Questions in this chapter
মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ূন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ূন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও
শক্ত হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।
ক. রবার্ট ক্লাইড কাকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন?
খ. “কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।" —উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের হুমায়ুনের সিংহাসনে আরোহণ এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনে আরোহণের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ. 'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়”— বিশ্লেষণ করো।
বর্গি এলো খাজনা নিতে
মারল মানুষ কত।
পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামল
গ্রাম যে শত শত।
হানাদারের সঙ্গে জোরে
লড়ে মুক্তিসেনা,
তাদের কথা দেশের মানুষ
কখনো ভুলবে না।
ক. সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
খ. “আমরা এমন কিছু করলাম, যা ইতিহাস হবে।"— উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
গ. উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
ঘ. "উদ্দীপকের মুক্তিসেনা এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা।” – মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
বীথি ও সাথি দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বৃদ্ধ তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথিকে দান করে যান । এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথি সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথির কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।
ক. সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করেন?
খ. “আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।" — উক্তিটির সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের বীথি ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম চরিত্রের তুলনা করো।
ঘ. “বীথি ও সাথির দ্বন্দ্ব নিতান্তই পারিবারিক। পক্ষান্তরে ঘসেটি বেগম ও সিরাজের দ্বন্দ্ব অনেকটা রাজনৈতিক।” —উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
মাত্র সতেরো জন সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খলজি সুদূর তুরস্ক থেকে এসে বাংলার সিংহাসন দখল করে নিয়েছিল। সামান্য কয়জন ছদ্মবেশী বণিক যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, শৃঙ্খলা ও চাতুর্য দিয়ে। পক্ষান্তরে লক্ষ্মণ সেনের রাজপ্রাসাদ ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় পরিপূর্ণ ও অরক্ষিত। তার বিশাল বাহিনী যুদ্ধ না করে পালিয়ে গেল। লক্ষ্মণ সেনও রাজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতা।
ক. ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
খ. ট্র্যাজেডি হিসেবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
গ. উদ্দীপকের সাথে “সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন ক্ষেত্রে তুলনীয়?
ঘ. “মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতা।' —এই উক্তি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য - কথাটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্য শক্তির।
ক. “আমাদের কারো অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।”— উক্তিটি কার?
খ. ‘“আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল দেয়ালের ভিড়।”— বুঝিয়ে দাও।
গ. উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের মেঘনাদ এবং ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্র দেশপ্রেমের এক অনুপম প্রতীক!”— বিশ্লেষণ করো?
বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা । সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারেন না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।
ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন ?
খ. “ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।” –ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
ঘ. “উদ্দীপকে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।” —বিশ্লেষণ করো।
বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারেন না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।
ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
খ. “ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।” –ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
ঘ. “উদ্দীপকে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।” – বিশ্লেষণ করো।
স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,
সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে
স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার সুধা দান,
স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ ।
মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে, বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে ।
দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,
শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর ।
ক. “ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ” —উক্তিটি কাদের প্রতি করা হয়েছিল?
খ. “তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে, সিরাজ” –কে, কাকে লক্ষ করে কেন এ উক্তিটি করেছিল?
গ. উদ্দীপকের “মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয়তলে” চরণটিতে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দৃশ্যের বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো ।
ঘ. উদ্দীপকের স্বাধীনতার আস্বাদন “সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো ।
হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তাঁর চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তাঁর এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া
রাস্তায় নেমে আসেন ।
ক. “মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি” –এখানে সেনাপতির নাম কী?
