Questions in this chapter
কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৫ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নজরুল ছিলেন 'বিচক্ষণ' ও হাস্যপ্রিয়।
ক. বিধেয়ক কী? খ. কোন ধরনের যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক সম্ভব নয়? গ. উদ্দীপকে কবির জন্মতারিখ দ্বারা পাঠ্যবইয়ের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যে বর্ণিত গুণগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন বুদ্ধিমান ও বিচারশক্তিসম্পন্ন মানুষ ছিলেন।
ক. বিধেয়ক কাকে বলে? খ. বিধেয় ও বিধেয়ক এক নয় কেন? গ. উদ্দীপকে প্রথম বাক্যটিতে কোন ধরনের বিধেয়কের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটিতে বর্ণিত গুণগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।
যুক্তিবিদ্যা ক্লাসে রাজিব স্যার বলেন, “মানুষ হলো বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।” মানুষের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি আছে বলেই মানুষ অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা। তিনি আরও বলেন, এ গুণটির বলেই মানুষ বিচার করতে পারে। তাছাড়া মানুষের মধ্যে তার আচার-ব্যবহার, পোশাক-পরিচ্ছদ, হাস্যপ্রিয়তা, জন্মস্থান, জন্মতারিখ এরূপ অনেক বিষয় রয়েছে।
ক. বিধেয় কী? খ. বিধেয়ক একটি সম্পর্কের নাম— বুঝিয়ে লেখ। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'মানুষ পদের বিশেষ গুণটি কোন বিধেয়ককে নির্দেশ করে? বিশ্লেষণ কর। ঘ. উদ্দীপকে রাজিব স্যারের শেষের বক্তব্যটির আলোকে বিধেয়কের প্রকারটি বিশ্লেষণ কর।
সকল দার্শনিক হয় মানুষ। আমিনুল ইসলাম একজন দার্শনিক। তিনি ১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৌতুকপ্রিয়। কৌতুকপ্রিয়তার কারণে তিনি সকলের নিকট জনপ্রিয় ।
ক. জাতি কী? খ. বিধেয় ও বিধেয়ক কি সমার্থক? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৯৪৫ সালের ১ জানুয়ারি কোন ধরনের বিধেয়ককে নির্দেশ করে? তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর। ঘ. কৌতুকপ্রিয় কোন ধরনের বিধেয়ক? তার শ্রেণিবিভাগ তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

ক. বিধেয়ক কী? খ. সমজাতীয় উপজাতির ধারণাটি ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে দানাযুক্ত ও দানামুক্ত কলার মাধ্যমে বিধেয়কের কোন ধারণাটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয় দুটির আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।
তিন বন্ধুর আলোচনায় সুমন বলল, "আমাদের ফুলের বাগান লাল, হলুদ, বেগুনি ও নীল রঙের ফুলে ভরপুর।" সুজন বলল, "মানুষই ফুলের বাগানের পরিচর্যা করে ও অন্যান্য পশুপাখির হাত থেকে রক্ষা করে। কলম কেটে ফুলের জাতগুলো উন্নতও করে। কারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আছে।” সফিক বলল, “এ মানুষই তাদের উদারতা ও মমতা দিয়ে বিভিন্ন পশুপাখি প্রতিপালন করে।”
ক. বিধেয়ক কী? খ. কোন ধরনের যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে সুমনের বক্তব্যে কোন ধরনের বিধেয়ককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. বিধেয়কের আলোকে সুজন ও সফিকের বক্তব্যের তুলনামূলক আলোচনা কর।
“সব দার্শনিক হয় জ্ঞানী" এ যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত 'দার্শনিক' ও 'জ্ঞানী' পদ দুটির মধ্যে একটি সম্পর্ক বিদ্যমান। এরিস্টটল সর্বপ্রথম এ সম্পর্কে আলোচনার সূত্রপাত করেন। পরবর্তীতে যুক্তিবিদ পরফিরি এ আলোচনাকে আরও বেগবান করেন।
ক. বিধেয়ক কী? খ. কোন ধরনের যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক অনুপস্থিত থাকে? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকের যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত 'জ্ঞানী' পদটিকে যুক্তিবিদ্যায় কী বলে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে 'দার্শনিক' ও 'জ্ঞানী' পদ দুটির মধ্যে যে সম্পর্ক প্রকাশিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
'সব দার্শনিক হয় জ্ঞানী'- এই যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত 'দার্শনিক' এবং 'জ্ঞানী' পদ দুইটির মধ্যে একটি সম্পর্ক বিদ্যমান। এরিস্টটল সর্বপ্রথম এই সম্পর্কে আলোচনার সূত্রপাত করেন। পরবর্তীতে যুক্তিবিদ পরফিরি এই আলোচনাকে আরো বেগবান করেন।
ক. বিধেয়ক কী? খ. কোন ধরনের যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক অনুপস্থিত থাকে? গ. উদ্দীপকের যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত 'জ্ঞানী' পদটিকে যুক্তিবিদ্যায় কী বলে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে 'দার্শনিক' ও 'জ্ঞানী' পদ দুইটির মধ্যে যে সম্পর্ক প্রকাশিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
রুবিনা ও রায়হান সার্কাস দেখতে গেল। সার্কাসে হাতি, ঘোড়া, বাঘ ও সিংহের খেলা দেখার পর রুবিনা বললো, এই পশুগুলো শক্তিশালী হলেও এরা মানুষের বশীভূত। কারণ এদের বশীভূত করার ক্ষমতা মানুষের আছে। রায়হান বললো, আমি তোমার সাথে একমত। অথচ দেখো, মানুষ ও এই পশুগুলো একই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
