Questions in this chapter
মিজান একজন স্বল্প আয়ের মানুষ। তিনি বাজারে গিয়ে লক্ষ করলেন, দিন দিন চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতোমধ্যে সরকার পণ্যের ন্যূনতম দাম নির্ধারণ, উৎপাদকদের ভর্তুকি প্রদান, ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ক. সূচক সংখ্যা কী? খ. অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি-মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণ ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে পণ্যের দাম বৃদ্ধি অর্থনীতির যে বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাজারে পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে উদ্দীপকে গৃহীত সরকারি 'পদক্ষেপসমূহ কি যথেষ্ট? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

চিত্রে প্রদর্শিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যাংক হার, নগদ রিজার্ভ অনুপাত, সরকারি ব্যয় ও কর হার পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ক. সূচক সংখ্যা কী? খ. “মুদ্রাস্ফীতি সর্বদা খারাপ নয়”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের চিত্রে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. চিত্রে প্রদর্শিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের পদক্ষেপগুলো মূল্যায়ন করো।
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর:

ক. CPI এর পূর্ণরূপ কী? খ. “অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় মুদ্রাস্ফীতি ঘটায়”- ব্যাখ্যা করো। গ. চিত্রে E থেকে E2 তে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কী ধরনের ভূমিকা গ্রহণ করবে? আলোচনা করো।
'A' দেশের দামস্তর ক্রমাগত বাড়ছে। দেশটিতে ২০১৯ ও ২০২০ সালের ভোক্তার দাম সূচক যথাক্রমে ১২৫ ও ১৫০। ফলস্বরূপ দেশটির কৃষক, সীমিত আয়ের জনগণ, উৎপাদক, ব্যবসায়ী, ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার ওপর বিভিন্ন প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ক. ভোক্তার দাম সূচক কী? খ. সরকারি ব্যয় কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে 'A' দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার পরিমাপ করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিভিন্ন শ্রেণিতে ব্যক্তির ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব আলোচনা করো।
উদ্দীপকটি লক্ষ করো এবং নিম্নের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. G.N.P. ডিফ্লেক্টর কী? খ. কোন মাত্রার মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য ভালো? গ. উল্লিখিত চিত্রটি কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মুদ্রাস্ফীতি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলে? ব্যাখ্যা করো।

ক. মুদ্রাস্ফীতি কাকে বলে? খ. সহনীয় পর্যায়ের মুদ্রাস্ফীতি কীভাবে অর্থনীতির জন্য সহায়ক? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে ভোক্তার দাম সূচক নির্ণয় করো। ঘ. প্রাপ্ত ফলাফল থেকে দামস্তরের বৃদ্ধি জনজীবনে কী প্রভাব ফেলবে বলে তুমি মনে করো? ব্যাখ্যা দাও।

ক. সূচক সংখ্যা কী? খ. মুদ্রাস্ফীতি ঘটার জন্য অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় কতখানি দায়ী? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকে দামস্তর ২০ থেকে ২৫ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার উল্লেখ করো।
চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. CPI এর পূর্ণরূপ কী? খ. অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণ—ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে ছেদবিন্দু E থেকে E2 তে পরিবর্তনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কী ভূমিকা রাখতে পারে—ব্যাখ্যা করো।
'X' দেশের ভিত্তি বছর ও বর্তমান বছরের দুটি ভোগ্য পণ্যের পরিমাণ, দাম ও ব্যয়ের পরিমাণ নিম্নরূপ:

দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে সরকার ব্যাংক হার বৃদ্ধি, অর্থের যোগান হ্রাস, সরকারি ব্যয় হ্রাস, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরোক্ষ করের হার কমিয়ে দেয়। ক. সূচক সংখ্যা কী? খ. “মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়”-ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো। ঘ. সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখবে উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
মি. 'X' এর দেশে সরকার মেগা প্রকল্প গ্রহণ, সরকারি বায় বৃদ্ধি ইত্যাদির মাধ্যমে জাতীয় মাথাপিছু আয়ের বৃদ্ধি ঘটায়। ফলস্বরূপ সামগ্রিক চাহিদার বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। মি. 'Y' এর দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি, উপকরণ সংকট ইত্যাদি কারণে সামগ্রিক যোগান হ্রাস পায় ও মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
ক. CPI-এর পূর্ণরূপ লেখো। খ. মুদ্রাস্ফীতির ফলে ঋণগ্রহীতা কীভাবে সুবিধা ভোগ করে-ব্যাখ্যা করো। গ. X ও Y এর দেশের মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবের তুলনা করো। ঘ. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি পদক্ষেপ কোন দেশে বেশি কার্যকর এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. সূচক সংখ্যা কী? খ. সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির ফলে দামস্তর বাড়ে—ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে প্রকাশিত মুদ্রাস্ফীতির কারণ বিশ্লেষণ করো।
'A' দেশে ২০১৮ সালে ভোক্তার মূল্যসূচক ছিল ১৬০। ২০২০ সালে ঐ দেশের ভোক্তার মূল্যসূচক বেড়ে ১৮০ হয়। এর ফলে উৎপাদনকারীরা লাভবান হলেও গরিব ও সীমিত আয়ের লোক ভোগান্তির শিকার হয়।
ক. মুদ্রা সংকোচন কী? খ. “মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থের মূল্য হ্রাস পায়”-ব্যাখ্যা করো। গ. 'A' দেশের ২০২০ সালে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে উৎপাদনকারী এবং গরিব ও সীমিত আয়ের লোকের ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব আলোচনা করো।
জাতীয় বেতন স্কেল পরিবর্তনে 'A' দেশের ২০২০ সালের ভোক্তার মূল্য সূচক হলো ১১৮। এই অবস্থায় দেশটিতে ভোক্তা, ঋণদাতা ও শ্রমিক শ্রেণির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেল। অন্যদিকে ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি, ঋণগ্রহীতা ও করদাতা লাভবান হলো। উল্লেখ্য 'A' দেশে ২০১৫ সালে ভোক্তার মূল্য সূচক ছিল ১০০।
ক. সূচক সংখ্যা কী? খ. “অর্থের যোগানের সাথে মুদ্রাস্ফীতির সম্পর্ক সরাসরি"- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপক হতে ‘A' দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও লাভবান হবে? বিশ্লেষণ করো।
রফিক সাহেব অর্থনীতি ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের মুদ্রাস্ফীতি পড়াতে এগিয়ে বলেন যে, একটি দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতি যথা- ব্যাংক হার, নগদ রিজার্ভের অনুপাত এবং খোলাবাজার নীতি যেমন কার্যকর ভূমিকা রাখে তেমনিভাবে সরকারের রাজস্বনীতি যথা- সরকারি ব্যয়, কর এবং সরকারি ঋণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক. মুদ্রাস্ফীতির হার কী? খ. উদার ঋণনীতি কীভাবে মুদ্রাস্ফীতিকে প্রভাবিত করে? গ. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উদ্দীপকে উল্লিখিত আর্থিক নীতির হাতিয়ারগুলো ব্যাখ্যা করো । ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের রাজস্ব নীতিগুলো কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে? বিশ্লেষণ করো।
নিম্ন আয়ের চাকরিজীবী অসীম বাজারে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি দেখে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই কেনা তার জন্য সম্ভব হলো না। অন্যদিকে তার প্রতিবেশী সলিম নিজের জমিতে চাষ করেন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে তিনি তত চিন্তিত নন।
ক. মুদ্রাস্ফীতি কাকে বলে? খ. মজুতদারি ক্ষতিকর কেন? গ. উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়কে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. সলিম দাম বৃদ্ধিতে তত চিন্তিত নন কেন? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করো।

ক. উল্লম্ফল মুদ্রাক্ষীতি কী? খ. "অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি ঘটায়”-ব্যাখ্যা করো। গ. চিত্রে কী ধরনের মুদ্রাক্ষীতি প্রকাশ পেয়েছে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত মুদ্রাস্ফীতি রোধে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে? মতামত দাও।
নিম্নোক্ত চিত্রটি লক্ষ করো ও সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও:

ক. মুদ্রাস্ফীতি কী? খ. অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয়? গ. চিত্রে কী ধরনের মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি দূরীকরণে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়? বিশ্লেষণ করো।
মি. আরমান স্কুলের শিক্ষক। বর্তমানে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় তাকে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অপরদিকে, তার গ্রামের কৃষক রহিমুদ্দিন ও ব্যবসায়ী তাজুল আনন্দেই আছে কারণ রহিমুদ্দিন বেশি দামে ফসল বিক্রি করে এবার সে মহাজনের ধার শোধ করতে পারবে। তাই সে নতুন উদ্যমে আরও বেশি ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হয়েছে। অন্যদিকে তাজুল বেশি দামে পণ্য বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে এবং তার ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করেছে। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মৃদু মুদ্রাস্ফীতি ভালো। তবে মুদ্রাস্ফীতি যেন বেশি না। হয় তার জন্য উৎপাদন বৃদ্ধি, অর্থ ও ঋণের যোগান নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। ক. CPI-এর পূর্ণরূপ লেখো। খ. পরোক্ষ কর মুদ্রাস্ফীতিকে প্রভাবিত করে- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতি রোধে করণীয়সমূহ বিশ্লেষণ করো।
'B' দেশের ২০১৬ সালে ভোক্তার মূল্যসূচক ছিল ১৫০ এবং ২০১৭ সালে ভোক্তার মূল্যসূচক বেড়ে ২০০ হয়। বাজারে পণ্যের দামও ক্রমাগত বাড়তে থাকে। এর ফলে গরিব, নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের লোক ভোগান্তির শিকার হয়।
ক. মুদ্রাস্ফীতি কী? খ. অর্থের যোগান বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করে কি? গ. উদ্দীপকের আলোকে 'B' দেশের ২০১৭ সালের মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত গরিব, নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের লোকের ওপর, মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

ক. মুদ্রাস্ফীতি কী? খ. সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. চিত্রে সামগ্রিক যোগান রেখা AS0 থেকে AS1 রেখায় স্থানান্তরের সম্ভাব্য কারণ সমূহ লেখ।