Questions in this chapter
নিচের কোনটি মুদ্রাস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক?
ভোক্তার দাম সূচক নির্ণয়ে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয়?
মুদ্রাস্ফীতিতে সীমিত আয়ের জনগণের ওপর কী প্রভাব পড়ে?
চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
AD = সামগ্রিক চাহিদা
AS = সামগ্রিক যোগান

ক. সূচক সংখ্যা কী?
খ. অর্থের যোগান বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতির জন্য দায়ী- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।
ঘ. চিত্রে সামগ্রিক চাহিদা রেখা হতে তে স্থানান্তরের সম্ভাব্য কারণসমূহ বিশ্লেষণ করো।
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. ব্যাংক হার কী?
খ. 'মুদ্রাসংকোচন হলো মুদ্রাস্ফীতির বিপরীত ধারণা' - ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।
ঘ. a বিন্দু হতে b বিন্দুতে দামস্তর স্থানান্তরিত হলে সীমিত আয়ের লোক, কৃষিজীবী,
শ্রমিক শ্রেণি, ঋণদাতা ও ঋণ গ্রহীতার ওপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।
'X' দেশে ২০১৮ সালে চাল, আলু, লবণ, তেল এর কেজি প্রতি দাম ছিলো যথাক্রমে- ৪০, ১৫, ১০, ১০০ টাকা।
২০২০ সালে যার দাম দাঁড়ায় যথাক্রমে ৪৫, ২০, ১৫, ১৫০ টাকা। দাম বাড়ায় সরকার ব্যাংক হার পরিবর্তন,
নগদ রিজার্ভের অনুপাতের পরিবর্তনসহ ঋণ নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
ক. অর্থের মূল্য কী?
খ. প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।
ঘ. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উদ্দীপকে গৃহীত পদক্ষেপের যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
নিচের তথ্য থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. কীভাবে অর্থের যোগান মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা দাও।
গ. উদ্দীপক থেকে ভোক্তার দাম সূচক (CPI) নির্ণয় করো।
ঘ. স্বল্প আয়ের মানুষের ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ের সূত্রটি লেখো।
গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি উপস্থাপিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত মুদ্রাস্ফীতির ফলে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের ওপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।
'X' দেশে ২০১৮ ও ২০২২ সালে বিভিন্ন ভোগ্য দ্রব্যের দাম এবং পরিমাণের তালিকা নিচে প্রদত্ত হলো:

উক্ত দেশের সরকার দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দেশি-বিদেশি ঋণ নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
এছাড়াও করোনাকালীন স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে সুদের হার হ্রাসসহ উৎপাদনকারীদের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ সুবিধা প্রদান করে।
ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. অর্থের অবমূল্যায়ন মুদ্রাস্ফীতির ওপর কীরূপ প্রভাব ফেলে? ব্যাখ্যা করো।
গ. প্রদত্ত টেবিল থেকে ভোক্তার দাম সূচকের মাধ্যমে 'X' দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের পদক্ষেপগুলো 'X' দেশের অর্থনীতিতে কীরূপ প্রভাব ফেলবে? মতামত দাও।
সম্প্রতি রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হয় এবং জ্বালানি তেলসহ অধিকাংশ খাদ্য পণ্যের যোগান ঘাটতি দেখা দেয়। এর প্রভাবে 'D' দেশের খাদ্য ও ভোগ্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে। দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে 'D' দেশের সরকার তার সকল ধরনের ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।
ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতির ফলে কৃষকের উৎপাদনের ওপর কেমন প্রভাব পড়বে?
গ. উদ্দীপকে 'D' দেশের যে ধরনের মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপক অনুযায়ী 'D' দেশের সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কীভাবে ভূমিকা পালন করবে? বিশ্লেষণ করো।

