Questions in this chapter
A ও B মানবদেহের দুটি জৈব রাসায়নিক অণু। দ্বি-সূত্রক A নিজেই তার প্রতিরূপ তৈরি করতে পারলেও এক-সূত্রক B তার প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে না।
ক. সাইটোপ্লাজম কী?
খ. র্যাফাইড বলতে কী বোঝ?
গ. A এর প্রতিরূপ তৈরির প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।
ঘ. A ও B জৈব রাসায়নিক অণু দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরো।
নিউক্লিয়াসে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু বংশগতির ভৌত ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত আরেকটি অঙ্গাণু যা জড় ও জীবজগতের মধ্যে সংযোগ সাধন করে।
ক. গ্লাইকোক্যালিক্স কী?
খ. অপেরন বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গাণুটির অনুলিপনে বিভিন্ন এনজাইমের কাজ লেখো।
ঘ. উদ্দীপকের দুটি অঙ্গাণুই জীবজগতকে টিকিয়ে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে- আলোচনা করো।
উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষে একটি অঙ্গাণু আছে যাকে শক্তিঘর (Power House) বলা হয়। আবার শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে এমন একটি অঙ্গাণু যা প্রাণিকোষে নেই কিন্তু সাধারণত সবুজ উদ্ভিদকোষে পাওয়া যায়।
ক. স্ব-গ্রাস বা অটোগ্রাস কী?
খ. কোন অঙ্গাণুকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলে? এটি কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
গ. উদ্দীপকের যে অঙ্গাণুটি শুধু উদ্ভিদকোষে পাওয়া যায় তার গঠন লেখো।
ঘ. যে অঙ্গাণুটি উভয় কোষে পাওয়া যায় তার নাম লেখো এবং কেন তাকে শক্তিঘর বলা হয় বিশ্লেষণ করো।
ডিনা ও কণা কোষের এমন একটি উপাদান নিয়ে আলোচনা করছিল যা উদ্ভিদকোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য। আলোচনার এক পর্যায়ে ডিনা বলল, ‘এটি তিনটি স্তর নিয়ে গঠিত, যাতে এক বিশেষ ধরনের পলিস্যাকারাইড উপস্থিত থাকায় তা কোষকে বাইরের আঘাত থেকে সুরক্ষা করতে পারে।
ক. গ্লাইকোক্যালিক্স কী?
খ. প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি বলা হয় কেন?
গ. উদ্ভিদের ক্ষেত্রে উক্ত অঙ্গাণুটি গুরুত্বপূর্ণ কেন?
ঘ. উল্লিখিত পলিস্যাকারাইডটি উক্ত অঙ্গাণুটির গঠনে কীরূপ ভূমিকা রাখে- বিশ্লেষণ করো।
ড. নিজাম তাঁর ছাত্র-ছাত্রীদের একটি সূত্রাকৃতির কোষীয় অঙ্গাণু দেখিয়ে বললেন, “প্রতিটি উন্নত জীবে এটি উপস্থিত এবং এই অঙ্গাণুটির মাধ্যমেই বংশগতির বৈশিষ্ট্যসমূহ পিতামাতা থেকে তার সন্তান-সন্ততিতে বাহিত হয়।”
ক. জিন কী?
খ. অপেরন (Operon) বলতে কী বোঝ?
গ. উক্ত অঙ্গাণুটির প্রকারভেদ (শ্রেণিবিভাগ) বর্ণনা করো।
ঘ. উক্ত অঙ্গাণুটিকে কোষ বিভাজনের নিয়ামক বলা হয়- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

ক. প্রতিলিপন কী?
খ. আদিকোষ ও প্রকৃত কোষের পার্থক্য লিখ।
গ. উদ্দীপকে প্রদর্শিত অণুর রাসায়নিক গঠন বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের অণুটি চরিত্র সঞ্চারণে অনন্য ভূমিকা পালন করে তা বিশ্লেষণ করো।
বর্ণময় উদ্ভিদ জগতে রয়েছে নানান বর্ণের বাহার। প্রায় সকল উদ্ভিদের পাতা সবুজ হৃদয়াকর্ষি। ফুলগুলো সাধারণত লাল, সাদা, গোলাপী, বেগুনি, নীল। তাছাড়া আরো আছে বিচিত্র সব বর্ণ। লোভনীয় বর্ণে আকর্ষিত হয় পতঙ্গকূল, নিশ্চিত হয় পরাগায়ন।
ক. রেপ্লিকন কী?
খ. আত্মঘাতী থলি বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের অঙ্গাণুটির গঠন বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের অঙ্গাণুটি উদ্ভিদ জীবনে যে গুরুত্ব বহন করে তা বিশ্লেষণ করো।
জীবদেহের গঠনকে ইটের তৈরি সুরম্য ইমারত এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যেমন একটি ইটের উপর ইট বসিয় সুরম্য ইমারত গড়ে ওঠে। তেমনি একটির পর একটি স্বপ্রজননশীল, বৈষম্যভেদ্য পর্দাবেষ্টিত অসংখ্য একক দিয়ে জীবদেহ গঠিত।
ক. জিন কী?
খ. জিনের একক বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের বর্ণিত এককের ঝিল্লির গঠন লিখ।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত এককটি জীবদেহের জন্য অপরিহার্য ব্যাখ্যা কর।

