Questions in this chapter
অর্থনীতি বিভাগের শামছুল আলম স্যার শ্রেণিকক্ষে সরকারি আয়ের দুটি উৎস নিয়ে কথা বলছিলেন।
উৎস দুটির মধ্যে একটি বাধ্যতামূলক এবং এর আইনগত বৈধতা রয়েছে। কিন্তু অন্য উৎসটি বাধ্যতামূলক নয় এবং এর আইনগত বৈধতাও নেই।
ক. প্রত্যক্ষ কর কী?
খ. "ব্যক্তির কাছ থেকে সরকার ঋণ গ্রহণ করতে পারে" - ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে সরকারি আয়ের উৎস দুটি চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের আয়ের উৎস দুটির তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
বর্তমান সময়ে দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহন ও যোগাযোগ বাবদ ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্কভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির কারণে সরকারের সামগ্রিক ব্যয় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার একদিকে যেমন দেশের অভ্যন্তরে ব্যক্তিবর্গ, বাণিজ্যিক ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করছে, অন্যদিকে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও রাষ্ট্র থেকেও ঋণ গ্রহণ করছে।
ক. আবগারি শুল্ক কী? খ. “প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. সরকারি ঋণের উৎস দুটির মধ্যে কোনটি দেশের জন্য মঙ্গলজনক উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
বর্তমান সময়ে সরকার মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এসব খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকার মূল্য সংযোজন কর, আমদানি শুল্ক, রপ্তানি শুল্ক এবং আবগারি শুল্কের ওপর নির্ভরশীল।
ক. সরকারি আয় কী? খ. কর ও ফি একই কি না ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের উদ্দেশ্যসমূহ চিহ্নিত করো এবং ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারি আয়ের খাতসমূহ যথেষ্ট কি না মন্তব্য করো।
নিচের টেবিলটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

ক. ফি কী? খ. আয়করকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'g' চিহ্নিত স্থানের প্রাসঙ্গিক বিষয়টি উল্লেখ করো এবং ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দু'ধরনের উৎসের তুলনামূলক সুবিধা ও অসুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করো।
সরকারি ঋণ বলতে সরকারের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ গৃহীত ঋণকে বোঝায়। সরকার তার ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ब- আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি খাত থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। সরকার মূলত আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ, ঘাটতি বাজেট পূরণ ও জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। এজন্য সরকারি ঋণ শুধু উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা উচিত। তা না হলে দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে।
ক. আবগারি শুল্ক কী? খ. সরকারের আয়ের প্রধান খাতগুলো কী কী? গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ঋণের উৎসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. সরকারের ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যাবলি পূরণে প্রাপ্ত ঋণ কি যথেষ্ট বলে তুমি মনে করো? উদ্দীপকের আলোকে তা আলোচনা করো।
এক দিন ক্লাসে শিক্ষক ছাত্রদের বলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষকে কর দিতে হয়। আয়কর, সম্পদকর, ভূমিকর ইত্যাদি প্রত্যক্ষ কর। আবার বিক্রয় কর, আমদানি শুল্ক, রপ্তানি শুল্ক, প্রমোদকর, পণ্যকর ইত্যাদি পরোক্ষ কর। তিনি আরও বলেন পরোক্ষ করের চেয়ে প্রত্যক্ষ কর বেশি অপ্রিয়। ক. রপ্তানি শুল্ক কী? খ. করের মাধ্যমে সামাজিক কল্যাণ কীভাবে পরিমাপ করা যায়? গ. করের বিভিন্ন উৎস উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে প্রত্যক্ষ কর বেশি অপ্রিয় হওয়ার যুক্তিযুক্ত কারণ আলোচনা করো।
বর্তমান বিশ্বে প্রায় সব দেশেরই সরকারি ব্যয় ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ব্যয়ভার মেটানোর জন্য 'B' দেশের সরকার আয়কর, ভ্যাট ও বিভিন্ন ধরনের ফি এর হার বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতেও ব্যয় সংকুলান না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। ক. কর বলতে কী বোঝ? খ. পরোক্ষ কর তুলনামূলকভাবে জনপ্রিয় কেন? গ. প্রদত্ত উদ্দীপকে সরকারের অর্থ সংগ্রহের উৎসের ধরন উল্লেখ করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করা অর্থনীতির জন্য কতখানি যুক্তিযুক্ত? বিশ্লেষণ করো।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারকে প্রচুর ব্যয় করতে হয়। শিক্ষা, চিকিৎসা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি প্রভৃতি খাতে সরকারকে প্রচুর ব্যয় করতে হয়। তবে এসব ঋণের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়।