ক. সরকারি আয় কাকে বলে?
খ. মুদ্রাস্ফীতি রোধে আয়কর সহায়তা করে- ব্যাখ্যা করো।
গ. সামগ্রিক চাহিদা রেখা স্থানান্তরিত হয়ে যদি দামস্তর ২০ হয় তবে তা কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে বিদ্যমান মুদ্রাস্ফীতি একটি দেশের অর্থনীতিতে কী কী প্রভাব ফেলে? বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপকটি লক্ষ করো ও উত্তর দাও:

ক. ভোক্তার দাম সূচকের (CPI) সূত্রটি লেখ।
খ. একজন ঋণগ্রহীতার উপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে যে ধরনের মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে তার তিনটি কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত ব্যবস্থা কী হতে পারে? বিশ্লেষণ করো।

ক. সূচক সংখ্যা কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতির ফলে ঋণদাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি নির্দেশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে নির্দেশিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায় বর্ণনা করো।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরূপ দামস্তর বৃদ্ধির ফলে নির্দিষ্ট আয় ও নিম্ন আয়ের লোকজন তাদের ক্রয়ক্ষমতা হারাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দেশটি দুটি হাতিয়ার ব্যবহার করে।
ক. ভোক্তার মূল্য সূচক কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতির সময় ঋণগ্রহীতা লাভবান হয়- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বিষয়টির কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে সৃষ্ট অবস্থা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে? ব্যাখ্যা করো।
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো:

চিত্রে,
= পূর্ণ নিয়োগের উৎপাদন
= প্রাথমিক চাহিদা রেখা
= পরিবর্তিত চাহিদা রেখা
এবং S = যোগান রেখা
ক. চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতি হলে ঋণদাতা, ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেন?
গ. চিত্রে কী ধরনের মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশ পেয়েছে- তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আর্থিক নীতির ভূমিকা আলোচনা করো।
একটি দেশের ২০২০ ও ২০২২ সালের ভোগ্যপণ্যের পরিমাণ ও দাম নিম্নরূপ:

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির সরকার আর্থিক নীতির আওতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ক. সূচক সংখ্যা কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতি সবসময় খারাপ নয়- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে ভোক্তার মূল্য সূচক (CPI) নির্ণয় করো।
ঘ. উদ্দীপকের আলোকে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বিশ্লেষণ করো।
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

ক. মুদ্রাস্ফীতি কী?
খ. মুদ্রাস্ফীতির ফলে ভোক্তা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
গ. উদ্দীপকে কোন ধরনের মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করলে, কোন ধরনের ফলাফল পাওয়া যাবে? ব্যাখ্যা করো।
'X' দেশে ২০২০ সালে ভোক্তার মূল্য সূচক ছিল ১৬০, যা ২০২২ সাল বেড়ে ২০০ হয়।
সম্প্রতি বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের ফলে দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ক. সূচক সংখ্যা কী?
খ. অর্থের যোগান বৃদ্ধির কারণে কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়?
গ. উদ্দীপকের আলোকে 'X' দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
'X' দেশে ২০২১ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম এবং পরিমাণ নিম্নরূপ:

দেশটির সরকার দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রত্যক্ষ করের হার ও ব্যাংক হার বৃদ্ধি এবং অর্থের যোগান হ্রাস করে।
ক. ব্যাংক হার কী?
খ. সীমিত আয়ের লোকের ওপর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কীরূপ?
গ. উদ্দীপকের আলোকে 'X' দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।
ঘ. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট কি? তোমার মতামত দাও।
একটি দেশের ২০১৪ এবং ২০১৫ সালের বিভিন্ন ভোগ্য দ্রব্যের দাম ও পরিমাণের তালিকা নিম্নরূপ:

দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যাংক হার ও নগদ জমার অনুপাত বৃদ্ধি করে এবং সরকারি ব্যয় হ্রাস করে।
ক. মুদ্রাসংকোচন কী?
খ. সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বৃদ্ধির ফলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়- ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে দেশটির ভোক্তার মূল্যসূচক নির্ণয় করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত হাতিয়ারগুলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কীভাবে ভূমিকা পালন করে? বিশ্লেষণ করো।