Questions in this chapter
কোনো অর্থনীতিতে বিহিত মুদ্রার পরিমাণ একক, বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি ব্যাংক অর্থের পরিমাণ একক এবং ব্যাংক অর্থের প্রচলন গতি অর্থনীতিতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ।
ক. অর্থের মূল্য কী?
খ. মোবাইল ব্যাংক কীভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রমকে সহজ করেছে? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপক হতে ফিশারের বিনিময় সমীকরণ ব্যবহার করে দামস্তর নির্ণয় কর।
ঘ. উদ্দীপকে বিহিত মুদ্রার পরিমাণ ও ব্যাংক অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হলে ফিশারের মুদ্রার পরিমাণ তত্ত্বের যথার্থতা যাচাই কর।
মৌসুমি শারমিন বেতন পেয়ে ১০,০০০ টাকা জমা দিয়ে 'ক' ব্যাংকে একটি হিসাব খুললেন। ব্যাংকের ম্যানেজার তাকে বললেন যে, 'খ' ব্যাংকের নির্দেশে তাদেরকে আমানতের ১০% অর্থ রিজার্ভ হিসেবে জমা রাখতে হয়। অবশিষ্ট টাকা বহুগুণ ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে তারা ঋণ দিতে পারে। তবে 'খ' ব্যাংক বিভিন্ন হাতিয়ার ব্যবহার করে 'ক' ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
ক. মুদ্রা কাকে বলে?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে 'খ' যে ধরনের ব্যাংক তার তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. 'ক' ব্যাংকে মৌসুমি শারমিনের জমাকৃত আমানতের বহুগুণ ঋণ সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
দেশের বিহিত মুদ্রার পরিমাণ
বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি
ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার পরিমাণ
ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি
লেনদেনের পরিমাণ
ক. বিশেষায়িত ব্যাংক কাকে বলে?
খ. 'মোবাইল ব্যাংকিং' কীভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রমকে সহজ করেছে? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপক হতে দামস্তর নির্ণয় কর।
ঘ. উদ্দীপকে অন্যান্য পরিমাণ স্থির রেখে শুধু বিহিত মুদ্রা ও ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ করা হলে মূল্যস্তরের ওপর কেমন প্রভাব পড়বে? গাণিতিক প্রক্রিয়ায় নির্ণয় কর।
নুসরাত এমন একটি ব্যাংকে চাকরি করেন, যেটি জনগণের নগদ অর্থ জমা রাখে এবং জনগণকে বিভিন্ন প্রয়োজনে ঋণ প্রদান করে থাকে। অন্যদিকে, নুসরাতের বন্ধু যে ব্যাংকে চাকরি করেন তা দেশের মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে ও মুদ্রা ছাপানোর একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে।
ক. মুদ্রা কাকে বলে?
খ. দামস্তরের সাথে মুদ্রার মূল্যের সম্পর্ক কীরূপ? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপক হতে নুসরাতের চাকরিরত ব্যাংকের তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপক অনুযায়ী নুসরাতের বন্ধুর চাকরিরত ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কীভাবে ভূমিকা রাখে? ব্যাখ্যা কর।
বিহিত মুদ্রার পরিমাণ ৮০০
বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি ৫০
ব্যাংক মুদ্রার পরিমাণ ৪০০
ব্যাংক মুদ্রার প্রচলন গতি ২৫
লেনদেনের পরিমাণ ১০০০
ক. চলতি আমানত কী?
খ. ঋণ নিয়ন্ত্রণের জন্য খেলাবাজার নীতি কীভাবে কাজ করে?
গ. উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় কর।
ঘ. উদ্দীপকে বিহিত মুদ্রা ও ব্যাংক মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ করলে অর্থের মূল্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা কর।
জনাব রাইদ একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার প্রতিষ্ঠানটি আমানত গ্রহণ, ঋণ প্রদান এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় একত্রিত করে মূলধন গঠনে সহায়তা করে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি প্রবাসীদের অর্থ দেশে প্রেরণ, মূল্যবান জিনিসপত্র লকারে সংরক্ষণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে থাকে।
ক. অনলাইন ব্যাংকিং কী?
খ. অর্থ কীভাবে মূল্যের পরিমাপক হিসেবে কাজ করে?
