Questions in this chapter
দৃশ্যকল্প-১: কুমার হলেন অবিবাহিত পুরুষ।
দৃশ্যকল্প-২: শৈশব হলো জীবনের প্রভাতকাল
দৃশ্যকল্প-৩: যুদ্ধ নয় শান্তি।
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. যৌক্তিক সংজ্ঞার দুটি সীমা লেখো।
গ. দৃশ্যকল্প-১ এ কোন ধরনের সংজ্ঞা অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩ এ যে সংজ্ঞাদোষ ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করো৷
যুক্তিবিদ্যা ক্লাসে নিখিল স্যার যৌক্তিক সংজ্ঞা পড়াতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘মানুষ' পদের সংজ্ঞা দিতে বললেন। উত্তরে নয়ন বললো, "মানুষ হলো জীব”। 'সুমি বললো, “না স্যার, মানুষ হলো মনুষ্য জাতীয় জীব”। তাদের উত্তর শুনে নিখিল স্যার বিষয়টি নিয়ে ক্লাসে বিস্তারিত আলোচনা করলেন।
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. রূপক সংজ্ঞা অনুপপত্তি কখন ঘটে?
গ. উদ্দীপকে সুমির যৌক্তিক সংজ্ঞায় কোন ধরনের অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. নয়ন ও সুমির প্রদত্ত সংজ্ঞার মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
১ম চিত্র: সুখ হলো দুঃখের অভাব।
২য় চিত্র: মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন শিক্ষিত প্রাণী।
৩য় চিত্র: মানুষ হয় প্রাণী।
ক. সংজ্ঞা কী?
খ. পরতম জাতির কি সংজ্ঞা দেওয়া যায়?
গ. ১ম চিত্রে যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন নিয়মের লঙ্ঘন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের ২য় ও ৩য় চিত্রে যে দুটি নিয়মের অনুপপত্তি ঘটেছে তাদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
দৃশ্যকল্প-১: শিক্ষক হলেন তিনি যিনি শিক্ষকতা করেন।
দৃশ্যকল্প-২: পাপ নয় পুণ্য।
দৃশ্যকল্প-৩: চরিত্র হয় মানব জীবনের মুকুট।
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কাকে বলে?
খ. যৌক্তিক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে নামবাচক শব্দ ব্যবহার করা যায় না কেন?
গ. দৃশ্যকল্প-১ এ কোন ধরনের অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩ এ যৌক্তিক সংজ্ঞার যে অনুপপত্তি ঘটেছে তা তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
রনি বললো, “হাতি হলো চতুষ্পদ জীব। তুলি বললো, “না, হাতি হলো হস্তী।”
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. যৌক্তিক সংজ্ঞায় কেন নিয়ম মেনে চলতে হয়?
গ. উদ্দীপকে রনির উক্তিতে যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন অনুপপত্তি ঘটেছে?
ঘ. উদ্দীপকে তুলির বক্তব্য যে বিষয়কে নির্দেশ করে তা উদাহরণসহ, বিশ্লেষণ করো।
সুজন ও জিনিয়া সকালে কলেজ লাইব্রেরির বারান্দায় বসে গল্প করছিল। গল্পচ্ছলে এক সময় মানুষ সম্পর্কে প্রসঙ্গে এলে জিনিয়া সুজনকে প্রশ্ন করল, ‘মানুষ কী?' উত্তরে সুজন বললো, “মানুষ হয় সভ্য জীব । জিনিয়া বললো, 'তোমার উত্তর সঠিক হয়নি, কেননা মানুষ হয় সামাজিক জীব।'
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কাকে বলে?
খ. সংজ্ঞায় দুর্বোধ্য ভাষা ব্যবহার করা যায় না কেন?
গ. উদ্দীপকে সুজনের বক্তব্যে যৌক্তিক সংজ্ঞা কোন ধরনের অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে মানুষ সম্পর্কে সুজন ও জিনিয়ার বক্তব্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
দৃশ্যকল্প-১: রজনী হয় যামিনী।
দৃশ্যকল্প-২: পুরুষ নয় নারী।
দৃশ্যকল্প-৩: জীবন হলো বেদনা।
ক. বাহুল্য সংজ্ঞা কাকে বলে?
খ. ‘পরতম’ জাতির সংজ্ঞা দেওয়া যায় না কেন?
গ. দৃশ্যকল্প-২ এ কোন ধরনের অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যকল্প-১ এবং দৃশ্যকল্প-৩ এ যৌক্তিক সংজ্ঞাগত যে পার্থক্য রয়েছে তা বিশ্লেষণ করে দেখাও।
দৃশ্যকল্প-১: সাহিত্য হলো সমাজের প্রতিচ্ছবি।
দৃশ্যকল্প-২: যিনি শিক্ষা দান করেন তিনিই শিক্ষক।
দৃশ্যকল্প-৩: মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. মৌলিক গুণের সংজ্ঞা দেওয়া যায় না কেন?