ক. বিধেয় কী? খ. বিধেয়ক কোনো পদ নয় কেন? ব্যাখ্যা করো। গ. রুবিনার বক্তব্যে মানুষের কোন গুণটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. রায়হানের বক্তব্যে মানুষ ও সার্কাসের অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান তা বিশ্লেষণ করো।
মি. রবিন আকারে ছোটখাটো। কিন্তু সদা হাস্যপ্রিয় এবং যুক্তিবিদ্যার একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। ক্লাসে বিধেয়ক পড়াতে গিয়ে তিনি বললেন, “জড় এবং জীবন নিয়ে গঠিত এ বিশ্বজগৎ খুবই সুন্দর। জীবজগতে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব কারণ মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি রয়েছে। জগতের অন্যান্য সব প্রাণী জন্মগ্রহণ করে, খায়, ঘুমায়, বংশবিস্তার ও জীবনধারণ করে। একসময় তারা মরে যায়। কিন্তু মানুষ তার নিজস্ব চিন্তা ও বিচারশক্তি দিয়ে প্রাণিজগতে তার শ্রেষ্ঠত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।”
ক. এরিস্টটলের মতে বিধেয়ক কত প্রকার? খ. বিভেদক লক্ষণ বলতে কী বোঝ? গ. উদ্দীপকে মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে কোন প্রকার সম্বন্ধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে বিধেয়কের প্রকারভেদ উল্লেখপূর্বক অবান্তর লক্ষণ বিশ্লেষণ কর।
ড. যুবরাজ ১৯৭০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবী, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলকে ভালোবাসতেন। যুবরাজ ছিলেন বিচক্ষণ ও হাস্যপ্রিয়।
ক. বিধেয় কী? খ. লক্ষণ কেন গুরুত্বপূর্ণ? গ. উদ্দীপকে বিচক্ষণ পদটি কোন ধরনের বিধেয়ক ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত গুণগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।
নিপু, দীপু ও ইবতি তিন ভাইবোন। বাবা-মায়ের সঙ্গে চিড়িয়াখানার গিয়ে নানা রঙের পাখি দেখে ওরা খুব আনন্দিত হয়। একই প্রজাতির পাখির মধ্যে আবার নানা রং দেখে বিস্মিত হয়। তখন নিপু ভাবে মানুষের মধ্যেও তো গায়ের রঙে ভিন্নতা আছে। দীপু হাতি দেখে ইবতিকে বলে, হাতি এত বড় হয়েও মানুষের কাছে পরাভূত। তখন ইবতি বলে, এজন্যই তো মানুষ সৃষ্টির সেরা।
ক. বিধেয়ক কাকে বলে? খ. বিধেয় এবং বিধেয়ক এক নয় কেন? গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পাখির রং ও মানুষের রং কোন বিধেয়ককে নির্দেশ করছে বুঝিয়ে লেখ। ঘ. দীপুর বক্তব্যটি বিধেয়কের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
মিসেস রাবেয়া এক সম্ভান্ত পরিবারে ১৯৫২ সালে ২৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রিয় রং নীল। তিনি শুধু সাংসারিক কাজ করতে ভালোবাসেন। অন্যদিকে, মিসেস রুবি, মধ্যবিত্ত পরিবারের সুন্দরী গৃহবধূ। তিনি গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করেন। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াশুনায় সহযোগিতা করেন এবং কেউ বিপদে পড়লে ভালোমন্দ পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই গ্রামের সবাই তাকে ভালোবাসেন।
ক. বিধেয়ক কত প্রকার ও কী কী? খ. বিধেয় ও বিধেয়ক কি সমার্থক? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে রাবেয়ার ব্যক্তিত্বে কোন ধরনের বিধেয়কের প্রকাশ পায়? ব্যাখ্যা কর। ঘ. উদ্দীপকের আলোকে রাবেয়া ও রুবির চরিত্রে বিধেয়কের যে দিকগুলো ফুটে ওঠে তার তুলনামূলক আলোচনা কর।
৩য় শ্রেণির ছাত্রী আসমা বলল, জানিস আপু – “যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য আর বাক্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তাকে বিধেয় বলল ।” তার কলেজ পড়ুয়া বড় বোন নাজমা বলল, “উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যেও একটি সম্পর্ক আছে। তবে এ সম্পর্ক কেবল সদর্থক বাক্যেই থাকে, নঞর্থক বাক্যে নয়।
ক. বিধেয় কী? খ. অবান্তর লক্ষণ বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে আসমা ও নাজমার বক্তব্যে যে দুটি বিনয়কে নির্দেশ করে তাদের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নাজমার শেষোক্ত বাক্যটি পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বর্ণনা কর।
রুবিনা ও রায়হান সার্কাস দেখতে গেল। সার্কাসে হাতি, ঘোড়া, বাঘ ও সিংহের খেলা দেখার পর রুবিনা বলল, এ পশুগুলো শক্তিশালী হলেও এরা মানুষের বর্ণীভূত। কারণ এদের বশীভূত করার ক্ষমতা মানুষের আছে। রায়হান বলল, আমি তোমার সাথে একমত, অথচ দেখ মানুষ ও এ পশুগুলো একই রকম, একই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
ক. বিধেয় কী? খ. বিধেয়ক কোনো পদ নয় কেন? গ. রুবিনার বক্তব্যে মানুষের কোন গুণটি ফুটে উঠেছে ব্যাখ্যা কর। ঘ. রায়হানের বক্তব্যে মানুষ ও সার্কাসের অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান তা বিশ্লেষণ কর।
বিধেয়ক বলতে কী বোঝ?
উপলক্ষণ কী?
বিধেয় কী?
বিধেয়ক পাঁচ প্রকার ।
বিধেয় এবং বিধেয়ক কি সমার্থক? ব্যাখ্যা কর।