গ. জনাব রাইদ-এর প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম মূল্যায়ন কর।
কোনো একটি দেশের অর্থ বাজারের তথ্যসমূহ নিম্নরূপ :
বিহিত মুদ্রার পরিমাণ
বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি
ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার পরিমাণ
ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি
ক্রয়কৃত দ্রব্যসামগ্রীর পরিমাণ
ক. অর্থের ফটকা চাহিদা কী?
খ. অর্থকে মূল্যের পরিমাপক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে দামস্তর কত হবে?
ঘ. উদ্দীপকে এবং হলে অর্থের মূল্যের ওপর কীরূপ প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা কর।
এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা ওই দেশের অর্থব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে এবং নোট প্রচলন করে। অন্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা জনগণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে এবং ঋণ প্রদান করে থাকে। উভয় প্রতিষ্ঠান দেশের প্রয়োজনে কাজ করলেও তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভিন্ন।
ক. অর্থের প্রচলন গতি কী?
খ. কেন মানুষের অর্থের চাহিদা সৃষ্টি হয়?
গ. ও কী ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. "উভয় প্রতিষ্ঠান দেশের প্রয়োজনে কাজ করলেও তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভিন্ন" উক্তিটির সত্যতা বিশ্লেষণ কর।
মি. একজন অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষক। তিনি শ্রেণিকক্ষে মুদ্রার মূল্য ও দামস্তর-এর সম্পর্ক নিচে আলোচনা করতে গিয়ে একজন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ-এর বক্তব্য পেশ করেন। বক্তব্যটি হলো, "মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা ও দামস্তর বিপরীতভাবে সম্পর্কযুক্ত।” মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ হলে দ্রব্যের দামস্তর দ্বিগুণ হয় কিন্তু মুদ্রার মূল্য অর্ধেক হয়।
ক. বিহিত মুদ্রা কী?
খ. ব্যাংক হার কীভাবে মুদ্রার যোগানকে প্রভাবিত করে?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বক্তব্যটির সাথে সম্পর্কিত তত্ত্বটি আলোচনা কর।
ঘ. উদ্দীপক অনুযায়ী মুদ্রার পরিমাণ চারগুণ হলে মুদ্রার মূল্য কত হবে? একটি গাণিতিক উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ কর।
মি. আলম একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, যা দেশের সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। অন্যদিকে, মি. শিহাবের প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ আমানত হিসেবে জমা রাখে এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন মেয়াদে ঋণ প্রদান করে।
ক. অনলাইন ব্যাংকিং কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
গ. মি. আলম কোন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. মি. শিহাবের আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি দেশের উন্নয়নে কী ভূমিকা পালন করে? বিশ্লেষণ কর।
আলম সাহেব এমন একটি ব্যাংকে চাকরি করেন যেটি মুদ্রা ছাপায় ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে। অপরদিকে, রবিন সাহেব অন্য একটি ব্যাংকে চাকরি করেন যেটি জনগণ থেকে আমানত গ্রহণ করে ও ঋণ প্রদান করে।
ক. মুদ্রা কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে আলম সাহেবের ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক দুটির পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
একটি দেশে মোট বিহিত মুদ্রার পরিমাণ ও প্রচলিত গতি । এই দেশে ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার পরিমাণ এবং প্রচলন গতি লেনদেনের পরিমাণ ।
ক. বিহিত মুদ্রা কী?
খ. মোবাইল ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ কেন?
গ. উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটিতে লেনদেনের পরিমাণ কমে এবং ব্যাংক মুদ্রার পরিমাণ কমে হলে দামস্তরের ওপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।
শেফালি ঢাকা শহরে একটি বাসায় মাসিক ৩০০০ টাকা বেতনে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োজিত আছেন। শেফালি প্রতি মাসে বেতনের একটি অংশ “বিকাশ” বা ‘নগদ'-এর মাধ্যমে অতিসহজে গ্রামে তার পরিবারের নিকট প্রেরণ করেন। এ ধরনের নির্ঝঞ্ঝাট লেনদেন গ্রাম-শহরের কিংবা দেশ-বিদেশের প্রকৃত দূরত্ব অনেকখানি হ্রাস করেছে বলে আশা করা যায় ৷
ক. বিহিত মুদ্রা কী?
