CB_2019
ভারতবর্ষের শাসনতান্ত্রিক জটিলতার নিরসনকল্পে ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে। ১৯১৯ সালে প্রাদেশিক শাসন সংক্রান্ত বিষয়কে দু’ভাগে বিভক্ত করে পরিচালনা করে। এখানে প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ছিল মূলত গভর্নরের হাতে। ১৯৩৫ সালে আবার তা বাতিল করে প্রদেশের নিজস্ব শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। হয় । এ আইনে প্রাদেশিক আইনসভার সর্বময় কর্তৃত্বের কথা বলা হলেও বাস্তবে গভর্নর জেনারেল, ভারত সচিব এবং প্রাদেশিক গভর্নরের প্রাধান্য বিদ্যমান ছিল।ক. কত সালের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়? খ. খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝায়?গ. উদ্দীপকের প্রথমাংশে ইঙ্গিতকৃত ব্যবস্থাটি ব্যাখ্যা করো।ঘ. তত্ত্বগতভাবে উদ্দীপকের শেষাংশে উল্লেখিত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও বাস্তবে তা কতটুকু কার্যকরী ছিল বলে তুমি মনে কর? যুক্তিসহ লেখো।
Loading answers...