Questions in this chapter
এক পারসেক কত আলোক বর্ষের সমান?
এক অটো সেকেন্ড হচ্ছে –
এ্যাংস্ট্রম কিসের একক?
কোনটি লব্ধ একক
দূরত্বের একক
i. ফার্সি (fm)
ii. অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (au)
iii. পারসেক (pc)
নিচের কোনটি সঠিক?
বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কীসের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব কে প্রদান করেন?
পর্যবেক্ষকের পর্যবেক্ষণজনিত কারণে যে ত্রুটি ঘটে
নিচের কোন ত্রুটি শুধু স্ক্রু জাতীয় যন্ত্রে থাকে?
বতলের ব্যাসার্ধ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়—
i. স্ক্রু-গজ
ii. স্ফেরোমিটার
iii. স্লাইড ক্যালিপার্স
নিচের কোনটি সঠিক?
কোনো গোলকের ব্যাসার্ধের প্রকৃত মান 3 cm এবং পরিমাপ্য মান 2.98 cm পাওয়া গেল।
উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও :
পরম ত্রুটির মান কত?
কোনো গোলকের ব্যাসার্ধের প্রকৃত মান 3 cm এবং পরিমাপ্য মান 2.98 cm পাওয়া গেল।
উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও :
আয়তন পরিমাপে শতকরা ত্রুটি কত?
ভাস্করাচার্য—
i. x এর মান দ্বারা প্রকাশ করেন
ii. আলোর বেগ নির্ণয় করেন
iii. সর্বপ্রথম সঠিকভাবে পৃথিবীর ব্যাস বের করেন
নিচের কোনটি সঠিক?
কোনটি মৌলিক রাশি নয়?
স্লাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে একটি সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্যের ৫টি পাঠ যথাক্রমে 6.20 cm, 6.22 cm, 6.23 cm, 6.24 cm, 6.19 cm এবং স্ক্রুগজের সাহায্যে ব্যাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রধান স্কেল পাঠ 4.5 mm ও বৃত্তাকার স্কেলের ভাগ সংখ্যা 37 পাওয়া গেল। স্ক্রুগজটির পীচ 0.5 mm এবং বৃত্তাকার স্কেলের মোট ভাগ সংখ্যা 50।
নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ত্রুটি কী?
খ. পিছট ত্রুটি কীভাবে পরিহার করা যায়?
গ. সিলিন্ডারটির ব্যাস নির্ণয় কর।
ঘ. প্রমাণ বিচ্যুতি নির্ণয় করে তুমি কীভাবে সিলিন্ডারটির দৈর্ঘ্যের শুদ্ধতর মান নির্ণয় করবে আলোচনা কর।
অসম আকৃতির একটি বস্তুর ঘনত্ব নির্ণয়ের জন্য একটি মাপক চোঙ এর সাহায্যে আয়তন ও নিক্তির সাহায্যে ভর পরিমাপ করা হলো। মাপক চোঙ সর্বনিম্ন 1ml এ দাগাঙ্কিত এবং নিক্তি দ্বারা সর্বনিম্ন 10 mg মাপা যায়। চোখে পানির আয়তন ছিল 53 ml । বস্তুটি পানিতে ডুবানোর পর আয়তন হলো 53ml । বস্তুটির ভর পরিমাপে পাওয়া গেল = 29.52 gm ।
ক. পরিমাপের ত্রুটি কী?
খ. মাপচোঙে পানির পরিবর্তে তেল ব্যবহার করা যাবে কি-না — ব্যাখ্যা কর।
গ. বস্তুটির ঘনত্ব নির্ণয় কর।
ঘ. বস্তুর ঘনত্ব নির্ণয়ে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ শতকরা ত্রুটি কত হতে পারে— গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে মতামত দাও।
একজন ছাত্র মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ নির্ণয়ের জন্য একটি পরীক্ষা করে। একটি ক্ষুদ্র ভারি গোলক বিভিন্ন উচ্চতা থেকে ছেড়ে দিয়ে থামা ঘড়ির সাহায্যে পতনকাল নির্ণয় করে। তার পরীক্ষালব্ধ ফলাফল নিচের লেখচিত্রে দেখানো হলো। সমত্বরণে গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে S ∝ সূত্রানুযায়ী মূলবিন্দুগামী সরলরেখা হবে। কিন্ত পরীক্ষা পরীক্ষালব্দ ফলাফল থেকে দেখা যায়, বিন্দুগুলো সরলরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

ক. এক কেলভিন কাকে বলে?