ক. লাইসোজোম কী?
খ. কোন অঙ্গাণুকে কোষের ‘শক্তিঘর’ বলে? এটি কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
গ. চিত্রের P-চিহ্নিত অংশটির নাম কী? এর ওপর ভিত্তি করে ক্রোমোসোমের প্রকারভেদ দেখাও।
ঘ. জীবদেহে উপাদানটির ভূমিকা তোমার নিজের ভাষায় বিশ্লেষণ করো।

ক. জেনেটিক কোড কী?
খ. কোন অঙ্গাণুকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় এবং কেন?
গ. উদ্দীপকের ‘B’ সৃষ্টির কৌশলটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের A ও B এর মধ্যে তুলনা করো।
উদ্ভিদ কোষের মধ্যে বিদ্যমান বিশেষ দুই প্রকার অঙ্গাণুর একটি শ্বসনিক কাজে এবং অন্যটি খাদ্য তৈরিতে অংশগ্রহণ করে।
ক. জিনোম কী?
খ. জেনেটিক কোড বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গাণুটির গঠন বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় অঙ্গাণুটি কীভাবে জীবজগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা পালন করে তা বিশ্লেষণ করো।

ক. ইউনিট মেমব্রেন কী?
খ. কোষের সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণুগুলোর নাম উল্লেখ করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটির সর্বাধুনিক মতবাদ অনুযায়ী গঠন বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত গঠনটির জৈবনিক কাজ বিশ্লেষণ করো।
জীবকোষে দুই ধরনের জৈব এসিড আছে, যার একটি দ্বিসূত্রক এবং বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে। অন্যটি এক সূত্রক এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ করে।
ক. দ্বিনিষেক কী?
খ. পার্থেনোজেনেসিস বলতে কী বুঝ?
গ. উপরের উদ্দীপকের প্রথম প্রকার জৈব এসিডের রাসায়নিক গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের দুই প্রকার জৈব এসিডের মধ্যে তুলনা কর।

ক. ডাইসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম কাকে বলে?
খ. গাজরের মূলে প্রাপ্ত প্লাস্টিডের কাজ লিখ।
গ. পরবর্তীতে যে প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবে তাতে অ্যামাইনো এসিড বহনকারী যৌগের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত A এবং B প্রক্রিয়া দুটির মধ্যে তুলনা কর।

ক. অক্সিসোম কী?
খ. লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের (P) এর গঠন লিখ।
ঘ. জীবদেহে (R) এর ভূমিকা আলোচনা কর।
উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় কোষে বিদ্যমান সজীব ঝিল্লীটির গঠন সম্পর্কে বিভিন্ন বিজ্ঞানী বিভিন্ন মতবান ও মডেল প্রদান করেছেন। এর মধ্যে একটি মডেল এখন পর্যন্ত সর্বজনগ্রাহ্য। ঝিল্লিটি কোষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক. কাইনেটোকোর কী?
খ. সেন্ট্রাল ড্রগমা (Central Dogma) বলতে কী বুঝ?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত ঝিল্লিটির গঠন সম্পর্কিত সর্বজনগ্রাহ্য মডেলটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের ঝিল্লিটি কোষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
ক্রোমোসোমে দ্বি-সূত্রক জৈব এসিড থাকে। উক্ত জৈব এসিড জটিল প্রক্রিয়ায় mRNA উৎপন্ন করে।
ক. প্রোথ্যালাস কী?
খ. একবীজপত্রী ও দ্বীবীজপত্রী মূলের অন্তর্গঠনগত পার্থ্যক্য লেখ।
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত এসিডটির ভৌত গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষের লাইনটি ব্যাখ্যা কর।

ক. নিউক্লিওটাইড
খ. আত্মঘাতী কোষ অঙ্গাণুর কাজ লেখ।
গ. চিত্র-A এর ভৌত গঠন ও কাজ লেখ।
ঘ. চিত্র-B এর প্রকারভেদ উল্লেখ করে A→B তৈরির প্রক্রিয়া সংক্ষেপে লেখ।
জীবকোষে ২টি বৃহৎ জৈব অণু আছে। যার একটি "জীবনের আণবিক ভিত্তি" নামে পরিচিত। অন্যটি প্রথমটির সহযোগী হিসেবে ১মটি থেকেই উৎপন্ন হয়।
ক. প্রিয়ন কী?
খ. দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়া বলতে কী বোঝ?
গ. ১ম অণুর গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।
ঘ. ১ম ও ২য় অণুর জৈবিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
একজন শিক্ষার্থী উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের চিত্র পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে উদ্ভিদকোষে একটি প্রাচীর দেখতে পেল যা প্রাণিকোষে নেই। আবার প্রাচীরের ভেতরে একটি পর্দা দেখতে পেল। যা প্রাণিকোষকেও আবৃত করে রেখেছে। এই পর্দা সম্পর্কে পড়তে গিয়ে দেখল, সূক্ষ্ম গঠনে এটি মোজাইক সদৃশ্য।
ক. অ্যামাইলোপ্লাস্ট কী?
খ. লাইসোসোম কে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাচীরটির ভৌত গঠন বর্ণনা কর।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত পর্দাটিকে কেন মোজাইক সদৃশ বলা হয়েছে বিশ্লেষণ কর।