গ. দৃশ্যকল্প-২ এ কোন ধরনের অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-৩ এ পাঠ্যপুস্তকের যে দুটি বিষয়ের ইঙ্গিত রয়েছে তা বিশ্লেষণ করো।
শীতকালীন ছুটিতে রফিক সাহেব শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি পৌঁছালেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অনেক ছোটগল্প, কবিতা ও সংগীত সম্পর্কে তিনি তার একমাত্র মেয়ে পিয়াকে ধারণা দিলেন। বাড়ি ফেরার পথে পিয়া জানতে চায়-আব্বু সংগীত কী? জবাবে রফিক সাহেব বলেন, “সংগীত হলো একটা দুর্মূল্য কোলাহল।” পিয়া এর অর্থ কিছুই বুঝল না।
ক. মানুষ পদের যৌক্তিক সংজ্ঞা দাও।
খ. সংজ্ঞায় দুর্বোধ্য ভাষা ব্যবহার করা যাবে না কেন?
গ. উদ্দীপকে সংগীতের সংজ্ঞাদানে কোন ধরনের সমস্যা হয়েছে বলে তুমি মনে কর?
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে সংজ্ঞাদান প্রক্রিয়াটি আলোচনা করো।
সোহেল বললো, 'মানুষ হলো বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।' নাসির বললো, 'মানুষ হলো এমন জীব যার দু'টি পা, দু'টি হাত আছে; সে হাসে, কাঁদে ও তার ব্যক্তিত্ব আছে।' আসমা বললো, 'মানুষ হলো কলুর বলদ।'
ক. বাহুল্য সংজ্ঞা কী?
খ. পাপ নয় পুণ্য— সংজ্ঞাটি সঠিক নয় কেন?
গ., আসমার বক্তব্যে যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন নিয়মের লঙ্ঘন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সোহেল ও নাসিরের বক্তব্যে যে দু'টি বিষয় ফুটে উঠেছে তাদের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
দৃশ্যকল্প-১ : 'সংগীত হলো দুর্মূল্য কোলাহল'।
দৃশ্যকল্প-২ : 'যিনি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করেন তিনিই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।'
দৃশ্যকল্প-৩ : ‘মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।'
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. স্বকীয় নামবাচক পদের সংজ্ঞা দেওয়া যায় কি? বুঝিয়ে লেখো।
গ. দৃশ্যকল্প-১ এ প্রদত্ত সংজ্ঞায় কোন ধরনের অনুপপত্তি সংঘটিত হয়েছে? নিয়মসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়মের আলোকে দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩ ‘এর মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সোহেলকে বললেন, মানুষ সম্পর্কে কিছু বলো। সোহেল বললো, 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন শিক্ষিত জীব।' এরপর শিক্ষক শিশিরকে বললেন, তুমি কি তার সাথে একমত? উত্তরে শিশির বললো, 'না, আমার মতে মানুষ হলো মনুষ্য জাতীয় জীব।' তখন
শিক্ষক বললেন, তোমরা দু'জনেই ভুল উত্তর দিয়েছ।
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা বলতে কী বোঝ?
খ. রূপক সংজ্ঞা অনুপপত্তি কখন ঘটে? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে সোহেলের বক্তব্যে কোন ধরনের সংজ্ঞা দোষ ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে সোহেল ও শিশিরের বক্তব্যের আলোকে যে সংজ্ঞা দোষ ঘটেছে তার তুলনামূলক ব্যাখ্যা দাও।
দীপা ম্যাডাম ক্লাসে ঢুকেই প্রশ্ন করলেন, 'মা' সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী? মীনা বলল, 'মা হচ্ছে পাখাবিহীন আদর্শ জীব।' 'মোটেই না, মা হচ্ছে এমন জীব যার মাতৃত্ব আছে।'— শীলার উত্তর। ম্যাডাম বললেন, 'ভিন্ন আঙ্গিকে তোমাদের দু'জনের ধারণাই ঠিক।'
ক. জাত্যর্থের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
খ. স্বকীয় নামবাচক পদের সংজ্ঞা দেওয়া যায় না কেন?
গ. উদ্দীপকে মীনার ধারণা পাঠ্যসূচির কোন বিষয়ের সাথে মিল রয়েছে?
ঘ. 'মা' সম্পর্কে শীলা ও মীনার ধারণার' পার্থক্য পাঠ্যবিষয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
দৃশ্য-১ : মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।
দৃশ্য-২: শিক্ষক হচ্ছেন তিনি যিনি শিক্ষা দান করেন।
ক. জাত্যর্থ কী?