ক. আবগারি শুল্ক কী? খ. মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের খাতগুলোর বর্ণনা দাও। ঘ. ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যয় নির্বাহের অসুবিধা সম্পর্কে তোমার, মতামত দাও।
সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসনিক কার্যাবলি, আর্থ- সামাজিক এবং টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আয় করে থাকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— কর রাজস্ব ও কর বহির্ভূত রাজস্ব, যেমন- আয়কর, ফি, সম্পূরক শুল্ক, জরিমানা, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, সুদ, আবগারি শুল্ক, লেভি, ভূমি রাজস্ব ইত্যাদি। সরকার স্থিতিশীল। উন্নয়নের জন্য আয় আরো বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে যেমন- কর ফাঁকি রোধ, করের ভিত্তি প্রসারণ।
ক. NBR এর পূর্ণরূপ কী? খ. স্বেচ্ছামূলক দান কোন ধরনের কর? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কর রাজস্ব ও কর বহির্ভূত রাজস্বের “তালিকা তৈরি করো। ঘ. উদ্দীপকে সরকারের আয়ের উৎস হিসেবে কর রাজস্ব ও কর বহির্ভূত রাজস্বের মধ্যে কোন উৎসটি আয় বৃদ্ধিতে অধিক বলে তুমি মনে করো? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
'A' দেশের সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণের জন্য অর্থ ব্যয় করে। সরকার এ সমস্ত ব্যয় কেন্দ্রীয়ভাবে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। সরকারি ব্যয়ের প্রধান খাতগুলো হলো— প্রতিরক্ষা, গ্রাম পরিষদ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, শিক্ষা, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন প্রভৃতি। এসব ব্যয়ের মাধ্যমে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, তেমনি দেশকে টেকসই উন্নয়নের পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করে।
ক. সম্পূরক শুল্ক কী? খ. মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ব্যয়ের খাতগুলোর তালিকা তৈরি করো। ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশি সহায়ক কেন? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
জাতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার বিভিন্ন উৎস যেমন: সরকারের প্রাপ্ত রাজস্ব, বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান, কর ও ঋণ, টাকা ছাপানো এবং অনুদান ও দান প্রভৃতি থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। এই সংগৃহীত অর্থ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনহিতকর কাজের জন্য ব্যয় করে।
ক. আমদানি শুল্ক কী? খ. “ফি বাধ্যতামূলক নয়”-ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে সরকারি অর্থব্যবস্থার কোন ধারণা দুটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের খাতসমূহ আলোচনা করো।
'A' ব্যক্তির ওপর ধার্যকৃত করের বোঝা আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। কিন্তু 'B' ব্যক্তির ওপর ধার্যকৃত করের বোঝা সম্পূর্ণভাবে তাকেই বহন করতে হয়। 'A' ও 'B' ব্যক্তিদ্বয়ের ওপর ধার্যকৃত দুই ধরনের কর সরকারি আয়ের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কিন্তু নিশ্চয়তা, নাগরিক চেতনা, পরিশোধ পদ্ধতি, জনপ্রিয়তা, দামের ওপর প্রভাব বিস্তার ইত্যাদি দিক থেকে কর দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে ।
ক. সরকারি অর্থব্যবস্থা কী? খ. প্রত্যক্ষ কর নাগরিক চেতনা বৃদ্ধিতে সহায়ক-ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কর দুটি চিহ্নিত করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে কর দুটির মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
একটি দেশের সরকার প্রতি বছর জনপ্রশাসন ও জনকল্যাণ। সাধনে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যয় করে যা পৌনঃপুনিক। আবার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আলোকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও ব্যয় করে। ফলে তাকে ঘাটতি বাজেট গ্রহণ করতে হয়।
ক. প্রত্যক্ষ কর কাকে বলে? খ. মূল্য সংযোজন কর কি প্রত্যক্ষ না পরোক্ষ কর? গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারের কোন ধরনের ব্যয় পৌনঃপুনিক? ব্যাখ্যা করো। ঘ. সরকার কেন ঘাটতি বাজেট গ্রহণ করে? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

ক. করঘাত কী? খ. কর ও ফি-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি? গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎসগুলোর বিবরণ দাও। ঘ. বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ অর্থায়নের উৎসের পাশাপাশি বৈদেশিক অর্থায়নের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্ক ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধি কারণে বাংলাদেশ সরকারের ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে।