খ. একটি স্কুগজ বন্ধ অবস্থায় শূন্য পাঠ দেয় না। এ স্কুগজের সাহায্যে কোনো তারের ব্যাস নির্ণয়ে যে ত্রুটি হবে তা এলোমেলো ত্রুটি না পুনরাবৃত্তিক ত্রুটি? ব্যাখ্যা করো।
গ. মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ নির্ণয় করো।
ঘ. পরীক্ষণটিতে কী ধরনের ত্রুটি হয়েছে? লেখচিত্রের সাহায্যে এ ত্রুটি কীভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে ব্যাখ্যা কর।
একটি সিলিন্ডারের আয়তন নির্ণয়ে স্ক্রু-গজের সাহায্যে ব্যাসার্ধ এবং স্লাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে দৈর্ঘ্য নির্ণয় করা হলো। স্লাইড ক্যালিপার্সের ভার্নিয়ার ধ্রুবক হলো 0.01 cm এবং স্কু-গজের লঘিষ্ঠ গণন 0.01 mm। পরিমাপ করে ব্যাসার্ধ 3.54 mm এবং দৈর্ঘ্য 4.37 cm পাওয়া গেল ।
ক. মৌলিক একক কাকে বলে?
খ. ছোট গোলকের ব্যাসার্ধ কেন স্ক্রু-গজের সাহায্যে মাপা হয়– ব্যাখ্যা কর।
গ. সিলিন্ডারের আয়তন নির্ণয় কর।
ঘ. সম্ভাব্য পরিমাপের ত্রুটির পরিমাণ 0.656% হবে কিনা গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাও।
বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে পরীক্ষার কাজে ব্যবহারের জন্য নবীন গবেষক রফিক সাহেবের বিভিন্ন প্রস্থচ্ছেদের তার দরকার ছিল। একটি স্ক্রুগজ দিয়ে তিনি তারগুলোর প্রস্থচ্ছেদ মাপলেন এবং বাজার থেকে ঐ মাপ অনুযায়ী তার কিনে আনলেন। পরবর্তীতে ঐ তারগুলো পরীক্ষাগারে ব্যবহার করা গেল না। কারণ রফিক সাহেব পুরনো স্ক্রুগজ দিয়ে তারের ব্যাস পরিমাপ করায় সঠিক মাপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু পরীক্ষাগারের প্রধান বিজ্ঞানী বললেন, স্ক্রুগজে পিছট ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও এটা দিয়ে সঠিক মাপ নেওয়া সম্ভব। তিনি রফিক সাহেবকে সঠিক মাপ নেওয়ার পদ্ধতি শিখিয়ে দিলেন।
ক. পরিমাপ কাকে বলে?
খ. পরিমাপের ত্রুটিগুলো কী কী?
গ. পিছট ত্রুটি পরিহার করার জন্য প্রধান বিজ্ঞানী রফিক সাহেবকে কী নিয়ম শিখিয়ে দিলেন?
ঘ. উল্লেখিত যন্ত্রের সাহায্যে দুটি তারের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত তুমি কীভাবে বের করবে- ব্যাখ্যা দাও।
পদার্থবিজ্ঞান হলো একটি বিস্ময়কর বিষয়। বিজ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই যা পদার্থবিজ্ঞানের দ্বারা সমৃদ্ধ হয়নি। কৃষি, শিল্প, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, আবহাওয়া বিজ্ঞান, সমুদ্র বিজ্ঞান, ভূ-তত্ত্ব ইত্যাদিতে রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন নীতি, অনুকল্প, সূত্র ও তত্ত্বের প্রয়োগ।
ক. পদার্থবিজ্ঞান কী?
খ. সূত্র ও তত্ত্বের পার্থক্য ব্যাখ্যা করো।
গ. পদার্থবিজ্ঞানের অবদানে প্রযুক্তি কীভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. পদার্থবিজ্ঞান একটি বিস্ময়কর বিষয়— তোমার যুক্তি দাও।