তপন স্যার

১৮১৯ সালে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কারের পর থেকে বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটা নতুন চিন্তার উদ্ভব হলো। তাঁরা চৌম্বকক্ষেত্র থেকে তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি করা যায় কিনা সে বিষয়ে গবেষণা শুরু করলেন। এই গবেষণার ফলশ্রুতিতে তাড়িতচৌম্বক আবেশ আবিষ্কৃত হয়। এই আবিষ্কার তড়িতবিজ্ঞান তথা আধুনিক সভ্যতার বিবর্তনে অন্যতম সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। ক. তাড়িতচৌম্বক আবেশ কাকে বলে? খ. ফ্যারাডের তাড়িতচৌম্বক আবেশের সূত্রগুলো বিবৃত ব্যাখ্যা কর।গ. একটি তার কুণ্ডলীতে 100100 টি পাক রয়েছে। এই কুণ্ডলীকে 0.010.01 সেকেন্ডে দুটি চুম্বক মেরুর মাঝের একস্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হলো, এতে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটলো 30×10530 \times 10^{-5} ওয়েবার। কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি কত?ঘ. তাড়িতচৌম্বক আবেশ প্রদর্শনের ফ্যারাডের পরীক্ষাগুলো বর্ণনা কর এবং কুণ্ডলীর গতির সাথে তড়িৎ প্রবাহের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো ।

Loading answers...