খ. “আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই” —উক্তিটি কে, কখন এবং কাকে করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. “উদ্দীপকের হোসেন মিয়ার অপরিসীম মহানুভবতা ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ মন্তবটির - যথার্থতা বিচার করো ।
ঘ. “সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?” —বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে
ব্যাখ্যা করো ।
‘ছৈলারচর' বিষখালী নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চর । পলিতে উর্বর চরের ভূমি । এলাকার বৈলাম মল্লিক চরের ভূমি দখলের লোভ সামলাতে পারল না । কিন্তু এলাকার সমাজসেবক জমিদারের বিরুদ্ধে লড়বে কে? বৈলাম গোপনে সখ্য করেন জমিদারের দূর- সম্পর্কের জ্ঞাতি ভাই পিলু সিকদারের সাথে। তার সহায়তায় বৈলাম মল্লিক এবং তার চাটুকার বাহিনী চর দখল করে। এখন বৈলামের <নতুন চরের দায়িত্ব নেয়া ও নেতৃত্বের দাপট দেখানোর সময়। সে পিলু সিকদারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছাড়া ছৈলারচরের দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা দেখায় । এভাবে নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চরটি জমিদারের নেতৃত্ব হারায় ।
ক. 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে শেষ সংলাপ কার ?
খ. “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা” – ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বৈলাম মল্লিকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা করো ।
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের করুণ পরিণতির আংশিক ছায়াচিত্র।” – মতামত বিশ্লেষণ করো ।
শোনো, একদিন এই দেশটাতে
দানবেরা দেয় হানা
শকুনেরা মেলে ডানা
পুড়ে ছারখার মাঠের শস্য
মানুষের আস্তানা ।
ক. নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন খাল পেরিয়ে ছুটে আসছে?
খ. "ফিরে এসেছি রাজধানীতে স্বাধীনতা বজায় রাখবার শেষ চেষ্টা করব বলে।" —উক্তিটি ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকের ‘দানবেরা', 'শকুনেরা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে? বিশ্লেষণ করো।
ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,
বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-
এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।
আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ
বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;
যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।
ক. সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
খ. “আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে”— এ উক্তির তাৎপর্য কী?
গ. উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
ঘ. “বিশ্বাসঘাতক প্ৰভু নিয়েছে বিদায়”— এ উক্তিটি ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
'মেঘনাদবধ'-কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে। বিষণ্ণ ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।
ক. কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?
খ. “শওকতজঙ্গ নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে”– কেন?
গ. উদ্দীপকের রাবণ চরিত্রটি ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।
ঘ. উদ্দীপকের দেশপ্রেম ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তা মূল্যায়ন করো।
নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দেবেন?” রাশেদ তাকে বাইকের পেছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমেষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।
ক. ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
খ. “ইনি কি নবাব, না ফকির?'— মিরজাফর সম্পর্কে ক্লাইভের এ উক্তির কারণ কী?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পঙ্গু লোকটির বিশ্বাসঘাতকতার সাথে ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কতটুকু মিল আছে? আলোচনা করো।
ঘ. ‘সরল বিশ্বাসের কারণে মানুষ প্রতারণার শিকার হয়'— উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য তা বিশ্লেষণ করো।
ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস
করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশপ্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাৎ করে আত্মগোপন করে৷
ক. 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপ কার?
খ. রবার্ট ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে মিরনের বাড়িতে এসেছিল কেন?
গ. উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
ঘ. নবাব সিরাজউদ্দৌলার অদূরদর্শিতাসমূহ উদ্দীপকের ব্যাংক ম্যানেজারের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটররা ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেননি। তাঁরা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ দেন। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে বিস্মিত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!'
ক. ওয়াটসনের সই জাল করে দিয়েছে কে?
খ. “বাট আই অ্যাম সিউর নবাব ক্যান কজ নো হার্ম টু আস।”— উক্তিটি কেন করা হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের জুলিয়াস সিজার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
ঘ. “ব্রুটাসেরা কেবল রোমেই নয়, এ বাংলাতেও বিচরণ করেছে।" — উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটির মূল্যায়ন করো।
১৯৭১ সাল। যুদ্ধে উত্তাল পূর্ব বাংলা। পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালির ওপর অকথ্য নির্যাতন ও হত্যাযজ চালিয়ে যাচ্ছে। বাঙালি বিভক্ত হয়ে গেছে একাধিক দলে। এক দল যোগ দিয়েছে পশ্চিমাদের পক্ষে, অন্য দল বুক চিতিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করছে। এরই মধ্যে পনেরো বছর বয়সের রিপন যোগ দেয় মুক্তিবাহিনীতে। বয়স কম হওয়ায় অস্ত্র ধরার অনুমতি পায়নি সে। কিন্তু হানাদার বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অস্ত্র আনা-নেওয়া, মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার ও ওষুধ সরবরাহ, পাকিস্তানি বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে গোপন তথ্য সংগ্রহের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ রিপন করে চলে সাহসিকতার সঙ্গে।
ক. সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার কী নামকরণ করেন?
