Questions in this chapter

ক. অনাক্রম্যতা কী?
খ. ফ্যাগোসাইটোসিস বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের D এবং E এর মধ্যে যে সব বৈসাদৃশ্য রয়েছে তা লিখ।
ঘ. P এর প্রতিরক্ষায় B এর ভূমিকা বর্ণনা কর।
ফারিনের হাত আপেল কাটতে গিয়ে কেটে গেল। এর ফলে সেখান থেকে লাল তরল পদার্থ বের হল। এতে এক ধরনের Y আকৃতির জৈব রাসায়নিক পদার্থ আছে যা তার দেহের রোগ প্রতিরোধ করে।
ক. ইন্টারফেরন কী?
খ. Rh ফ্যাক্টর বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে ফারিনের লাল তরল পদার্থ বন্ধ হওয়ার কৌশল ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রোগ প্রতিরোধী উপাদানের কার্যপদ্ধতি বিশ্লেষণ কর।

ক. ইমিউনতন্ত্র কী?
খ. অর্জিত প্রতিরক্ষা বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' চিত্রটি যে প্রতিরক্ষা স্তর নির্দেশ করে সেই স্তরের বর্ণনা দাও।
ঘ. 'B' চিত্রটি মানবদেহে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কীভাবে ভূমিকা পালন করে? বিশ্লেষণ কর।
শিক্ষক ক্লাসে বিভিন্ন জীবাণুর আক্রমণ হতে দেহ রক্ষায় গিয়ে বললেন, দেহের বাইরের বিশেষ কিছু অংশ এই ব্যবস্থায় ধারণা দিতে প্রাথমিক ভূমিকা রাখে।
ক. অ্যান্টিজেন কী?
খ. ইমিউনিটি বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ধারণার শ্রেণিবিন্যাস কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গের ভূমিকার সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
শিক্ষক মানবদেহের প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনায় বললেন- “আমাদের দেহে নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা স্তরে B-লিম্ফোসাইট থেকে এক ধরনের প্রোটিন অণু উৎপন্ন হয় যা অনুপ্রবেশকারী বস্তু বা অণুজীবকে ধ্বংস করে। দেহ প্রতিরক্ষায় উক্ত প্রোটিন অণু বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
ক. অ্যান্ড্রুইজম কী?
খ. নিউট্রোফিলকে ফ্যাগোসাইট বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রোটিন অণুর চিত্রসহ গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. দেহ প্রতিরক্ষায় উদ্দীপকে উল্লিখিত অণু কীভাবে অণুজীব ধ্বংস করে- তা বিশ্লেষণ কর।
জীবমণ্ডল থেকে বহু জীবাণু আমাদের দেহে প্রবেশ করে। কিন্তু অধিকাংশ জীবাণু ত্বক বা পরিপাক নালির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এছাড়া দেহে বিশেষ কিছু কোষ দ্বারা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ উৎপাদনের মাধ্যমে জীবাণু নিষ্ক্রিয় হয়।
ক. এন্টিজেন কী?
খ. প্রকরণ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নিষ্ক্রিয় পদ্ধতিসমূহের মধ্যে যেকোনো একটি পদ্ধতি বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'প্রোটিন জাতীয় পদার্থ' জীবাণু ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কীভাবে? ব্যাখ্যা কর।
জন্মের পর বিভিন্ন রোগের টিকার জন্য যেমন আমাদের দেহে এক ধরনের অনাক্রম্যতার সৃষ্টি হয়; তেমনি জন্মের সময়ও আমাদের দেহে প্রাকৃতিকভাবে এক ধরনের অনাক্রম্যতা সৃষ্টি হয়।
ক. পলিজেনিক ইনহ্যারিটেন্স কী?
খ. মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮-২০ নির্ধারণ করা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা সৃষ্টিকারী পদার্থটির গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত অনাক্রম্যতার তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

ক. সারফ্যাকট্যান্ট কী?
খ. মূত্রের উপাদানগুলোর নাম লিখ।
গ. উদ্দীপকের গঠনটি কীভাবে অণুজীবের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল হয়— ব্যাখ্যা কর।
ঘ. স্মৃতিকোষ উদ্দীপকের গঠনটিকে আরও ক্রিয়াশীল হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। - সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
ডাক্তার সাহেব রোগীদের বললেন যে, দেহে প্রবেশ করা জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে দুইভাবে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। যার একটি জন্মগত এবং অপরটি অর্জিত। এ দুই ধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থাই হলো ইমিউনতন্ত্র।
ক. ডারউইন কে ছিলেন?
খ. মেমোরি কোষ বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুটির ভিন্নতা তুলে ধর।
ঘ. মানুষের বেঁচে থাকার জন্য উদ্দীপকের তন্ত্রটির ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।
ত্বক মানবদেহে প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে। ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের ক্ষেত্রে এনজাইম, এসিড, ম্যাক্রোফেজ এবং নিউট্রোফিল বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
ক. ভ্যাক্সিন কী?
খ. রোগ প্রতিরোধ বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দেহের প্রতিরক্ষায় প্রথম স্তরের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষের অংশটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

