Questions in this chapter
অর্থের যোগান ও দামস্তর সম্পর্কিত তথ্য নিচের ছকে দেওয়া হলো

ক. বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর ও অর্থের যোগানের মধ্যে সম্পর্ক চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা হতে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা কর।
অর্থনীতিবিদ আরভিং ফিশারের অর্থের পরিমাণ তত্ত্বে
এবং
যোগানে বিহিত মুদ্রা, লেনদেনের পরিমাণ;
দামস্তর ও প্রচলন গতি।
ক. অর্থ কী?
খ. জনগণের আয় বৃদ্ধি পেলে অর্থের চাহিদা হ্রাস পায় ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে দামস্তর নির্ণয় কর।
ঘ. উদ্দীপকে এর মান ২০০ হলে অর্থের মূল্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ কর।
দেশের একটি ব্যাংক সে দেশের আর্থিক ব্যবস্থার প্রধান। এটি নোট প্রচলন করে। অনেক সময় অর্থের পরিমাণ কাঙ্ক্ষিত স্তরে না থাকলে বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করে ব্যাংকটি অর্থের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
ক. অর্থের মূল্য কী?
খ. চাহিদা আমানত হচ্ছে ব্যাংক মুদ্রা ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশের ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটির ঋণ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সফল হাতিয়ার কোনটি বিশ্লেষণ কর।
"ঠকাঠকির দিন শেষ। এখন বেতন পাই মোবাইল ফোনে। বাপ- মারে গ্রামে টাকা পাঠাই মোবাইল ফোনে। পাইয়াও যায় যখন তখন। কোনো অসুবিধা হয় না। দিন বদলাইছে।"
ক. বাণিজ্যিক ব্যাংক কী?
খ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক সকল ব্যাংকের ব্যাংক ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি কোন ব্যাংকিং কার্যক্রমের প্রতি ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উল্লিখিত ব্যাংকিং কার্যক্রম অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রমের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধাজনক বিশ্লেষণ করে মন্তব্য লেখ।
২০০৫ সালে বাংলাদেশে ১ কেজি আলুর দাম ছিল ১০ টাকা। বর্তমানে ১ কেজি আলুর দাম ২৫ টাকা। এরূপ সকল দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক হার বৃদ্ধি, খোলা বাজারে ঋণপত্র বিক্রি এবং নগদ জমার হার বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া ঋণের রেশনিং ও বন্ধকী ঋণের নগদাংশ পরিবর্তন করে। একইভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ পরিস্থিতিতে আমানতের ওপর বৈধ রিজার্ভ অনুপাত ১৮ হতে ২০ এ উন্নীত করে।
ক. বিহিত মুদ্রা কী?
খ. লেনদেনজনিত চাহিদা মুদ্রার চাহিদাকে কীভাবে প্রভাবিত করে? বুঝিয়ে লেখ।
গ. উদ্দীপক হতে ঋণ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ারগুলো চিহ্নিত কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়াবলি অর্থের মূল্যের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা ব্যাখ্যা কর।
নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. অর্থ কী?
খ. "সুদের হার হ্রাস পেলে অর্থের ফটকা চাহিদা বৃদ্ধি পায়" ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের চিত্রে অর্থের মূল্য ও দামস্তরের মধ্যে যে সম্পর্ক প্রকাশ করে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. অর্থের মূল্য থেকে হলে বাজার ব্যবস্থায় কোনোরূপ প্রভাব পড়বে কিনা, তোমার মতামত ব্যক্ত কর।
ধরি, বিহিত মুদ্রা ১০০০, বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি ৫, ঋণপত্রের পরিমাণ ৫০০, ঋণপত্রের প্রচলন গতি ২, লেনদেনের পরিমাণ ১০০০।
ক. আমানত কাকে বলে?
খ. বাংলাদেশের দুই টাকার নোট কেন সসীম বিহিত মুদ্রা ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক হতে ফিশারের বিনিময় সমীকরণের সাহায্যে দামস্তর (P) নির্ণয় করো।
ঘ. এবং হলে পরিবর্তিত দামস্তর ও অর্থের মূল্য নির্ণয়পূর্বক তাদের মধ্যে সম্পর্ক চিত্রের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করো।

ক. অনলাইন ব্যাংকিং কী?
খ. অর্থের প্রয়োজন হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের চিত্রটি কীভাবে ফিশারের অর্থের পরিমাণ তত্ত্বের সাথে
প্রাসঙ্গিক? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপক অনুযায়ী দামস্তর P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তনের ফলে
অর্থনীতিতে কী কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা করো।
একটি উন্নয়নশীল দেশের দুটি ব্যাংক এবং তাদের কাজের ধরন নিম্নরূপ

ক. অর্থের সতর্কতামূলক চাহিদা কী?
খ. অর্থের যোগান বলতে কি শুধু চাহিদা আমানতকেই নির্দেশ করে?
গ. উদ্দীপকে 'X' বলতে কোন ব্যাংককে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা
করো।
ঘ. দেশটির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে 'Y' ব্যাংকের ভূমিকা
অপরিসীম- বিশ্লেষণ করো।
মুদ্ৰা কী?
অথবা,
অর্থ কী?
বিহিত মুদ্রা কাকে বলে?
অর্থের ফটকা চাহিদা কী?
অনলাইন ব্যাংকিং কী?
নিকাশ ঘর কী?
অর্থের মূল্য কী?
বিশেষায়িত ব্যাংক কাকে বলে?
অর্থের চাহিদা কী?
চলতি আমানত কী?
অর্থের প্রচলন গতি কী?
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাকে বলে?