খ. “একটা দিন মাত্র, একটা দিনও যদি ওই মসনদে মাথা উঁচু করে আমি বসতে পারতাম।"— বুঝিয়ে লেখো।
গ. উদ্দীপকের রিপনের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে তা আলোচনা করো ।
ঘ. “প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক উভয়ই অস্থির সময়কে ধারণ করে। " — উক্তিটি সম্পর্কে তোমার অভিমত পর্যালোচনা করো ।
রফিকরা চার ভাই। রফিকের বাবা বর্তমান এবং তিনি চার ভাইকে ব্যবসায়ের সব কাজ ভাগ করে দেন। রফিক পেয়েছে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব। এতে তার ব্যক্তিগত জমার খাতাটাও বেশ ভরে উঠছিল। অন্য সন্তানদের রফিক ঠকাচ্ছে এই সন্দেহ করে তার বাবা কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেন। রফিকের ছোট ভাই জামিলকে সেই দায়িত্ব অর্পণ করা হলে রফিক অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়। জামিলের বিরুদ্ধে সে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। এক পর্যায়ে জামিলকে সে হত্যা করে।
ক. বন্দি সিরাজউদ্দৌলাকে কোথায় রাখা হয়?
খ. 'ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ'— উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
গ. রফিক চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে তুমি মনে করো। তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তি দেখাও৷
ঘ. “উদ্দীপকের জামিল ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি যেন এক ও অভিন্ন।”—মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
আবদুল খুব লোভী প্রকৃতির। টাকা ছাড়া জীবনে সে আর কিছুই চেনে না। একসময় এই টাকাই তার জীবনের কাল হয়ে
দাঁড়ায়। প্রতারিত হয়ে টাকার শোকে আবদুল পাগল হয়ে পথে পথে ঘুরতে ঘুরতে অকালে মৃত্যুবরণ করে।
ক. কে নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্যই হাসিল হবে?
খ. 'ওর লোভের অন্ত নেই।'—উদ্ধৃতিটি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে আবদুলের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের বক্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক ভাব ধারণ করেছে মাত্র।” মন্তব্যটি বিচার করো।
জুলিয়াস সিজার যখন রোমে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন, তখন তার সিনেটরদের কেউ কেউ এটাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেনি ৷ তারা সিজারকে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এই চক্রান্তকারীদের সঙ্গে সিজারের প্রিয়ভাজনরাও নিজ নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য হাত মেলায়, যার মধ্যে ছিল সিজারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস । ব্রুটাস উদ্যত ছুরি হাতে সিজারকে হত্যা করতে অগ্রসর হলে বিস্মিত সিজার নিদারুণ বেদনায় শুধু উচ্চারণ করেছিল— 'ব্রুটাস তুমিও।'
ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলার জননী কে?
খ. মিরজাফর কোম্পানির সাথে দলিল সইয়ের সময় মরাকান্না শোনার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য কী ?
গ. অনুচ্ছেদের ব্রুটাস 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রটিকে মনে করিয়ে দেয়?
ঘ. 'হীন স্বার্থ চরিতার্থে নির্মম বিশ্বাসঘাতকতা যুগে যুগে মহান শাসকদের পতন ত্বরান্বিত করেছে।'— অনুচ্ছেদ ও ‘সিরাজউদ্দৌল্লা’ অবলম্বনে মন্তব্যটি যাচাই করো।