খ. সংজ্ঞা হলো জাত্যর্থের পূর্ণ বিবৃতি— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকটি পাঠ্যসূচির যে বিষয়কে ইঙ্গিত করে তার সীমাবদ্ধতা আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকে দৃশ্য-২ দ্বারা নির্দেশিত বিষয়টি দৃশ্য-১ এর মতো নিয়মসিদ্ধ হয়নি— মূল্যায়ন করো।
মিঃ পাটোয়ারী ক্লাসে যৌক্তিক সংজ্ঞা পড়াতে গিয়ে ছাত্র মিঠুকে 'বিড়াল' পদের সংজ্ঞা দিতে বললেন। উত্তরে মিঠু বললো, 'বিড়াল হয় প্রাণী'। পরে মামুনকে জিজ্ঞেস করলে সে উত্তর দেয়, স্যার "বিড়াল হয় চতুষ্পদী ইতর প্রাণী'। তখন মিঃ পাটোয়ারী বললেন, তোমাদের দু'জনেরই উত্তর ভুল।
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. নেতিবাচক সংজ্ঞা বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে মিঠুর বক্তব্যে যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে মামুনের বক্তব্যে যে ভুল রয়েছে তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
মিশা বললো, কোনো জিনিসকে জানতে হলে সেটা যেরকম সেভাবেই জানতে হবে। যেমন- লাল শাড়িটি হলো লাল বর্ণের। সীমা বললো, 'কেউ-কেউ আবার নিজের মতো করে কোনো জিনিসকে প্ৰকাশ করে। যেমন- তারা মানুষকে প্রকাশ করতে গিয়ে বলে যে, মানুষ হলো যুক্তিপ্রবণ জীব কিংবা মানুষ হলো হাস্যপ্রিয় জীব।'
ক. রূপক সংজ্ঞা কী?
খ. 'মানুষ একটা জীব'— সংজ্ঞাটিতে কোন দোষ ঘটেছে?
গ. মিশার বক্তব্যে যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন নিয়মের প্রকাশ ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সীমার বক্তব্যে যে দুটি সংজ্ঞা দোষ ঘটছে তা বিশ্লেষণ করো।
দৃশ্যকল্প-১: “আঁধার হলো আলোর অভাব।"
দৃশ্যকল্প-২ : “শৈশব হলো জীবনের প্রভাতকাল। ”
দৃশ্যকল্প-৩: “সমাজ সংস্কারক হলেন সেই ব্যক্তি যিনি সমাজ সংস্কার করেন।"
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. মৌলিক গুণের সংজ্ঞা দেওয়া যায় না কেন?
গ. দৃশ্যকল্প-১ এ কোন ধরনের অনুপপত্তি ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যকল্প-২ এবং ৩ এ যে দুটি বিষয়ের ইঙ্গিত করেছে সে বিষয় দু'টির মধ্যে পার্থক্য লেখো।
মনির সাহেব পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে বাসায় ফিরে হতাশার সুরে স্ত্রীকে বললেন, মানুষ আর মানুষ নেই, সব পশু হয়ে গেছে। উত্তরে স্ত্রী বলল, মানুষ কখনো পশু হয় না কারণ 'মানুষ হচ্ছে মানবিক জীব, তাই তাকে মানুষ বলাই শ্রেয়।' মানুষ সম্পর্কে বাবা মায়ের এমন বক্তব্য শুনে মেয়ে আতিকা বলল, বাবা মানুষকে পশু বলো না কারণ ‘মানুষ হচ্ছে সৃষ্টির মুকুট।'
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কাকে বলে?
খ. সংজ্ঞা প্রদানের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ উভয়ের প্রয়োজনীয়তা আছে— বুঝিয়ে লিখো।
গ. উদ্দীপকে মানুষ সম্পর্কে আতিকা যে সংজ্ঞাটি দিয়েছে, তাতে যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে মনির সাহেবের স্ত্রীর বক্তব্য যৌক্তিক সংজ্ঞার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
সুমন ও কেয়া একদিন বিকেলে পাবলিক লাইব্রেরির বারান্দায় রসে গল্প করছিল। গল্পচ্ছলে এক সময় মানুষ সম্পর্কে প্রসঙ্গ এলে কেয়া সুমনকে জিজ্ঞেস করল, 'মানুষ কী'? উত্তরে সুমন বললো, 'মানুষ হয় সভ্য জীব।' কেয়া বললো, তোমার উত্তর সঠিক হয়নি, কেননা, মানুষ হয় সামাজিক জীব।'
ক. যৌক্তিক সংজ্ঞা কী?
খ. যৌক্তিক সংজ্ঞায় কেন নিয়ম মেনে চলতে হয়?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত মানুষ সম্পর্কে সুমনের উত্তরের যৌক্তিকতা নিরূপণ করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত মানুষ সম্পর্কে কেয়ার উত্তর বিশ্লেষণ করো।
কফিল উদ্দিন গ্রামের একজন মুদি দোকানদার। তিনি একটি হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দেয়ার জন্য জেলা জজ আদালতের কাঠগড়ায় উঠে দাঁড়ালেন। জজ সাহেব ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে কফিলউদ্দিন যেভাবে ঘটনা দেখেছেন সেভাবে বললেন। আসামির হাতে একটি চাকু ও পিছল দেখেছিলেন। সে তার সাক্ষীতে তা উল্লেখ করেন। এতে জজ সাহেব প্রকৃত ঘটনা বুঝতে পারেন এবং আসামিকে শাস্তি প্রদান করেন।
ক. বর্ণনা কী?
খ. আনন্দ হচ্ছে বেদনার অভাব' সংজ্ঞাটি সঠিক নয় কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কফিলউদ্দিনের সাক্ষ্য যুক্তিবিদ্যার কোন বিষয়টি প্রকাশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টির সঙ্গে যৌক্তিক সংজ্ঞার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।