খ. “বাণিজ্যিক ব্যাংক সমাজসেবায় ভূমিকা রাখে”— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যাংকিং কার্যক্রমের সুবিধাসমূহ লেখো ।
ঘ. “আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাম-শহরের এবং দেশ-বিদেশের দূরত্ব ক্রমে হ্রাস পাচ্ছে” যুক্তি দাও ।

ক. অনলাইন ব্যাংকিং কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে মুদ্রাবাজারের অভিভাবক বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপক থেকে দেখাও যে, “দামস্তর দ্বিগুণ হলে অর্থের মূল্য অর্ধেকে নেমে আসে।"
ঘ. উদ্দীপকের চিত্রে হতে বিন্দুতে গেলে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর কী প্রভাব পড়বে বিশ্লেষণ করো।
একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে গ্রাহকদের নিকট হতে আমানত সংগ্রহ করে উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানের মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করে। অপরদিকে এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে অর্থবাজারের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে।
ক. ফিশারের বিনিময় সমীকরণটি লেখো।
খ. অর্থের একমাত্র কাজ কি বিনিময়ের মাধ্যম? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের নির্দেশিত প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজের ব্যাখ্যা দাও।
ঘ. উদ্দীপক অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কি? কীভাবে? তা ব্যাখ্যা করো।
একটি অর্থনীতির মুদ্রা বাজারের তথ্য নিম্নে দেওয়া হলো:
মোট বিহিত মুদ্রার পরিমাণ ৬০০
মুদ্রার প্রচলন গতি ৪০
ব্যাংক মুদ্রার পরিমাণ ৩০০
ব্যাংক মুদ্রার প্রচলন গতি ৪০
লেনদেনের পরিমাণ ১০০০
ক. মুদ্ৰা কী?
খ. মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণ জনগণের কাছে সহজতর’—ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় করো।
ঘ. মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ হলে অর্থের মূল্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা করো ।
বাণিজ্যিক ব্যাংক এর প্রাথমিক আমানত ৫০০০ টাকা। ব্যাংকের প্রয়োজনীয় বৈধ রিজার্ভ ১০%। কিন্তু দেশে বিদ্যমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভ হার বৃদ্ধি করে ২০% করেছে।
ক. অর্থের মূল্য কী?
খ. দামস্তরের পরিবর্তনে ব্যবসা বাণিজ্যের গতি প্রকৃতি পরিবর্তন হয় ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক হতে বৈধ রিজার্ভ ১০%-এর ক্ষেত্রে সৃষ্ট ঋণ আমানতের পরিমাণ কত?
ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ হার বৃদ্ধির ফলে ঋণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে কীরূপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করো?
একটি দেশে
বিহিত মুদ্রার পরিমাণ
ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার পরিমাণ
উভয় মুদ্রার প্রচলন গতি ও
লেনদেনের পরিমাণ
ক. অর্থের মূল্য কী?
খ. "মুদ্রার প্রচলন ব্যবসা-বাণিজ্যকে সহজ করেছে” ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় করো।
ঘ. যদি বিহিত মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ হয়, তবে অর্থের মূল্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।

ক. কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাকে বলে?
খ. ‘ব্যাংক হার’ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার— ব্যাখ্যা করো ।
গ. উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর ও অর্থের যোগানের সম্পর্ক চিত্রের সাহায্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপক থেকে অর্থের যোগান বৃদ্ধি কীভাবে অর্থের মূল্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে? ব্যাখ্যা
একটি দেশে ২০২০ সালে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রাথমিক আমানত ১০০০ কোটি টাকা এবং ঐ বছর কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত রিজার্ভ অনুপাত ছিল ২০%। ২০২১ সালে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ অনুপাত বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিল এবং খোলাবাজারে ঋণপত্র বিক্রি করল।
ক. সসীম বিহিত মুদ্রা কাকে বলে?
খ. মুদ্রার যোগানের সাথে মুদ্রার মূল্যের সম্পর্ক কেমন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক দুইটির কার্যাবলির মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ দেশটির বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদানের ক্ষমতার ওপর কি প্রভাব ফেলবে? বিশ্লেষণ করো।