Questions in this chapter
প্রদীপদের সংসারে মোট ৭ জন সদস্য। অভাবের সংসার। প্রদীপ ও তার মা কোনো একটি গ্রামের NGO' থেকে ঋণ নিয়ে হস্তচালিত তাঁতের লুঙ্গি, শাড়ি, গামছা তৈরি করেন। এ কাজে তাদের দাদা-দাদিরাও সাহায্য করেন। কিন্তু হস্তচালিত হওয়ায় তাদের উৎপাদন কম ও সময় সাপেক্ষ। তাই প্রদীপ আরও কিছু ঋণ নিয়ে কয়েকটি মেশিন কিনে শাড়ি, লুঙ্গি, গামছার পাশাপাশি কিছু হোসিয়ারি দ্রব্য তৈরি করে। ফলে তার আয় যেমন বাড়ে, সবার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়, দারিদ্র্য কমে তেমনি দেশেরও উন্নতি হয়।
ক. মাঝারি শিল্প কাকে বলে? খ. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মধ্যে পার্থক্য কী? গ. প্রদীপদের শিল্প কী ধরনের শিল্প? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে উল্লিখিত শিল্পের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
মি. রহমান একটি গার্মেন্টস শিল্প পরিচালনা করেন। এ শিল্পটি বাংলাদেশে খুব দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। এ শিল্পের উৎপাদিত দ্রব্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করে। বর্তমানে এ শিল্পে ৫০ লক্ষের মতো শ্রমিক কাজ করে। মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ এ শিল্প। হতে আসে। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের এ শিল্পের খুব সুনাম রয়েছে।
ক. শিল্প কাকে বলে? খ. শিল্প সংরক্ষণ বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি কী ধরনের শিল্প- ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ খাত — বিশ্লেষণকরো।
আমাদের দেশে স্বল্প পুঁজি ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গঠিত শিল্পের উৎপাদিত দ্রব্য আকর্ষণীয় ও তুলনামূলকভাবে সস্তা। কিন্তু যারা উৎপাদন করে তারা গরিব ও কষ্টে জীবনযাপন করে। উপরন্তু বৃহৎ শিল্পের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকাও কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে।
ক. শিল্প কাঠামো কী? খ. পাট শিল্প আন্তর্জাতিক বাজার হারাচ্ছে'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের শিল্পের কথা উল্লেখ আছে বুঝিয়ে লেখো। ঘ. উল্লিখিত শিল্পের সমস্যাসমূহ সমাধানে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে?
আগের মতো বাংলাদেশ শিল্পে পশ্চাৎপদ নয়। এক সময় যেসব পণ্য বাহির থেকে আমদানি করতো তার বেশিরভাগই এখন দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন হচ্ছে। এসব শিল্পগুলো মধ্যে অন্যতম তৈরি পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, প্লাস্টিক শিল্প, সফ্টওয়্যার শিল্প। এসব শিল্প খাতগুলো সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে অবদান রাখছে।
ক. বৃহৎ শিল্প কী? খ. শিল্পায়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম সহায়ক ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পগুলো কোন ধরনের শিল্পের অন্তর্গত? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পসমূহ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত অবদান রাখতে পারছে কি? তোমার মতামত দাও।
“X” নামক দেশের সরকার জনগণের কল্যাণার্থে পরিবহন খাত এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রতি বছরই পরিকল্পনা গ্রহণ করে। কিন্তু সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে যথাসময়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই এ বছর সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ক. ক্ষুদ্র শিল্প কাকে বলে? খ. আমদানি বিকল্প শিল্প কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কোন কৌশলের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে—ব্যাখ্যা দাও। ঘ. তুমি কি মনে করো বাংলাদেশে এ কৌশল প্রয়োগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে? ব্যাখ্যা করো।
বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো, একটি দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হলে অবশ্যই ওই দেশকে আমদানি বিকল্প শিল্প নীতি অনুসরণ করতে হবে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ এ নীতি অনুসরণ করছে। এর মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের সংরক্ষণ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়। এ নীতি অনুসরণে কৌশল নির্ধারণ, কর্মসংস্থান, ভোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো কিছু সমস্যাও সৃষ্টি হয়।
ক. হাইটেক শিল্প কী? খ. স্বনির্ভরতা অর্জনে শিল্পায়ন জরুরি কেন? গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে আমদানি বিকল্প শিল্পের গুরুত্ব আলোচনা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পের সমস্যাসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক এ নীতির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
