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ উৎপাদন করেন। এতে তিনি তার ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করেন।
ক. বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ কী?
খ. "মাঝারি এন্টারপ্রাইজে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়" -ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে মিসেস রোকেয়ার ব্যবসায়টি কোন ধরনের এন্টারপ্রাইজ তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. 'কাম্য উৎপাদন মাত্রাই' উদ্দীপকের মিসেস রোকেয়ার ব্যবসায়ে সফলতার মূল কারণ-তোমার মতামত দাও।
জনাব আলম ৮৫ লক্ষ টাকা এবং ৩০ জন কর্মী নিয়ে জেলা শহরে 'সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার' স্থাপন করেন। সেবার মান ভালো হওয়ায় চারদিকে এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়টি সম্প্রসারণের জন্য তিনি তার ছোট ভাইয়ের সাহায্যে চাইলে তাকে দুই কোটি টাকা মূলধন দিতে রাজী হয়। কিন্তু বর্তমান কাঠামো বিবেচনায় জনাব আলম চিন্তিত।
ক. কাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. মাত্রাজনিত অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রার ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।
গ. উৎপাদন মাত্রার ভিত্তিতে জনাব আলমের প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "ব্যবসায় কাঠামো পরিবর্তনই হলো বর্তমান সমস্যা সমাধানের উপায়"-উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
বিদেশে চাকরি শেষে আগত অভিজ্ঞ লোক বাদশা মিয়া দশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে আশুলিয়ায় 'ঝিলিক ফ্যাশন' নামে একটি তৈরি পোশাক শিল্প স্থাপন করেন। তার শিল্পে ৯০ জন শ্রমিক কাজ করে। বাদশা মিয়ার কারখানায় তৈরি পোশাক নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট দোকানগুলোতে পৌছে দেওয়া হয়। মানসম্মত পোশাক হওয়ায় এবং অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে বিক্রি করতে পারায় তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে। ব্যবসায়ে সফলতা অর্জনে সক্ষম হন।
ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
খ. "কাম্য উৎপাদন মাত্রায় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জিত হয়”- ব্যাখ্যা করো।
গ. মাত্রা বিবেচনায় বাদশা মিয়ার শিল্পটি কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির সফলতার মূল কারণ বিশ্লেষণ করো।