Questions in this chapter
মহাকাশযানে ওজন শূন্যতার অনুভূতি হয়–
পৃথিবীর ব্যাসার্ধের 2 গুণ কিন্তু একই ঘনত্ববিশিষ্ট কোনো গ্রহের মুক্তিবেগ হবে (যখন পৃথিবীর মুক্তিবেগ 11 km/s) –
m ভরের একজন নভোচারী একটি নভোযানে থাকা অবস্থায় নভোযানটি ভূপৃষ্ঠ হতে 4g ত্বরণে ঊর্ধ্বমুখী যাত্রা করে। এতে নভোযানটি যে বলে নভোচারীকে ধাক্কা দিবে তা হলো –
যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ 1% কমানো হয় কিন্তু ভর সমান থাকে, তাহলে ভূপৃষ্ঠের g এর মান:
যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R এবং ভূ-কেন্দ্র হতে r এমন একটি দূরত্ব হয়, যেন r < R, তাহলে r দূরত্বে g সমানুপাতিক হবে:
ভূপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g হলে পৃথিবীপৃষ্ঠ হতে কোনো m ভরের বস্তুকে ধীরে ধীরে পৃথিবীর ব্যাসার্ধের সমান R উচ্চতায় নিয়ে গেলে কৃতকাজ হবে –
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ 5 গুণ করে g এর মান স্থির রাখতে হলে ঘনত্ব যতগুণ করতে হবে তা হলো—
m ভরের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ ভূপৃষ্ঠ হতে R উচ্চতায় ঘুরছে। যদি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রে প্রাবল্য g এবং পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R হয়, তবে ঐ কৃত্রিম উপগ্রহের গতিশক্তি হবে–
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R = 6400 km এবং অভিকর্ষীয় ত্বরণ হলে, m= 5kg ভরের কোনো বস্তু যদি বিষুব অঞ্চলে ওজনহীন হয়, তবে পৃথিবীর কৌণিক দ্রুতি হবে–
A গ্রহের ব্যাসার্ধ ও ঘনত্ব B গ্রহের ব্যাসার্ধ ও ঘনত্বের তুলনায় যথাক্রমে দ্বিগুণ ও এক-তৃতীয়াংশ হলে, -
একটি বস্তুকে সোজা উপরের দিকে v বেগে নিক্ষেপ করলে বস্তুটি পৃথিবীর আকর্ষণ হতে মুক্তি পায়। যদি বস্তুটিকে অনুভূমিকের সাথে 45° কোণে নিক্ষেপ করা হয়, তবে মুক্তিবেগ হবে :
অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g' এর মান সবচেয়ে কম–
দুটি বস্তুর মধ্যে যে দূরত্ব আছে তা অর্ধেকে নেমে আসলে মহাকর্ষ বল–
পৃথিবী পৃষ্ঠে মুক্তিবেগের মান –
বিষুবীয় অঞ্চল হতে মেরু অঞ্চলের দিকে গেলে g এর মান–
খাড়া উপরের দিকে g-এর মান–
ভূ-স্থির কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল –
m ভরের একটি পাথরকে R ব্যাসার্ধের একটি শক্ত রশির প্রান্তে বেঁধে কোন উলম্ব তলে ঘুরানো হচ্ছে। সর্বোচ্চ বিন্দু ছাড়া অন্য কোন বিন্দুতে রশির টান পাথরটির ওজনের 3 গুণ হলে এ বিন্দুতে পাথরটির দ্রুতি–
1kg ভরের দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব 1m। বস্তু দুটির মধ্যে আকর্ষণ বল–
m এবং 2m ভরের দুটি বস্তুকে R ব্যাসার্ধের বৃত্তপথে একই দ্রুতিতে ঘুরানো হচ্ছে। যদি প্রথম বস্তুর উপর ঘূর্ণন প্রদানকারী বল F হয়, তবে দ্বিতীয় বস্তুর উপর ঘূর্ণন প্রদানকারী বল–