বস্তুত ৫০ ও ৬০ দশকের দিকে কাঁচাপাট রপ্তানির মাধ্যমেই বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ অর্জিত হতো। এ কারণে তখন পাটকে “সোনালি আঁশ” বলা হতো। কিন্তু পাটের বিকল্প ব্যবহার, মূল্য সমস্যা, মধ্যবর্তী ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি, প্রতিকূল বাণিজ্য শর্ত ইত্যাদির কারণে পাটের চাহিদা ও মূল্য দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। তবে বর্তমানে প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন নিষিদ্ধকরণ, পাটশিল্প উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হলে পাটশিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় ।
ক. আমদানি বিকল্প শিল্প কী ? খ. কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কুটির শিল্পের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পাটশিল্পের সমস্যাসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পাটশিল্পের সম্ভাবনা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
জনাব রহিম ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি কারখানা স্থাপন করেন। কারখানার ৩২৫ জন শ্রমিকের অধিকাংশই দক্ষ। প্রতিবছর তিনি তার কারখানা থেকে ভালো মুনাফা লাভ করেছেন। এ ধরনের শিল্প স্থাপনে প্রচুর মূলধন লাগে। তাই উন্নয়নশীল দেশে এ শিল্পের সংখ্যা কম। দেশে এসব শিল্পের প্রসার ঘটানো সম্ভব হলে বেকারত্ব হ্রাসের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
ক. ক্ষুদ্র শিল্প কাকে বলে? খ. ফার্ম ও শিল্পের মধ্যে পার্থক্য লেখো। গ. জনাব রহিম যে কারখানা স্থাপন করেছেন তা কোন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত? উক্ত শিল্পের সুবিধা লেখো। ঘ. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পের বিকল্প নেই— তুমি কি এই বক্তব্যের সাথে একমত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কৃষির ওপর জনসংখ্যার চাপ হ্রাস, মহিলাদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি, সম্পদের সুষম বণ্টন ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়সহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের কুটির শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও নানাবিধ সমস্যার ভারে এ শিল্প জর্জরিত। সহজশর্তে ও কম সুদে পর্যাপ্ত, ঋণের মাধ্যমে মূলধন সরবরাহ করা হলে এ শিল্প অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে।
ক. হাইটেক শিল্প কী? খ. আমদানি বিকল্প শিল্প কীভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কুটির শিল্পের কোন সমস্যাটি সমাধানের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

ক. PPP-এর পূর্ণরূপ কী ? খ. বর্তমানে চামড়া শিল্পের অবনতির কারণ কী? গ. উপরের উদ্দীপক অনুযায়ী বৈদেশিক নির্ভরশীলতা হ্রাস করার জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? ঘ. বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈদেশিক নির্ভরশীলতা হ্রাসে কোন শিল্পনীতি বেশি কার্যকর? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

ক. সংরক্ষিত শিল্প কী? খ. “আমদানি বিকল্প শিল্প বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে' পাটজাত দ্রব্যের উৎপাদনের পরিমাণকে স্তম্ভ চিত্রে প্রকাশ করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের পাট শিল্পের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশের ওয়াল্টন, ভিশন, মাইওয়ান, মিনিস্টার প্রভৃতি কোম্পানি বর্তমানে দেশেই ভালোমানের টিভি, ফ্রিজ, এয়ারকুলার ইত্যাদি পণ্য উৎপাদন করছে। এর পূর্বের তুলনায় আমদানি ব্যয় অনেকটা হ্রাস পেয়েছে এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। এই বিশেষ কৌশল অবলম্বনের ফলে বাংলাদেশ স্বনির্ভরতা অর্জন করছে। এবং ভোগ্যপণ্য ও মূলধনী পণ্য উৎপাদনে দক্ষতা অর্জন করছে।
ক. PPP- এর পূর্ণরূপ লেখো । খ. “কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কুটির শিল্প ভালো ভূমিকা রাখে”। -ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কোম্পানিগুলোর শিল্প কৌশলের পরিচয় ব্যাখ্যা করো। ঘ. স্বনির্ভরতা অর্জনে উক্ত কৌশলকে কি তুমি যথার্থ মনে করো?- মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
পাট বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। উৎপাদন! খরচ বৃদ্ধি, মূল্য সমস্যা, মূলধন ও উউদ্যোক্তার অভাব, পণ্য, বহুমুখীকরণের অভাব, বিকল্প দ্রব্যের উপস্থিতি, প্রতিকূল বাণিজ্য শর্ত ইত্যাদি সমস্যা এ শিল্পে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে কৃত্রিম আঁশ ও সিনথেটিক দ্রব্য পরিবেশ দূষণের কারণ হওয়ায় পাটের প্রতি বিশ্বব্যাপী আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। পাট পরিবেশবান্ধব এবং সবুজ পাট থেকে কাগজ ও রেয়ন তৈরির মুণ্ড উদ্ভাবন করা হয়েছে যার চাহিদা সমগ্র বিশ্বে রয়েছে। পলিথিন ব্যাগের বিকল্প হিসেবে পাটের তৈরি ব্যাগের চাহিদা ক্রমশ: বাড়ছে। তাই পাটের ভবিষ্যৎ উজ্জল ।
