তপন স্যার
১৮১৯ সালে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কারের পর থেকে বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটা নতুন চিন্তার উদ্ভব হলো। তাঁরা চৌম্বকক্ষেত্র থেকে তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি করা যায় কিনা সে বিষয়ে গবেষণা শুরু করলেন। এই গবেষণার ফলশ্রুতিতে তাড়িতচৌম্বক আবেশ আবিষ্কৃত হয়। এই আবিষ্কার তড়িতবিজ্ঞান তথা আধুনিক সভ্যতার বিবর্তনে অন্যতম সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। গ. একটি তার কুণ্ডলীতে টি পাক রয়েছে। এই কুণ্ডলীকে সেকেন্ডে দুটি চুম্বক মেরুর মাঝের একস্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হলো, এতে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটলো ওয়েবার। কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি কত?
Loading answers...