Questions in this chapter
দীর্ঘদিন নিখোজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড়ো রাস্তার তেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জট, লাল লাল চোখ । সে নিজেকে অলৌকিক পুরুষ বলে পরিচয় দেয় । গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়। অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপে ওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার। তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না।
উদ্দীপকের জুলফিকার 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:
দীর্ঘদিন নিখোজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড়ো রাস্তার তেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জট, লাল লাল চোখ । সে নিজেকে অলৌকিক পুরুষ বলে পরিচয় দেয় । গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়। অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপে ওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার। তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না।
'লালসালু'র মজিদ চরিত্রের যে দিকটি তাজু চরিত্রে স্পষ্ট নয়, তা হলো-
আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যাসন্তান জন্ম দেয়। পুত্রসন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলী কুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল 'পড়া পানি' দিয়ে রোষানলে পড়ে । বলেন যে, এই ‘পড়া পানি' খেয়ে তার যদি পুত্রসন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতি চতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে ।
উদ্দীপকের হালিমার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যাসন্তান জন্ম দেয়। পুত্রসন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলী কুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল 'পড়া পানি' দিয়ে রোষানলে পড়ে ।
উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব—
i. অন্ধবিশ্বাস
ii. ধর্মীয় গোঁড়ামি
iii. পির প্রথা
নিচের কোনটি সঠিক?
জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে। বিপদে-আপদে রোগে- শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেক টাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকট হতে রত্নপাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তু হরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না ।
উদ্দীপকের রাজীবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র-
জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে। বিপদে-আপদে রোগে- শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেক টাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকট হতে রত্নপাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তু হরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না ।
উদ্দীপকের সোনাপুর এবং 'লালসালু' উপন্যাপের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর প্রতারিত হওয়ার কারণ-
i. অন্ধ ধর্মবিশ্বাস
ii. অজ্ঞতা ও কুসংস্কার
iii. অন্ধ ভাগ্যবিশ্বাস
নিচের কোনটি সঠিক?
গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসী বিত্তবান, তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলের সাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আর কবিরাজ কূটকৌশলে স্বপনকে ~ নানাভাবে হেনস্থা করে ।
উদ্দীপকের স্বপন 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রকে স্মরণ করায়?
গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসী বিত্তবান, তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলের সাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আর কবিরাজ কূটকৌশলে স্বপনকে ~ নানাভাবে হেনস্থা করে ।
উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
‘শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।’ কার চোখ?
‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমাকে তুলনা করা হয়েছে মজিদের ঘরের-র সঙ্গে
মহব্বতনগরে আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?
‘লালসালু’ উপন্যাসে কোন চরিত্রের হাঁটার সময় মাটিতে আওয়াজ হয়?
‘লালসালু’ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদকের নাম কী?
'লালসালু' উপন্যাসে প্রদীপের আলোর সাথে তুলনা করা হয়েছে-
'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সেই চোখ।' কার চোখ?
লালসালু উপন্যাসে 'প্রাণধর্মের সহজ প্রকাশের' প্রতীক নারীচরিত্র-
'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে' চরণে উল্লেখকৃত 'পাথর' হলো-
‘ও কি ঘরে বালা আনবার চায় নাকি? চায় নাকি আমার সংসার উচ্ছন্নে যাক, মড়ক লাগুক ঘরে’ উক্তিটি করেছিল-
বয়স হলে এরা আর কিছু না হোক-
'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ কেমন ছিল?