ক. শিল্প কী? খ. ফার্ম ও শিল্প এক নয়'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পের সমস্যাগুলো ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘পাটের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উজ্জ্বল'-মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশ প্রতি বছর শিল্প ও কৃষির যন্ত্রপাতি, নির্মাণ সামগ্রী, প্রসাধনী দ্রব্য ইত্যাদি বিদেশ থেকে কেনার জন্য মুদ্রা ব্যয় করে। পক্ষান্তরে, বর্তমানে আমাদের দেশ হতে পাট, চা, তৈরি পোশাকসহ ইত্যাদি পণ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয় এমতাবস্থায় যেসব দ্রব্য আমদানি করা হয় সেসব দ্রব্যের শিল্প স্থাপন দেশের অভ্যন্তরে করা সম্ভব হলে, দেশের আয় দেশেই থাকবে। ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
ক. রপ্তানিমুখী শিল্প কী? খ. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কীভাবে গ্রামীণ অর্থনীতি বিকাশে ভূমিকা রাখে? । গ. উদ্দীপক থেকে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের তালিকা প্রস্তুত করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি কীভাবে বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি হ্রাস ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে? তোমার মতামত দাও ।
অর্থনীতির শিক্ষক জনাব জাহাঙ্গীর আলম ক্লাসে বললেন যে, বাংলাদেশের গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক অবস্থার সাথে মিল রেখে এমন শিল্প স্থাপন করা প্রয়োজন যেখানে স্বল্প মূলধন বিনিয়োগ, নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নিজস্ব গৃহে উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব।
ক. সংরক্ষিত শিল্প কী? খ. শিল্পায়নের মাধ্যমে কৃষির আধুনিকায়ন কীভাবে প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের শিল্প সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লিখিত শিল্পের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
বাংলাদেশে নিয়মিতভাবে গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি পশু জবাই করা হয়। তাছাড়া ঈদ-উল-আযহার সময় কমপক্ষে ২০-২৫ লক্ষ পরু-মহিষ এবং ৪০-৪৫ লক্ষ ছাগল-ভেড়া জবাই করা হয়। দেশে এবং বিদেশে এসব চামড়ার চাহিদা অনেক বেশি। কিন্তু দুঃখের বিষয়। সাম্প্রতিককালে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে মূল্যবান চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা কিংবা নদীতে ফেলে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।
ক. অগ্রাধিকার শিল্পের সংজ্ঞা দাও । খ. PPP যৌথভাবে ঝুঁকি বহন করে কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার প্রধান তিনটি কারণ ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধানের জন্য তুমি কী কী সুপারিশ করবে? বিশ্লেষণ করো।
রহমান সাহেব দেশের নামকরা শিল্পোদ্যোক্তা। তিনি চামড়াজাত দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করে প্রচুর আয় করেন। তার কারখানায় অনেক লোক কাজ করে। গত বছর রপ্তানি মেলায় রহমান সাহেব পুরস্কৃত হন।
ক. হাইটেক শিল্প কাকে বলে? খ. পাট শিল্প কীভাবে তার হারানো গৌরব ফিরে পেতে পারে? গ. উদ্দীপকের শিল্পটির ধরন ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে আলোচিত শিল্পটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বর্তমান সরকার বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছে। ফলে নাগরিক জীবনে স্বস্তি এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
ক. শিল্প কী? খ. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কীভাবে দেশের সুষম উন্নয়ন ঘটায়? গ. উদ্দীপকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের শিল্পনীতির কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি নীতির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
জনাব তাপস শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে নিজ এলাকায় সুপরিচিত। তার সিমেন্ট ও সার উৎপাদন কারখানা রয়েছে। তার কারখানায় এক হাজারের অধিক শ্রমিক কাজ করে। তিনি কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদনের নতুন কারখানা স্থাপনের কাজ করছেন। তার শিল্প কারখানার জন্য ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ পেয়েছেন, সরকারও তাকে নানারকম সহযোগিতা প্রদান করছে। দেশের আমদানি হ্রাসে জনাব তাপস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
ক. মাঝারি শিল্প কাকে বলে? খ. শিল্পায়ন কীভাবে কৃষিকে সহায়তা করে? গ. উদ্দীপকে মি. তাপসের শিল্প কারখানা কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে আলোচিত শিল্পের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে 'ক' শিল্প থেকে। 'ক' শিল্প বর্তমানে বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। অনগ্রসর নারীদের কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়নের ক্ষেত্রে, শিল্পটি প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
ক. কুটির শিল্প কী? খ. শিল্পায়নের মাধ্যমে কীভাবে একটি দেশ স্বনির্ভরতা অর্জন করে? গ. উদ্দীপকে 'ক' দ্বারা কোন ধরনের শিল্পকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. তুমি কি মনে করো বাংলাদেশ 'ক' দ্বারা নির্দেশিত শিল্পের সমস্যা রয়েছে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।