ক. অনাক্রম্যতা কী?
খ. মানবদেহের প্রতিরক্ষায় স্মৃতিকোষের ভূমিকা লিখ।
গ. উদ্দীপকের আলোকে দেহের প্রতিরক্ষায় 'A' স্তরের ৩নং অঙ্গের ভূমিকা রাখ্যা কর।
ঘ. মানবদেহের সুস্থতার জন্য উদ্দীপকের 'B' স্তরটি অপরিহার্য বিশ্লেষণ কর।

ক. জীবাশ্ম কাকে বলে?
খ. অ্যালট্রুইজম বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকের গঠনটি বর্ণনা কর।
ঘ. ভ্যাক্সিন প্রয়োগের মাধ্যমে উদ্দীপকের পঠনটি তৈরি করে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব - উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

ক. অ্যান্টিবডি কী? ১
খ. টিকা দেয়া বলতে কী বোঝ? ২
গ. C ধ্বংসে A এর ভৌত প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ. C ধ্বংসে B এর রাসায়নিক কার্যক্রম বিশ্লেষণ করো। ৪
অ্যান্টিজেন – [B] → লিম্ফোসাইট → লিম্ফোব্লাস্ট → প্লাজমা কোষ – [A]
ক. ভ্যাক্সিন কী? ১
খ. সহজাত প্রতিরক্ষা বলতে কী বোঝ? ২
গ. উদ্দীপকের B অংশের কর্মকৌশল বর্ণনা করো। ৩
ঘ. উদ্দীপকের A অংশ পরজীবীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরক্ষা প্রদর্শন করে তা বিশ্লেষণ করো। ৪

ক. NETS কী? ১
খ. VDJ রিকম্বিনেশন বলতে কী বোঝ? ২
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটি কতগুলো রাসায়নিক বস্তুর প্রভাবে উদ্দীপ্ত হয়- ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ. উদ্দীপকের ঘটনাটি আমাদের প্রতিরক্ষা তন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে- আলোচনা করো। ৪

ক. ইন্টারফেরন কী?
খ. কমপ্লিমেন্ট সিস্টেম বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের ‘R’ অংশটির গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের ‘P’ অংশটি ‘Q’-তে প্রবেশ করলে ‘R’ কিভাবে প্রতিরোধ করে? বিশ্লেষণ করো।
শিক্ষক বললেন, আমাদের প্রতিরক্ষা তন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে একটি বিশেষ প্রোটিন জাতীয় উপাদান তৈরি হয়। এটি রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আরও বললেন, আমাদের দেশকে রোগমুক্ত করতে হলে টিকাদান কর্মসূচির কোনো বিকল্প নেই।
ক. টক্সোয়েড কী? ১
খ. নিউট্রোফিল কীভাবে জীবাণু ধ্বংস করে? ব্যাখ্যা করো। ২
গ. চিত্রসহ উল্লিখিত উপাদানটির গঠন ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৪
রাহাত সাহেব তার শিশু সন্তানকে ভ্যাক্সিন দিতে ভয় পাচ্ছেন। ডাক্তার তাকে অভয় দিয়ে বললেন, শৈশব ও কৈশোরকালীন সময়ে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করলে আপনার সন্তান সুস্থ এবং সবল থাকবে।
ক. প্রদাহ কী? ১
খ. ইন্টারফেরন বলতে কী বোঝায়? ২
গ. ইমিউনতন্ত্রকে বাড়তি শক্তি যোগায় ভ্যাক্সিন- ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ. “ভ্যাক্সিনেশনের ফলে শিশু থাকবে সুস্থ, সবল, হাসি-খুশি”- বিশ্লেষণ করো। ৪
মানবদেহকে সুস্থ-সবল রাখতে বিভিন্ন শ্রেণির অ্যান্টিবডি গুরুদায়িত্ব পালন করে। প্লাজমা B-কোষ প্রতি সেকেন্ডে হাজার হাজার অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। একটি মানুষের সমগ্র জীবনে এটি প্রায় ১০০ মিলিয়ন ধরনের উৎপন্ন হয়।
ক. ইন্টারফেরন কী? ১
খ. স্মৃতিকোষ বলতে কী বোঝ? ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রোটিনের গঠন বর্ণনা করো। ৩
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত রাসায়নিক পদার্থ যে রক্ষণাত্মক ভূমিকা পালন করে তা ব্যাখ্যা করো। ৪

ক. অ্যান্টিবডি কাকে বলে? ১
খ. সহজাত ও অর্জিত প্রতিরক্ষা স্তর বলতে কী বোঝ? ২
গ. উপরের চিত্রটি খাতায় অঙ্কন করে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করো। ৩
ঘ. উপরের অঙ্গটি আমাদের দেহে কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করে আলোচনা করো। ৪