Questions in this chapter
নিচের কোন কর্মসূচিটি ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনায় প্রথমবারের মতো অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও :
বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগে একটি নতুন রাষ্ট্র বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় । শুরুতে দেশটি অনুন্নত ও মাথাপিছু আয় কম ছিল। দেশটি ৬টি 'পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা' ও বর্তমান প্রেক্ষিত পরিকল্পনা' গ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।
উদ্দীপকের দেশে গৃহীত প্রেক্ষিত পরিকল্পার মেয়াদকাল কোনটি?
'X' ও 'Y' দুটি দেশ। উভয় দেশই আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জনগণের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং বেকার সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে সচেষ্ট। এ ক্ষেত্রে, 'X' দেশ কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু 'Y' দেশ। রাজস্ব ও আর্থিক নীতির সহযোগিতায় বেসরকারি খাতকে উৎসাহদানের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।
ক. পরিকল্পনা কী? খ. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা কেন প্রণয়ন করা হয়? গ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে 'Y' দেশের গৃহীত পরিকল্পনার ধরন চিহ্নিত করো।" ঘ. 'X' ও 'y' দেশে গৃহীত পরিকল্পনার মধ্যে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কোনটি বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
বাংলাদেশ সম্প্রতি উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। এ দেশের উন্নয়নের জন্য দ্রুত শিল্পায়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, মুদ্রাস্ফীতি রোধ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এজন্য সরকার ২০১০-২০২১ ও ২০১১-২০১৫ এর ন্যায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ভেদ করা সম্ভব এবং দৃশ্যমান সফলতাও অর্জিত হচ্ছে। যদিও এটি সময় সাপেক্ষ বিষয়।
ক. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কী? খ. উন্নয়নশীল দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন? গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ভেদ করার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রয়োজন আছে' উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
কোনো দেশকে দ্রুত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এগিয়ে নিতে হলে কিছু পূর্বপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করতে হয়। এসব কর্মসূচিকে আবার কতকগুলো ভাগে ভাগ করা হয়। আয় বৈষম্য হ্রাস, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য লাঘব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, জনসংখ্যা উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে এ কর্মসূচির গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু মূলধন ও ঋণের অভাব, তথ্য-উপাত্তের সংকট, দুর্নীতি, অদক্ষ জনগোষ্ঠী, দুর্বল অবকাঠামো, প্রশাসনিক অদক্ষতা প্রভৃতি এ কর্মসূচিতে সফলতার মুখ দেখতে দেয় না ।
ক. মধ্যমমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? খ. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সফলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সফলতা নির্ভরশীল— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। ঘ. কী কী কারণে উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
দারিদ্র্যবিমোচনের মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি দেশের অর্থনীতিতে পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৭৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঁচটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। প্রতিটি পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্য বিমোচন। 'রূপকল্প ২০২১' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গৃহীত ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যে হলো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণের সংখ্যা বর্তমানের ৩১.৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং এভাবে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা।
ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কাকে বলে? খ. বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবরূপ লাভ করে'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৭৩ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনার ধরন ব্যাখ্যা করো। ঘ. ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশল বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কতটুকু সফল হয়েছে? মূল্যায়ন করো ।
কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু বাংলাদেশের মতো অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নানাবিধ সমস্যা বিদ্যমান। তন্মধ্যে দক্ষ মানবসম্পদের অভাব, দুর্নীতি, মুদ্রাস্ফীতি, সঠিক তথ্য ও উপাত্তের অভাব, অর্থায়নের অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশের অনুপস্থিতি, সৎ ও দক্ষ প্রশাসনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।
ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কী? খ. কোনো দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা একান্ত প্রয়োজন- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়নশীল দেশের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সমস্যাগুলো ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তোমার সুপারিশ বিশ্লেষণ করো।
উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছতে হলে উন্নয়ন পরিকল্পনা অত্যাবশ্যক। বাংলাদেশ সরকার ২০১১-২০১৫ মেয়াদে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে কৃষি উৎপাদন, শিল্পে কর্মসংস্থান, সরকারি- বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্ব দেয়। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে আশা করা যায়।
ক. স্থানীয় পরিকল্পনা কাকে বলে? খ. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার দুটি সুবিধা লেখ। গ. উদ্দীপকের পরিকল্পনাটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশল বিশ্লেষণ করো।
উন্নয়ন পরিকল্পনা ছাড়া কোনো দেশই উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে যা ২০১৫ সালে শেষ হয়। মূলত এই পরিকল্পনা উন্নয়ন কৌশল অবলম্বন করেই দেশটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথ সুগম করেছে।
ক. প্ররোচিত পরিকল্পনা কী? খ. 'পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের কোন পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে? এই পরিকল্পনার তিনটি উদ্দেশ্য লেখো। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশলসমূহ বিশ্লেষণ করো।
দেশের উন্নয়নকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকার ২০১০ সালে 'রূপকল্প ২০২১' নামে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সরকার ২০১১-২০১৫ সময়সীমার আরো একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনার উদ্দেশ্যের মধ্যে দারিদ্র্যবিমোচনসহ সকল সেক্টরের উন্নতি সাধনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে।
ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? খ. ‘পরিকল্পনা ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত রূপকল্পটি কোন ধরনের পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে? এ ধরনের পরিকল্পনার প্রয়োজন হয় কেন? ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত পরিকল্পনা দুটি দেশের দারিদ্র্যবিমোচনে কতটুকু অগ্রগতি অর্জন করেছে? মূল্যায়ন করো।
একটি সদ্য স্বাধীন ও উন্নয়নশীল দেশ। দেশটির জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে। দেশটি দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বাড়ানোর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, মূলধন গঠন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বেকার ও খাদ্য সমস্যার সমাধান, সুষম উন্নয়ন, লেনদেন ভারসাম্যের প্রতিকূলতা দূরীকরণ, বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস ইত্যাদি লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি ব্যবস্থাপত্র গ্রহণ করে। ফলে দেশটির দারিদ্র্যবিমোচনের উদ্দেশ্য বেশ সফলতা পায় ।
ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? খ. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন হয় কেন? গ. উদ্দীপকের দেশটির গৃহীত 'ব্যবস্থাপত্রকে' অর্থনীতির ভাষায় কী বলে? বর্ণনা করো। ঘ. উদ্দীপকের দেশটির গৃহীত 'ব্যবস্থাপত্র' দারিদ্র্যবিমোচনে কতটা সফল হয়েছে বলে তুমি মনে কর? তোমার উত্তরের সপক্ষে মতামত দাও ।
বর্তমান বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০২১'-এর সুনির্দিষ্ট ২২টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং এর যথাযথ বাস্তবায়ন। এ পরিকল্পনার অধীনে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হওয়ায় সম্প্রতি সরকার সর্বশেষ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকার মনে করে এসব পরিকল্পনার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরাও আশা করেছেন, এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্প সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
ক. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা কী? খ. 'স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভীত রচনা করে।'- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাসমূহের মেয়াদকাল উল্লেখ করো। ঘ. বিশেষজ্ঞগণের আশাবাদের আলোকে বাংলাদেশে উন্নয়ন, পরিকল্পনার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
'Y' একটি উন্নয়নশীল দেশ। গত বছর নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। এ সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য একটি পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০) এবং অপর একটি পরিকল্পনা (২০১৬-২০৩৬) গ্রহণ করেছে। পরিকল্পনাসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকার শিক্ষার সকল স্তরে আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, সকল ইউনিয়নে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান, সকল শিশুর স্কুল গমন নিশ্চিতকরণ এবং দেশের সকল পরিবারের কমপক্ষে একজন সদস্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? খ. লেনদেনের ভারসাম্যের প্রতিকূলতা দূর করার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে'— ব্যাখ্যা করো । গ. ‘Y' দেশের সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাসমূহ কী ধরনের? ব্যাখ্যা করো। ঘ. তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে সরকারের গৃহীত পদেক্ষপসমূহ দেশের দারিদ্র্যবিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে? বিশ্লেষণ করো।
পরিকল্পনা কী?
অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কী?
মধ্যমমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা কী?
স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কাকে বলে? কি
স্থানীয় পরিকল্পনা কাকে বলে?
প্ররোচিত পরিকল্পনা কী?
উন্নয়ন পরিকল্পনা কী?