ক. পরোক্ষ কর কাকে বলে? খ. “বৈদেশিক সাহায্যের চেয়ে বৈদেশিক বাণিজ্য উত্তম”- ব্যাখ্যা করো । গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি ঋণের দুটি উৎসের মধ্যে কোনটি উত্তম? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
ব্যক্তি তার আয় অনুসারে ব্যয় করে এবং সরকার ব্যয় অনুসারে আয় নির্ধারিত করে। বাংলাদেশ সরকার আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, আমদানি শুল্ক, রপ্তানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্কসহ বিভিন্নভাবে আয় করে। আবার যানবাহন ফি, ভূমি রাজস্ব, সুদ জরিমানা, টোল, ডাক, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি উৎস থেকে আয় করে। করের ভিত্তি সম্প্রসারণ, অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় পরিহার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার মাধ্যমে সরকার তার আয় আরো বাড়াতে পারে।
ক. ফি কাকে বলে? খ. আয়করকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয় কেন ? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকার আয়ের উৎসগুলোর শ্রেণিবিভাগ করো। ঘ. সরকার তার আয় বৃদ্ধিতে উদ্দীপকে উল্লিখিত উপায়গুলোসহ আর কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলে তুমি মনে করো? আলোচনা করো।
সরকার ইচ্ছা করলে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে ঋণ নিতে পারে। দেশের বাইরে থেকে ঋণ নিতে হলে বিভিন্ন শর্ত, সময়কাল, ঋণ পরিশোধ প্রভৃতি বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে হয়। তবে সরকার বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারলেও জামিল সাহেব কেবল দেশেই ঋণ নিতে পারেন।
ক. সরকারি আয় কী? খ. ফি বাধ্যতামূলক দেয় নয় কেন? গ. বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে সরকার যে অসুবিধার সম্মুখীন হয়। উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. জামিল সাহেব যে উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করে তার সাথে সরকারি ঋণের পার্থক্য উদ্দীপকের ভিত্তিতে লেখো।
নোমান একাদশ শ্রেণির ছাত্র। সে পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারে ব্যক্তির ন্যায় সরকারও বিভিন্ন খাতে ব্যয় করে। দেশের সুষম উন্নয়ন, প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহ, সামাজিক কল্যাণ, বাণিজ্যচক্র নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারকে ব্যয় করতে হয়। এজন্য অবশ্য সরকারকে কর ও কর-বহির্ভূত খাত থেকে আয়ও করতে হয়। তার কাছে বিষয়টি খুব মজার মনে হয়।
ক. কর বলতে কী বোঝ? খ. সরকারি ঋণের অন্যতম উৎস বাণিজ্যিক ব্যাংক - বুঝিয়ে লেখো। গ. উদ্দীপকের আলোকে সরকারের ব্যয়ের বিভিন্ন খাতসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. সরকারের আয়ের উৎস হিসেবে কর ও কর-বহির্ভূত খাতের কোনটির ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যেমন অর্থ আয় করে তেমনি অর্থ ব্যয়ও করে। সরকারি আয়ের যেমন বিভিন্ন খাত রয়েছে তেমনি ব্যয়ের খাতও প্রচুর। সাম্প্রতিককালে সরকারের ব্যয় দ্রুত বেড়ে চলেছে। এর অন্যতম কারণ হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, নগর ও শহরায়ন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন, ঋণ পরিশোধ ও ভর্তুকি প্রদান, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দেশরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি। সরকারের এ ব্যয় বৃদ্ধি মোকাবিলার জন্য কর ফাঁকি রোধ, নতুন করারোপ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, শুল্ক বৃদ্ধিসহ আয়ের খাতসমূহ সম্প্রসারণ করতে হবে।
ক. সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে? খ. 'ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থার তুলনায় সরকারি অর্থব্যবস্থা উদার'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে ক্রমবর্ধমান সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. সরকারি ব্যয় হ্রাসে সরকারকে কোন কোন খাতে আয় বাড়ানো উচিত বলে তুমি মনে কর? বিশ্লেষণ করো।
'A' দেশের সরকার মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৫০% এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তা নিয়ে এবং অবশিষ্ট ৫০% বায় সরকারি বন্ড, ঋণপত্র, সঞ্চয়পত্র বিক্রি এবং বন্ধু রাষ্ট্র থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে মিটানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
ক. আয়কর কী? খ. মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত সরকারি ঋণের উৎসগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎসসমূহ চিহ্নিত করো। ঘ. সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎসের মধ্যে কোনটি 'A' দেশের জন্য মঙ্গলজনক? উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।